

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জনগণকে বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানিদের উচিত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তাদের সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে।
মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, তোমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করো।
তিনি আরও জানান, বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করা হয়েছে।
এদিকে রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, ইরানের এক সরকারি কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন যে চলমান বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। এটিই প্রথমবার ইরানি কর্তৃপক্ষ এত বড় মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করল। তবে ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মৃত্যুর পেছনে সন্ত্রাসীরা দায়ী।
এর আগে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপও বিবেচনায় রয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, বিক্ষোভ চলাকালীন সময়েও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের প্রস্তাবগুলো তেহরান পর্যালোচনা করছে।
ইরান সরকার বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দেশটিকে অস্থিতিশীল করতে চেষ্টা করছে। আরাঘচির দাবি, শুরুতে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল, কিন্তু পরে সশস্ত্র গোষ্ঠী ঢুকে পড়ে পরিস্থিতি সহিংস করে তোলে।
মন্তব্য করুন