কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৪, ০৬:৩১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ১৬০ হামলা

ইরাকের একটি সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন সেনা। ছবি : সংগৃহীত
ইরাকের একটি সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন সেনা। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ১৬০ বারের বেশি হামলা হয়েছে। এ ছাড়া লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজে পর্যন্ত হামলা হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর গাজা যুদ্ধ শুরু হলে ইরাক, সিরিয়া ও জর্ডানে মার্কিন সেনাদের ওপর ১৬০ বারের বেশি হামলা হয়েছে। লোহিত সাগরেও মার্কিন যুদ্ধজাহাজ হামলার শিকার হয়েছে। ইয়েমেনের হুতি যোদ্ধারা লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক জাহাজের দিকে প্রায় প্রতিদিন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে।

এতদিন এসব হামলায় কোনো মার্কিন সেনা নিহত না হলেও গত রোববার (২৮ জানুয়ারি) জর্ডানের একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৪০ জনের বেশি সেনা। গাজা যুদ্ধ শুরু হলে এই প্রথম এ অঞ্চলে কোনো মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে।

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্বিচারে ইসরায়েলি হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকেও কিছুটা দায়ী মনে করে মধ্যপ্রাচ্যের ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো। এ জন্য হামাসের প্রতি সমর্থনের অংশ হিসেবে মার্কিন ঘাঁটিতে একের পর এক হামলা করে আসছে এসব গোষ্ঠী। রোববারের হামলার পরও ইরানের দিকে অভিযোগের তীর নিক্ষেপ করে ওয়াশিংটন। তবে এ হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে ইরান।

রোববারের হামলার পর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ইরান-সমর্থিত কট্টর জঙ্গিগোষ্ঠী এই হামলা চালিয়েছে। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের যথাসময়ে ও মানানসই উপায়ে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

তবে মার্কিন সেনা সদরদপ্তর পেন্টাগনের কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো যুদ্ধে যাবে না যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন সিনেটররা মধ্যপ্রাচ্যের এই প্রভাবশালী দেশে সরাসরি হামলা চালাতে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে চাপ দিচ্ছেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে বেফাকের ৪৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা

ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট জাদুঘরের ই-টিকিটিং সেবা চালু

জাপার সঙ্গে জোটে যাওয়া নিয়ে যা বলল ইসলামী আন্দোলন

ফাইনালে না হারা ‌‘এলিট’ কোচ তারা

‘নেতানিয়াহুর সঙ্গে ছবি তুলতেও এখন আর কেউ আগ্রহী নন’

একক নির্বাচনের সিদ্ধান্ত ইসলামী আন্দোলনের, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাল জামায়াত

বায়রার নির্বাচনের তপশিল স্থগিত 

উত্তরায় বহুতল ভবনে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে

বিমানবন্দর থেকে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

সবার আগে বিপিএল থেকে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিদায়

১০

গাড়িচাপায় পাম্প শ্রমিকের মৃত্যু, যুবদলের সাবেক নেতা আটক

১১

বিএনপি সবসময় ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাস করে : সেলিমুজ্জামান

১২

বিশ্বকাপের আগেই বড় চমক দেখাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ

১৩

নোবেল পুরস্কারের প্রলোভনেও নড়লেন না ট্রাম্প, হতাশ মাচাদো

১৪

বেরিয়ে এলো মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য

১৫

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘এনপিএ’র আত্মপ্রকাশ

১৬

৩২ আসনে কাদের সমর্থন দেবে, জানাল ইসলামী আন্দোলন

১৭

ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ

১৮

ক্রিকেটারদের বহিষ্কারের স্ট্যাটাস দিয়ে আলোচনায় আসিফপত্নী

১৯

সরকারের কাজ জনগণকে ভোটদানে উদ্বুদ্ধ করা : আমীর খসরু

২০
X