কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৩, ১২:৪৪ এএম
আপডেট : ২৪ জুন ২০২৩, ০২:২৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ

রোবট যেভাবে খোঁজ পেল টাইটানের ধ্বংসাবশেষের

টাইটান তল্লাশিতে অংশ নেওয়া ‘ভিক্টর ৬০০০’ রোবট। ছবি: সংগৃহীত
টাইটান তল্লাশিতে অংশ নেওয়া ‘ভিক্টর ৬০০০’ রোবট। ছবি: সংগৃহীত

চারদিনের শ্বাসরুদ্ধকর তল্লাশির পর আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষের পাশেই পাওয়া গেছে টাইটানের ধ্বংসস্তূপ। সমুদ্রের প্রায় সাড়ে ১২ হাজার ফুট গভীরে এ কঠিন কাজটি করেছে ফ্রান্সের রোবট ‘ভিক্টর ৬০০০’।

মূলত, ফ্রান্সের সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট ‘ইফ্রেমার’ এ রোববটি ব্যবহার করে থাকে। রোবটটি সমুদ্রের ২০ হাজার ফুট বা ৬ হাজার মিটার গভীরে যেতে পারে, যাকে দূর থেকেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আর তাইতো টাইটানকে সমুদ্রের তলদেশে খুঁজে বের করতে কাজে লাগানো হয় এই রোবটটিকে।

নিয়ন্ত্রণকক্ষের নির্দেশমতো আশপাশে থাকা তার বা রশি কাটতে পারে রোবটটি। রোবটটিতে ছবি এবং ভিডিও ধারণের প্রযুক্তি থাকায় আশপাশের দৃশ্য নিখুঁতভাবে দেখা সম্ভব।

শানগেট কোম্পানি আটলান্টিক মহাসাগরের সাড়ে ১২ হাজার ফুট নিচে পড়ে থাকা বিখ্যাত টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখাতে পর্যটকদের নিয়ে যায়। এ জন্য জনপ্রতি তাদের গুনতে হয় বাংলাদেশি মুদ্রায় আড়াই কোটি টাকা।

১০০ বছরের বেশি সময় আগে ১৯১২ সালে আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যায় সেই সময়ের সর্ববৃহৎ জাহাজ টাইটানিক। জাহাজটির ধ্বংসাবশেষ দেখতে গত রোববার পর্যটকদের নিয়ে ডুব দিয়েছিল ডুবোযান টাইটান।

আটলান্টিকের গভীরে ডুব দেওয়ার পৌনে দুই ঘণ্টার মাথায় টাইটানের সঙ্গে পানির ওপরে থাকা নিয়ন্ত্রক জাহাজ ‘পোলার প্রিন্সের’ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এর পর থেকে চলছিল টাইটানের উদ্ধার অভিযান।

চার দিনের শ্বাসরুদ্ধকর তল্লাশি শেষে যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড জানায়, ভয়ংকর বিস্ফোরণে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে টাইটান। আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষের পাশেই পাওয়া গেছে টাইটানের ধ্বংসস্তূপ। তবে এর ভেতরের পাঁচ আরোহীর মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব নাও হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন কোস্টগার্ড।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমার কর্মীদের ভয়ভীতি দেওয়া হচ্ছে : মহিউদ্দিন আহমেদ

আলিফ হত্যা মামলা / নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন চিন্ময় ব্রহ্মচারী

আমির হামজার সকল ওয়াজ-মাহফিল স্থগিত ঘোষণা

ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা প্রত্যাহার দুই দেশের

পঞ্চগড়ে জাতীয় ছাত্রশক্তির ‘হ্যাঁ যাত্রা’ ক্যাম্পেইন

শাকসু নির্বাচন নিয়ে উত্তাল শাবি

খড়িবাহী ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল মা-মেয়ের

দেশে প্রথম বেস আইসোলেশন প্রযুক্তিতে ফায়ার সার্ভিস ভবন নির্মাণ করছে গণপূর্ত

সাইড দিতে গিয়ে ট্রাকের নিচে মোটরসাইকেল, মা-মেয়ে নিহত

নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধে মাজআসের গোলটেবিল আলোচনা সভা

১০

একই গ্রুপে ভারত-পাকিস্তান, বাংলাদেশের সঙ্গে কারা?

১১

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

১২

যে দুর্গম এলাকায় র‌্যাবের ওপর হামলা করে সন্ত্রাসীরা

১৩

ফের মা হচ্ছেন বুবলী? গুঞ্জনের জবাবে নায়িকার ‘রহস্য’

১৪

২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, এনসিপি নেতাসহ আটক ৩

১৫

নির্বাচন সুষ্ঠু করার প্রচেষ্টা চলছে : শিল্প উপদেষ্টা

১৬

বিমানবন্দর ও গুলশান-বনানীতে হর্ন বাজালেই কঠোর ব্যবস্থা ডিএমপির

১৭

চট্টগ্রামকে শিক্ষাবান্ধব নগরী গড়তে মেয়র শিক্ষাবৃত্তি অব্যাহত থাকবে : ডা. শাহাদাত

১৮

শাবিপ্রবিতে ছাত্রদল নেতাকে আজীবন বহিষ্কার

১৯

কারাগারে গ্যাং সদস্যদের সহিংসতা, জরুরি অবস্থা জারি

২০
X