কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০৩ পিএম
আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:০১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

যৌথভাবে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশের অকৃত্রিম বন্ধু হয়েছে ভারত : জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল

বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী দিবস উপলক্ষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ছবি : কালবেলা
বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী দিবস উপলক্ষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ছবি : কালবেলা

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে, শরণার্থীদের আশ্রয় ও যৌথভাবে মুক্তিযুদ্ধ করে ভারত বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল (জামুকা)।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলা হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক এবং সমাবেশ পরিচালনা করেন কমান্ড কাউন্সিলের মহাসচিব অধ্যাপক ড. ফজলে আলী।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ জলিল, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ ভাসানী, বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টির সভাপতি সৈয়দ মোকলেছুর রহমানসহ জাতীয় নেতারা।

অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠদের ক্ষমতা না দিয়ে পাকিস্তানি বর্বর বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে গণহত্যা চালায়। সেই মুহূর্তে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধের সূচনায় মুজিবনগরে বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধিদের সমর্থনে মহান নেতা বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী, জেনারেল এমএজি ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান করে বাংলাদেশের প্রথম সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। যুদ্ধকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণায় সাম্য, মানিবক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে নির্ধারিত ছিল এবং এর বাস্তবায়নের জন্য ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা তুলে ধরে অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধির নেতৃত্বে ভারত আমাদের সর্বাত্মকভাবে সাহায্য করে। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং ভারতের মিত্রবাহিনী বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে। বিশ্ববাসী আমাদের সমর্থন করে। এই যুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনী পরাজয় বরণ করে। ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। যুদ্ধে ৩০ লাখ লোক শহীদ হয়, ২ লাখ নারী সম্ভ্রম হারায়, ১৫ হাজার ভারতীয় মিত্রবাহিনী আত্মহুতি দেয়। বিগত দিনে ৬ ডিসেম্বর মৈত্রী দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে ভারত যে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশের জনগণ তা চিরদিন স্মরণে রাখবে। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী অটুট থাকবে।

বাংলাদেশ ভারতের বন্ধুত চিরস্থায়ী করার জন্য দুই দেশের মাঝে আলোচনায় সব সমস্যার সমাধান ও সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে এবং আগামী দিনগুলোতে শান্তি, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি পথে আমরা যৌথভাবে এগিয়ে যাব বলে যোগ করেন তিনি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণ নিশ্চিতে স্বাধীন গণমাধ্যম প্রয়োজন : দুলু

শ্রীলঙ্কার বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১২ জন নিহত

কত দিন পরপর ছুটি নেওয়া মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, জানাল গবেষণা

পেস বোলিং কোচের পর ফিল্ডিং কোচও হারাচ্ছে বাংলাদেশ

এসিল্যান্ডকে ‘উনি’ সম্বোধন করায় মন্ত্রীকে সম্মাননা দিতে পারলেন না বিএনপি নেতা

বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশের গর্ব, ফিফার অফিশিয়াল অ্যালবামে সঞ্জয়

শিক্ষা খাতের বাজেটে আসছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী

রাতের মধ্যে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে

লেবাননে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, সার্বিয়ান শান্তিরক্ষী নিহত

অবশেষে বিতর্কিত ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন বলিউড অভিনেত্রী

১০

বিশ্বকাপের আগেই পুরস্কার জিতলেন মেসি

১১

বিদ্যুতের আবাসিক গ্রাহকদের ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বর্ধিত দাম প্রত্যাহার

১২

কলাটি কত নম্বরের সুতা দিয়ে বাঁধা হয়েছে?

১৩

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব

১৪

ট্রাক-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

১৫

ঢাকায় ২ দিনব্যাপী সার্সোর ১১তম গভর্নিং বোর্ড সভা সম্পন্ন

১৬

মিথিলার সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মাহি

১৭

জামিনে মুক্তি পেয়েও ফের জেলগেটে আটক আওয়ামী লীগ নেতা

১৮

অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগেই গুরুকে হারালেন নাহিদ-মোস্তাফিজরা

১৯

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে অর্ধেক ভিজিটের ঘোষণা চিকিৎসকের

২০
X