ওয়াসিকা আয়শা খান
প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০২৪, ০৩:৩৫ এএম
আপডেট : ০৮ মার্চ ২০২৪, ০৮:৩৩ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
সাক্ষাৎকার

সর্বত্র নারীর অংশগ্রহণেই অগ্রগতি

সর্বত্র নারীর অংশগ্রহণেই অগ্রগতি

রাষ্ট্র পরিচালনা, সর্বত্র নেতৃত্ব প্রদান, আর্থ-সামাজিক-সাংস্কৃতিক এমনকি সৃজনশীল সৃষ্টিকর্মের জগতে নারী-পুরুষের এখন সমান অধিকার ও উপস্থিতি দেশের সর্বত্র দৃশ্যমান। বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে নারীর অগ্রগতির খতিয়ান হিমালয়তুল্য। নারী এগিয়ে যাচ্ছে, যাবেও। সব কাজে নারীর এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি যেমন সমৃদ্ধ হয়েছে, তেমনি ক্রমেই অগ্রসর হচ্ছে দেশের অর্থনীতিও। তবে এখনো প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করছে কিছু সামাজিক মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গি। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে কালবেলার বিশেষ আয়োজনে নারীর সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিষয়ে কথা বলেছেন দেশের প্রথম নারী অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি।

কালবেলা: দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীর অংশগ্রহণ ও অবদান সম্পর্কে যদি কিছু বলেন?

ওয়াসিকা আয়শা খান: দেশের চলমান অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন নারী। একজন নারী তার পরিবারের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আনতে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে মাঠে যেমন কৃষি কাজ করতে পিছপা হচ্ছেন না, তেমনি ইটভাঙা শ্রমিক কিংবা পোশাক শিল্প থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বিভিন্ন দায়িত্বশীল পদে থেকেও পুরুষের সমান কাজ করছেন। হিমালয় চূড়াও জয় করছেন নারী। পুলিশ, বিজিবি, সামরিক বাহিনীসহ সব ক্ষেত্রেই নারীর অংশগ্রহণ ও ফলপ্রসূ ভূমিকা দৃশ্যমান। কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজনীতি, প্রশাসন, কূটনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রকৌশলী, হিসাববিদ, ফ্যাশন ডিজাইনার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কোথায় নেই নারী? রাষ্ট্র পরিচালনা, সর্বত্র নেতৃত্ব প্রদান, আর্থ-সামাজিক-সাংস্কৃতিক এমনকি সৃজনশীল সৃষ্টিকর্মের জগতে নারী-পুরুষের সমান অধিকার ও উপস্থিতি বাংলাদেশের সর্বত্র দৃশ্যমান। সব কাজে নারীর এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি যেমন সমৃদ্ধ হয়েছে, তেমনি ক্রমেই অগ্রসর হচ্ছে দেশের অর্থনীতিও।

কালবেলা: নারীর এই অগ্রযাত্রায় বর্তমান সরকারের অবদান কতটুকু?

ওয়াসিকা আয়শা খান: ওই যে বললাম রাষ্ট্র পরিচালনা, সর্বত্র নেতৃত্ব প্রদান, আর্থ-সামাজিক-সাংস্কৃতিক এমনকি সৃজনশীল সৃষ্টিকর্মের জগতে নারী-পুরুষের সমান অধিকার ও উপস্থিতি বাংলাদেশের সর্বত্র দৃশ্যমান। এটা সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশের ভিশনারি নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী উদ্যোগ ও আন্তরিকতার কারণেই। তিনিই বাংলাদেশে নারী ক্ষমতায়নের অগ্রদূত। নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং লিঙ্গ সমতাকরণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সারাবিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার নিরলস পরিশ্রম, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন চিন্তাধারা এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণেই সব কিছুতেই নারীর সহজ ও নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে। যার মধ্য দিয়েই আজকে বাংলাদেশের নারীরা দৃশ্যমানভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে এসেছেন। বিশেষ করে জাতিসংঘের বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে সফল অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাঙালি নারীরা তাদের নিজেদের অনুকরণীয় করে তুলছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ৫০-৫০ শতাংশ হারে উন্নীত করার অঙ্গীকার করেছেন। তার এই ভিশনারি নেতৃত্বই বাংলাদেশ এসডিজি অ্যাওয়ার্ড, সাউথ-সাউথ অ্যাওয়ার্ড, শিক্ষায় লিঙ্গসমতা আনার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কোর ‘শান্তি বৃক্ষ’ এবং গ্লোবাল উইমেন অ্যাওয়ার্ডসহ অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছে, যা আমাদের দেশের নারীদের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশে খেলাধুলায় নারীরা ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবল, ক্রিকেট ও অন্যান্য খেলায় তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়ে চলেছেন।

কালবেলা: বিদ্যমান বাস্তবতায় নারীর চলমান এই অগ্রযাত্রায় আপনার দৃষ্টিতে এখনো সীমাবদ্ধতা কোথায়?

