কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৪, ০৬:৫০ পিএম
আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২৪, ০৬:৫৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সংবিধানে সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার তাগিদ খুশী কবিরের

বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী এবং নিজেরা করি’র সমন্বয়ক খুশী কবির। ছবি : সংগৃহীত
বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী এবং নিজেরা করি’র সমন্বয়ক খুশী কবির। ছবি : সংগৃহীত

রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য বেশ কয়েকটি কমিশন গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। পাশাপাশি যেন পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, নারী, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তার জন্য সরকারের সঙ্গে একত্রে সংবিধানে মানবাধিকারের বিষয়টি নিয়ে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী এবং নিজেরা করি’র সমন্বয়ক খুশী কবির।

সোমবার (৪ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর আসাদগেটে ওয়াইডব্লিউসিএ কনফারেন্স হলে বাদাবন সংঘ আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় আলোচনার মূল বিষয় ছিল নারীর ভূমির মালিকানা প্রাপ্তিতে সীমাবদ্ধতা ও করণীয়। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (এএলআরডি) নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. ঈশানী চক্রবর্তী, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (এএলআরডি) উপনির্বাহী পরিচালক রওশন জাহান মনি।

স্থানীয় পর্যায়ে নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ২০১৬ থেকে কাজ করে যাচ্ছে বাদাবন সংঘ। সভায় গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মুমিতা তানযীলা। গবেষণার আলোকে বক্তারা বলেন, ভূমিতে মালিকানায় অনেকটাই পিছিয়ে আছে বাংলাদেশে নারীরা, ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে উত্তরাধিকার আইন থাকলেও তার বাস্তবায়ন নেই। এ ছাড়া আইনগুলো বৈষম্যমূলক, যা জাতি ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সমান নয়।

প্রান্তিক নারীদের নেত্রী পারভীন হালিম বলেন, জমির দলিল সহজবোধ্য নয়। ফলে নারীরা অধিকারপ্রাপ্তির লড়াইয়ে বেশি দূর যেতে পারে না।

ঈশানী চক্রবর্তী বলেন, ভূমিতে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা করা মানে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।

খুশী কবির বলেন, ভূমিতে নারীর অধিকার ধর্মীয় আইন দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে, ফলে দেখা যায় নারী ও সংখ্যালঘু মানুষরা বৈষ্যম্যের শিকার হয়। এক্ষেত্রে অভিন্ন পারিবারিক আইন করলে সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও বলেন, সংগঠনই শক্তি, সংগঠনই মুক্তি। তাই তৃণমূল থেকে সব পর্যায়ের নারীদের সংগঠিত করে ভূমিতে নারীর সমঅধিকার আদায়ের দাবি তুলতে হবে এবং সবার সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় একদিন বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে আগামী ৫ বছর কে দেশ চালাবে’

ইয়েমেনের একাধিক শহর পুনর্দখল সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর

মনোনয়ন ফিরে পেতে তাসনিম জারার আপিল

অনৈতিক সম্পর্কে ধরা আ.লীগ নেতাকে গণপিটুনি

চেকপোস্টে পুলিশ সদস্যদের হুমকি, অতঃপর...

ভেনেজুয়েলা পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের বার্তা

আ.লীগের ১১ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশ না নিলে কোন দেশ সুযোগ পাবে

বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোকবার্তা হস্তান্তর

সুন্দরবনে পর্যটনবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ

১০

চট্টগ্রামে আচরণবিধি লঙ্ঘনে জরিমানার মুখে বিএনপি প্রার্থী

১১

কাজ না করেই ৪৪ কোটি টাকা আ.লীগ নেতার পকেটে

১২

যুবদল নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

১৩

হারতে হারতে যেন ‘ক্লান্ত’ নোয়াখালী, জয়ে ফিরল সিলেট

১৪

যুবকের ঠোঁট ছিঁড়ে নিল কুকুর

১৫

নির্বাচনে ভোটিং ইঞ্জিনিয়ারিং হলে আবার গণঅভ্যুত্থানের ডাক আসবে : জাগপা

১৬

জকসু নির্বাচন উপলক্ষে ক্যাম্পাসে বিশেষ নিরাপত্তা নির্দেশনা জারি

১৭

পুতিনের বাসভবনে হামলার অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন ট্রাম্প

১৮

৮ জুলাই শহীদের পরিচয় নিয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা 

১৯

বিএসএফের হাতে আটক বাংলাদেশির মৃত্যু 

২০
X