বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৫, ১০:১০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র পাল্লা থেকে ‘সব সীমা’ তুলে নিলেন খামেনি!

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি : সংগৃহীত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দেশের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর আরোপিত সব ধরনের সীমাবদ্ধতা তুলে নিয়েছেন বলে দাবি উঠেছে। ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যের উদ্ধৃতি দিয়ে এ খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল।

বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এমন সিদ্ধান্ত সত্য হলে তা ইরানের প্রতিরক্ষা নীতিতে এক বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করবে। বিশেষ করে গত জুনে ভয়াবহ সংঘাতের পর তেহরান যে তার সামরিক অবস্থান আরও দৃঢ় করছে, সেটিই এতে স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির সদস্য আহমেদ বখশায়েশ আরদেস্তানি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি উন্নত করেছে এবং যতটা প্রয়োজন মনে করবে, ততটাই উন্নত করবে।’

তিনি আরও জানান, খামেনি আগে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২২০০ কিলোমিটারে সীমাবদ্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু এখন সেই সীমা তুলে নেওয়া হয়েছে।

আরদেস্তানি বলেন, তেহরান ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার কোনো নির্দিষ্ট সীমা মানবে না, কারণ এটি তাদের সামরিক শক্তির ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।’ তার ভাষায়, ‘আমরা আমাদের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা স্বার্থ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেব, অন্য কারও চাপে নয়।’

এই বক্তব্য এসেছে এমন এক সময়, যখন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মাত্র একদিন আগেই অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ওয়াশিংটনকে বিভ্রান্ত করতে ইরানের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে।

তেহরানের এই অবস্থানকে বিশ্লেষকরা দেখছেন এক সুস্পষ্ট বার্তা হিসেবে—ইরান তার প্রতিরক্ষা নীতি ও সামরিক প্রযুক্তি বিকাশে কোনো বিদেশি চাপ বা নিষেধাজ্ঞার পরোয়া করছে না। তারা বলছেন, খামেনির এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার জন্ম দিতে পারে এবং এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়বে বৈশ্বিক নিরাপত্তা রাজনীতিতেও।

কালবেলা/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর, দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার

ডিমলায় বাড়ছে অনলাইন জুয়ার বিস্তার, উদ্বেগে অভিভাবক ও সচেতন মহল

বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা

জুলাই শহীদদের স্মরণে ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ বুধবার

বিয়ে নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী  

থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলন শেষ, কর্মব্যস্ত সময় কাটালেন আইজিপি

রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

আরএফএল কর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, সহকর্মী পলাতক

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা, হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

নতুন বাংলাদেশ গড়তে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: হাসনাত আব্দুল্লাহ

১০

‘রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে’

১১

বিশ্বকাপ ফাইনালের মারামারিতে যে শাস্তি পেতে পারেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা

১২

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়তে চান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট, দাবি ট্রাম্পের

১৩

হুতিদের হুমকির মুখে লোহিত সাগর থেকে ফিরে গেল ২ সৌদি জাহাজ

১৪

চুক্তি আগস্টে / এবার এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার

১৫

উন্নয়ন কোনো দলের নয়, জনগণের অধিকার: মান্নান

১৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাদের প্রার্থী হতে সুযোগ দেবে না ইসি

১৭

কুয়াকাটায় বসতবাড়ি থেকে পদ্ম গোখরা উদ্ধার

১৮

ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

১৯

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের খাদ্য সহায়তা

২০
X