ওয়াসিকা আয়শা খান: বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে নারীর অগ্রগতির খতিয়ান হিমালয়তুল্য। নারী এগিয়ে যাচ্ছে, যাবেও। তবে এই অগ্রযাত্রায় এখনো সেই প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করছে কিছু সামাজিক মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গি, যা নারী জাগরণে একটা বড় বাধা। বিশেষ সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ও দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতার কারণে এখনো নারীরা পরিবার, রাস্তাঘাট, গণপরিবহন, কর্মক্ষেত্র, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন সহিংসতা ও ইভটিজিং এবং অনলাইনে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়ে থাকে। কখনো কখনো দেখা যায় নৃশংস ও নিষ্ঠুর সহিংসতার নতুন নতুন উদাহরণ, যা নারীকে খুব শঙ্কিত করে রাখে। এসব জায়গায় আমাদের সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে দেশ ও দশের স্বার্থেই নারীদের আরও এগিয়ে নিতে সবাইকে মিলে কাজ করতে হবে।

কালবেলা: অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ে এই প্রথম একজন নারীকে দায়িত্ব দেওয়া হলো। এর কোনো তাৎপর্য আছে বলে কি আপনার মনে হয়?

ওয়াসিকা আয়শা খান: প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন অনেক আগেই। ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজনীতি, প্রশাসন, কূটনীতি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নারীরা অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বাঙালিদের শক্তিশালী জাতিতে পরিণত করে তুলছে। গ্রাম কিংবা শহর সব জায়গায় পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও নিজেদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শুধু জাতীয় পর্যায়েই নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। প্রধানমন্ত্রী আমাকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যে পবিত্র দায়িত্ব অর্পণ করেছেন, তা এরই ধারাবাহিকতা বলে আমি মনে করি। প্রসঙ্গত, আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রথম নারী অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক এবং সংরক্ষিত নারী আসন থেকে প্রথম সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এ ছাড়া, ১৯৯৭ সালে যোগদানকালে আমি আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংক, চট্টগ্রামে একমাত্র নারী কর্মকর্তা ছিলাম।

কালবেলা: গৃহস্থালিতে নারীর শ্রম জিডিপিতে গণনার বিষয়ে বেশ অনেকদিন ধরেই আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নিয়ে আপনার পরিকল্পনার কথা জানতে চাই।

ওয়াসিকা আয়শা খান: কোনো অর্থনৈতিক লেনদেন এবং ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আশা না করেই নারীরা গৃহস্থালি কাজ করে থাকেন। তাদের এই কাজটি উৎপাদনের জাতীয় হিসাব অথবা জাতীয় আয় পরিমাপের পদ্ধতির (এসএনএ) বাইরে থাকে। কিন্তু, জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ ব্যাপারে দিক-নির্দেশনা প্রদান করেছেন। অনেক আগে থেকেই গ্রামীণ নারীরা কৃষি খাতে অবদান রাখছেন। অধুনা সেই হার বেড়েছে। বাংলাদেশে মোট কর্মজীবী মানুষের মধ্যে প্রায় ৪৭ দশমিক ৬ শতাংশ লোক কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত। আবার তাদের মধ্যে ৬৪ দশমিক ৮ শতাংশই নারী। সংসারের কাজ করার পাশাপাশি আবাদ-পরবর্তী কাজ, গবাদি পশুর দেখাশোনা, দুধ আহরণ, ছাগলের চাষ, বাড়ির ভেতরের সবজি বাগান এবং বীজ সংরক্ষণের মতো জরুরি কাজগুলো নারীরাই করেন। আরও আছে জমি তৈরি, চারা রোপণ, সার দেওয়া, বীজ তৈরি, চাষাবাদ, শস্য জমি থেকে বাড়িতে নেওয়া, ফসল ভাঙানো, বাছাই ও প্যাকেটজাত করা ইত্যাদি। তাই, গৃহস্থালিতে নারীর শ্রম জিডিপিতে গণনার বিষয়ে যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণ করা যেতে পারে। এ বিষয়ে নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে অগ্রগতি আসবে।

কালবেলা: দুর্নীতিমুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়তে আপনি কাজ করবেন বলে এরই মধ্যে জানিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছেন কি?

