পুরুষ কিংবা নারী—বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অর্জন এখন পর্যন্ত এশিয়া কাপের শিরোপা জয়। সেটাও আবার এসেছিল ২০১৮ সালে সালমা খাতুন, জাহানারা আলমদের হাতধরে। সেবার হট ফেভারিট ভারতকে হারিয়ে শিরোপা উল্লাসে মেতেছিল টাইগ্রেসরা। তবে এবার ফাইনালের আগেই ভারতের মুখোমুখি হতে হচ্ছে নিগার সুলতানা জ্যোতিদের।
শুক্রবার (২৬ জুলাই) শ্রীলঙ্কার ডাম্বুলাতে দুপুর আড়াইটায় হারমানপ্রিত কৌরের দলের মুখোমুখি হবেন তারা। ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে বড় পরীক্ষার সামনে পড়ছে জ্যোতিরা। কেননা, এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট হিসেবেই দাপট দেখাচ্ছে ভারত।
গ্রুপ পর্বের সবকয়টি ম্যাচ জিতেছে ভারত। সেমির আগে খেলোয়াড়দের বিশ্রামেরও সুযোগ করে দেয় তারা। নেপালের বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচে অধিনায়ক হারমানপ্রিতকেও রাখা হয়েছিল বিশ্রামে। বাংলাদেশ ম্যাচের আগে মোটামুটি প্রস্তুতি নিয়েই নামতে যাচ্ছে তারা। সম্প্রতি বাংলাদেশের সঙ্গে খেলা ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের সবকয়টিতে জিতে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী স্মৃতি মান্ধানারা।
সেমি ফাইনালের আগে বাংলাদেশের স্বস্তি হতে পারে ব্যাটিং বিভাগে উন্নতি ও ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। পর পর দুই ম্যাচে ফিফটি করে দলের ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছেন ওপেনার মুর্শিদা খাতুন। সেমিতেও তার ওপর বাড়তি চাপ থাকবে দলকে এগিয়ে নেওয়ার। কেননা, ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের যে দুর্বলতা, সেটা টপ অর্ডারকেই ঘুচিয়ে উঠতে হবে।
অবশ্য মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জেতার পর মুর্শিদা সেমি নিয়ে নিজের পরিকল্পনাটা জানিয়েছেন এভাবে, ‘হ্যাঁ, সেমিফাইনালে আশা করি ফর্ম ধরে রাখতে পারব।’ তবে অধিনায়ক জ্যোতি বলেছেন ভালো ক্রিকেট খেলতে চায় তার দল। সেমিফাইনালে যখন প্রতিপক্ষ ভারতের মতো শক্তিশালী দল।
তখন বাংলাদেশের পরিকল্পনা কি, এমন প্রশ্নে জ্যোতি বলেছিলেন, ‘আমরা ভালো ক্রিকেট খেলে যেতে চাই। নিজেদের পরিকল্পনাটা বাস্তবায়ন করতে চাই। ওই নির্দিষ্ট দিনে কেমন করি সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।’
নিজের সতীর্থদের প্রতি আস্থার কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, সেরা ক্রিকেট খেলতে চান তারা। অবশ্য ভারতের মতো প্রতিপক্ষকে হারাতে হলে নিজেদের শতভাগের বেশিই নিগড়ে দিতে হবে জ্যোতিদের, শক্তি, সামর্থ্যই, পরিসংখ্যানই বলছে সেকথা।
মন্তব্য করুন