কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৩, ০৮:৫৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ

আল-শিফা হাসপাতাল : গুরুতর আহত ২৫০ রোগীর ভাগ্য এখনো অজানা

রোববার বেশ কয়েকটি নবজাতক শিশুকে রাফাহ সীমান্তপথের আমিরাতি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত
রোববার বেশ কয়েকটি নবজাতক শিশুকে রাফাহ সীমান্তপথের আমিরাতি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলি সেনাদের অবরোধের মধ্যে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল আল-শিফায় এখনো গুরুতর আহত ২৫০ জন রোগী অবস্থান করছেন। ইসরায়েল হাসপাতাল খালি করার নির্দেশ দিলেও তারা সেখান থেকে সরতে পারেননি। এ অবস্থায় তাদের জন্য কী পরিণতি অপেক্ষা করছে তা এখনো অজানা। সোমবার (২০ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।

ইসরায়েলি নির্দেশনা মেনে গত শনিবারই আল-শিফা হাসপাতাল থেকে অধিকাংশ মানুষ অন্যত্র চলে যান। এরপর রোববার সেভ দ্য চিলড্রেনের সহায়তায় বেশ কয়েকটি নবজাতক শিশুকে রাফাহ সীমান্তপথের আমিরাতি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে হাসপাতাল ত্যাগ করার যাত্রাটা তাদের জন্য মোটেও সুখকর ছিল না।

আলজাজিরা বলছে, কিন্তু যারা গুরুতর আহত তারা এখনো হাসপাতালে রয়ে গেছেন। অথচ আল-শিফায় পানি, জ্বালানি, ওষুধ, খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নেই। এ কারণে হাসপাতালটি আর কার্যক্রম সচল রাখতে পারেনি। দিন যত সামনে যাচ্ছে তাদের অবস্থা আরও অবনতি হচ্ছে। ফলে এসব রোগীর ভাগ্যে আসলে কী ঘটবে, তা অজানা।

এর আগে গত শনিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বে একটি পর্যবেক্ষক দল আল-শিফা হাসপাতাল পরিদর্শনে যায়। পরিদর্শন শেষে হাসপাতালকে মৃত্যুপুরী বলে মন্তব্য মন্তব্য করেছেন তারা।

রোববার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, নিরাপত্তা ও সময় সীমিত হওয়ায় মাত্র এক ঘণ্টা সময় হাসপাতালে অবস্থান করে পর্যবেক্ষক দল। এরপর তারা বলেছেন, হাসপাতালটি এখন মৃত্যুপুরী এবং এর ভেতরের পরিস্থিতি ভয়াবহ। সেখানে বিশুদ্ধ পানি, জ্বালানি, ওষুধ, খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নেই। এ কারণে হাসপাতালটি আর কার্যক্রম সচল রাখতে পারেনি।

আল-শিফা হাসপাতালে হামাস যোদ্ধাদের গোপন সুড়ঙ্গ রয়েছে, এমন দাবি করে বেশ কয়েক দিন ধরে হাসপাতালটি ঘিরে রেখেছে ইসরায়েলের সেনারা। যদিও হামাসের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের এ দাবি নাকচ করে দেওয়া হয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১০

ঢাবির বিভাগীয় চেয়ারম্যান পদ থেকে গোলাম রাব্বানীকে অব্যাহতি

জামায়াত ঐক্যের নামে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মাওলানা আনোয়ারুল করিম

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এনটিআরসিএর কড়া বার্তা

বিপিএলের প্লে–অফ নিশ্চিত তিন দলের, রংপুরের সামনে শেষ লড়াই

নির্বাচনের আগেই হাদি হত্যার বিচার চান শিক্ষার্থীরা

সাবেক ডিআইজি মিলন দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিয়ের দাওয়াত নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, সাবেক ইউপি সদস্য নিহত

পার্লামেন্টে ইরানের সব কূটনীতিককে নিষিদ্ধ করল ইইউ

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে পুলিশে দিল জনতা

১০

ভারতকে নিরাপদ বলছে আইসিসি, মানছে না বাংলাদেশ

১১

সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে অপরাধীদের তথ্য দেওয়ার আহ্বান সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারের

১২

পেছনের দরজা দিয়ে গণতন্ত্র ধ্বংসের ষড়যন্ত্র এখনো চলছে : ডা. রফিক

১৩

বিএনপির প্রার্থীকে শোকজ

১৪

রাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা

১৫

এবার রাজপথে নামলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

১৬

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের গ্রেপ্তারের খবর নিয়ে যা জানা গেল

১৭

কত আসনে লড়বে এনসিপি, জানালেন আসিফ

১৮

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাপা-এনসিপির ৫ শতাধিক নেতাকর্মী

১৯

পুলিশ সদস্যকে ‘ছুরি’ দেখিয়ে ২ লাখ টাকা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪

২০
X