ওয়াসিকা আয়শা খান: বর্তমানে বিশ্বব্যাপী অর্থনীতির দুনিয়ায় এক নীরব সংকট বিরাজমান। উন্নত দেশগুলোতেও মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্বসহ নানা অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজমান। যে কোনো সংকট থেকে মুক্তির ধারাবাহিক ধাপগুলো হলো সংকট চিহ্নিত করা, সংকটের প্রকৃত কারণ উদ্ধার এবং এরপর উত্তরণের পথ বের করা। এর থেকে উত্তরণের একটি পথ বাতলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষ কোনো দল বা গোষ্ঠী লক্ষ্যবস্তু নয়, বরং প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করে বাস্তবতা ও অর্থনীতির মৌলিক সূত্রের আলোকে এর সমাধান নিয়ে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য।

কালবেলা: নারীদের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি যুক্ত করতে আপনার নিজের কি পরিকল্পনা রয়েছে?

ওয়াসিকা আয়শা খান: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপান্তরকারী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার নারী উন্নয়নে বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে চলছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সবসময় বাংলাদেশের নারীদের অংশগ্রহণ ছিল। ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীদের ভোগান্তি কমিয়ে ব্যাংক ঋণের সহজলভ্যতা ও অন্য সব ক্ষেত্রে তাদের সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এজন্য জেন্ডার ইনক্লুসিভ ফিন্যান্সিয়াল সিস্টেম এবং জেন্ডার লেন্স ইনভেস্টমেন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। নারী-পুরুষ বৈষম্য নিরসন করে জেন্ডার লেন্স ইনভেস্টমেন্ট সুবিধা প্রান্তিক পর্যায়ে নারীদের কাছে পৌঁছে দিয়ে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নারীদের সম্পৃক্ততা বাড়ালে পুরো দেশ উপকৃত হবে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে শহরমুখী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য গ্রামীণ এলাকায় নারী উদ্যোক্তাদের সময়মতো ঋণ দিতে হবে। বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে তাদের বাজারমুখী করার চেষ্টা করতে হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১৮ মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা

নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণায় শঙ্কা দূর হয়েছে : যুবদল নেতা আমিন

আহত নুরের খোঁজ নিলেন খালেদা জিয়া

বাংলাদেশ পুনর্নির্মাণে ৩১ দফার বিকল্প নেই : লায়ন ফারুক 

চবির নারী শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, উত্তপ্ত ক্যাম্পাস

অবশেষে জয়ের দেখা পেল ম্যানইউ

আ.লীগের নেতাদের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

আসিফের ঝড়ো ইনিংসও পাকিস্তানের জয় থামাতে পারল না

খুলনায় জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলা, আহত ১৫

বাবা-মেয়ের আবেগঘন মুহূর্ত ভাইরাল, মুগ্ধ নেটিজেনরা

১০

ডাচদের বিপক্ষে জয়ে যে রেকর্ড গড়ল লিটনরা

১১

সাকিবের রেকর্ডে ভাগ বসালেন লিটন

১২

বিএনপিপন্থি ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নতুন কমিটি নিয়ে নানা অভিযোগ

১৩

জয়ের কৃতিত্ব কাদের দিলেন লিটন?

১৪

চায়ের দোকানে আ.লীগ নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

১৫

ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে যা বললেন তাসকিন

১৬

বগুড়ায় বিক্ষোভ মিছিল থেকে জাপা অফিসে ভাঙচুর

১৭

প্রতিটি জেলা থেকে ট্যালেন্ট হান্ট চালু করবে বিএনপি : আমিনুল হক 

১৮

ফুল হয়ে ফোটে খাদ্য-অর্থের অভাব মেটাচ্ছে শাপলা

১৯

এফইজেবি’র নতুন সভাপতি মোস্তফা কামাল, সম্পাদক হাসান হাফিজ

২০
X