কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫, ১০:১৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সংস্কৃতির ভেতরেই রাজনীতির সৃজনশীলতা নিহিত : দুদু

বক্তব্য রাখছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। ছবি : কালবেলা
বক্তব্য রাখছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। ছবি : কালবেলা

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, রাজনীতির সৃজনশীলতার সর্বোচ্চ রূপ হচ্ছে সংস্কৃতি। সংস্কৃতির ভেতরেই দেশের জীবনব্যবস্থা, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের সম্পূর্ণ প্রতিফলন ঘটে।

শুক্রবার (o৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুরাগ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজিত আলোচনা, সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দুদু বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই থেমে থাকেননি, ৯ মাস রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন। শত শহীদের মতো তিনিও শহীদ হতে পারতেন কিন্তু আল্লাহ তাকে জীবিত রেখেছিলেন। তিনি যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে আবার তার পেশায় চলে গিয়েছিলেন রাজনীতিতে আসেননি। নানান বিবর্তনের মধ্যে একসময় সিপাহি এবং জনতা ৭ নভেম্বরে তাকে আবার সামনে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি দেশের হাল ধরেন। তার রাজনৈতিক আদর্শ ও ত্যাগ আজও বাংলাদেশের মানুষকে প্রেরণা দেয়।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান মানুষের হৃদয়ের মধ্যে যে গভীরতার স্থান অর্জন করেছিলেন। তার স্ত্রী ও সহধর্মিণী পরবর্তীতে আপসহীন নেত্রী হিসেবে শুধু জাতির কাছেই নয়, সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি বেগম খালেদা জিয়া। এ কারণেই আমরা তাকে (বেগম জিয়া) আপসহীন বলি। শত নির্যাতন, শত হামলা-মামলা কোনোটাই তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। ‘এরশাদকে যেতে হব’— এই প্রতিশ্রুতি তিনি জাতিকে দিয়েছিলেন এবং তা পালন করেছিলেন। ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই এরশাদকে বিদায় করা হয়েছিল।

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, বিএনপির অ্যাক্টিং চেয়ারপার্সন যিনি ১৬ বছর ধরে হাসিনার নির্যাতন, স্বৈরাচার, গুম-খুন, গণহত্যা ও লুটপাটের কাল অতিক্রম করতে চেয়েছেন। হাসিনার স্বৈরশাসন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে শয়তানও হয়তো তার তুলনায় কম ভয়ঙ্কর মনে হয়। তাকে বিদায় করার অন্যতম নেতৃত্ব দিয়েছেন আমাদের নেতা তারেক রহমান।

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন, গুম-খুন, দমন-পীড়ন ও দুর্নীতির মাধ্যমে দেশকে অচল অবস্থায় নিয়ে গেছেন। এখন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য একটি ‘সাচ্চা ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন’ জরুরি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অনুরাগ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি মোস্তফা মতিহার। এ সময় বিএনপির সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি শামীম মাহমুদ, অভিনেতা এবিএম সোহেল রশিদ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রুবিনা আলমগীর, কবি ও সাংবাদিক আকাশমনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

অবশেষে জানা গেল বিশ্বকাপ না খেলায় কত টাকার ক্ষতি হবে বাংলাদেশের

নির্বাচনী জনসভায় জামায়াত আমিরের তিন শর্ত

রাজধানীর ভাষানটেকে নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান

বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি ও বুলিং প্রতিরোধে কাজ করবে ঢাবি-ব্র্যাক

মায়ের সঙ্গে পূজায় ইয়ালিনি

ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আঁতাত ফাঁস

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা জানা গেল

ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন বিএনপির জন্য

১৪ জেলায় ২১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেনকে যে শর্ত জুড়ে দিল রাশিয়া

১০

জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ

১১

হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেলের রজতজয়ন্তী উদযাপিত

১২

পুলিশকে কোপানোর ঘটনায় বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

১৩

একা থাকা আর একাকিত্ব অনুভব করা এক বিষয় নয়, বলছে গবেষণা

১৪

ফেব্রুয়ারিতে দুই দফায় মিলবে ৮ দিনের ছুটি

১৫

‘মৃত্যুর পর জাভেদের সম্মাননা’ প্রত্যাখ্যান করলেন নায়কের স্ত্রী

১৬

তৃতীয় বারের মতো সরস্বতী পূজায় নারী পুরোহিত সমাদৃতা

১৭

বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে রোববার বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন

১৮

শনিবার ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১৯

সুখবর পেলেন বিএনপির আরও ২ নেতা

২০
X