ড. মো. দুলাল মিয়া
প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:৪৫ এএম
আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২৪, ০৮:০৮ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত

ভূরাজনৈতিক দিক থেকে এক অস্থির সময় পার করছে বিশ্ব। বিভিন্ন অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং সংঘাতের ফলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক শক্তির ভারসাম্যে পরিবর্তন, অর্থনৈতিক স্থবিরতা এবং সামরিক হুমকি প্রতিটি মহাদেশে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাব ফেলছে। ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে চলমান যুদ্ধ বিগত কয়েক দশকের মধ্যে ইউরোপ মহাদেশে সবচেয়ে বড় ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বের উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধের ফলে ইউক্রেন ব্যাপক অবকাঠামোগত ধ্বংস এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুতির সম্মুখীন হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্যানুসারে, ২০২২ সালে ইউক্রেনের জিডিপি কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ। যুদ্ধের প্রাথমিক ধাক্কায় অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি এবং উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ফলে এ পতন ঘটে। অন্যদিকে যুদ্ধ এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়ার অর্থনীতিও ছোট হয়েছে অনেকটা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালে রাশিয়ার অর্থনীতি প্রায় ২.২ শতাংশ সংকুচিত হয়।

তবে সবকিছু ছাপিয়ে রাজনৈতিক নেতা এবং বিশ্লেষকদের নজর এখন মধ্যপ্রাচ্যের দিকে। অক্টোবর প্রথম দিন ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলে আঘাত করে, যা মধ্যপ্রাচ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, এ হামলা ছাড়া ইরানের হাতে কোনো উপায় ছিল না, কারণ অল্প সময়ের ব্যবধানে হামাসের শীর্ষ নেতা ইসমাইল হানিয়া এবং হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ ইসরায়েলের গুপ্তহত্যা ও বিমান হামলায় প্রাণ হারান। তারও কয়েক মাস আগে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় মারা যান ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। এ ছাড়া ১৭ ও ১৮ সেপ্টেম্বর লেবাননজুড়ে হিজবুল্লাহর ব্যবহৃত হাজার হাজার পেজার এবং ওয়াকিটকিতে বিস্ফোরণ ঘটায় ইসরায়েল। এ কাজটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সরবরাহ চেইন আক্রমণ বলে অভিহিত করেছেন অনেক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। শীর্ষ নেতাদের হারিয়ে ইরানের পৃষ্ঠপোষকতায় বেড়ে ওঠা ফিলিস্তিনের হামাস এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর শক্তি ক্ষয়ে আসছিল ক্রমেই। এমতাবস্থায়, ক্ষুব্ধ ইরান ইসরায়েলে প্রায় ২০০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যার ফলে পশ্চিম তীরে অন্তত একজন নিহত হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে অবকাঠামোর। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছেন কঠিন প্রতিশোধের।

এ হামলা ও পাল্টা হামলা মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ভাঙনকে প্রায় এক কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে এবং ক্রমেই দুর্বল করে তুলেছে। দুই দশক ধরে ইসরায়েল-লেবানিজ সীমান্ত অপেক্ষাকৃত শান্ত ছিল। তবে চলমান সংকট এ অঞ্চলের এক নতুন বাস্তবতা প্রকাশ করেছে, যা গাজা ও লেবাননের সংঘাতের পর থেকে আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। এ অঞ্চলের রাষ্ট্রীয়-অরাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক নেতাদের আচরণ ও ঝুঁকির সম্যক ধারণা এবং তা থেকে উত্তরণের উপায় এখন অনেকটাই সেকেলে ও অকেজো। তদুপরি, ভূরাজনৈতিক সংঘর্ষে জড়িত বিবদমান দেশগুলোর পারস্পরিকভাবে গৃহীত নিয়মগুলো এখন স্পষ্টভাবে অনুপস্থিত অথবা লঙ্ঘিত। সেইসঙ্গে নির্ভরযোগ্য কোনো মাধ্যমও নেই, যা যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে শান্ত করতে পারে। এমতাবস্থায়, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন একটা বড় সংঘাতের আশঙ্কায় অনেকেই শঙ্কিত। এ আশঙ্কাই যদি শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্য তথা বিশ্ব অর্থনীতিকে তৈরি হতে হবে আরেকটা অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবিলার।

আইএমএফ এরই মধ্যে অনুমান করেছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত এ অঞ্চল এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে যদিও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ক্ষতি ইতিমধ্যে দৃশ্যমান। বিশেষ করে গাজায় বেসামরিক জনসংখ্যা ভয়াবহ আর্থসামাজিক পরিস্থিতির শিকার। অপর্যাপ্ত সাহায্য এবং সরবরাহের প্রতিবন্ধকতায় সেখানে একটি মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। আইএমএফের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে গাজার জিডিপি প্রায় ৮৬ শতাংশ এবং পশ্চিম তীরের জিডিপি প্রায় ২৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। চলমান সংকট আরও দীর্ঘস্থায়ী হলে, যার সম্ভাবনাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে বেশি, এ দুই অঞ্চলের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে।

অন্যদিকে লেবাননে সাম্প্রতিক সংঘাত দেশটির এরই মধ্যে নাজুক অর্থনৈতিক এবং সামাজিক পরিস্থিতি আরও নাজুক করে তুলেছে। লেবানন একটি অরক্ষিত দেশ, যা বিগত এক দশক ধরে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট, দুর্নীতি এবং সরকার ও সমাজের মধ্যে আস্থার ভাঙনের দ্বারা জর্জরিত। দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতি এখনো ২০০৮-০৯ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠতে পারেনি। কভিড-১৯ মহামারি সেই সংকট ঘনীভূত করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে পুঁজির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরা দেশটিতে বিনিয়োগের কোনো আগ্রহ দেখাচ্ছে না রাজনৈতিক উচ্চঝুঁকির কারণে। লেবাননের মাথাপিছু আয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। ২০১৮ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল প্রায় ৯ হাজার মার্কিন ডলার, যা কমে বর্তমানে ৩ হাজার ৩০০ মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০১৯ সালে সংকটের পর থেকে লেবাননের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো তো দূরে থাক, ঠিক বিপরীত দিকে চলেছে। দেশটির মোট দেশজ উৎপাদন ২০১৮ সালে ছিল ৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বর্তমানে ২২ বিলিয়নে নেমেছে।

ইসরায়েলের ক্ষেত্রেও রয়েছে অর্থনৈতিক ব্যাপক ঝুঁকি। সংঘাত শুরু হওয়ার পর ২০২৩ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে জিডিপি প্রায় ২০ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুমান করেছে যে, যুদ্ধ থেকে উদ্ভূত খরচ শেষ পর্যন্ত মোট ৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়াবে। ইসরায়েলের সরকার অনুমান করেছে যে, হিজবুল্লাহর সঙ্গে তীব্র লড়াইয়ের কারণে এ খরচ আরও বৃদ্ধি পাবে, যার ফলে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে অর্থনীতিতে। প্রতিরক্ষার জন্য ধার্যকৃত ব্যয় বহনের জন্য সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ কমানোর মতো ঝুঁকি নিতে হবে, যা অর্থনীতির সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধি হ্রাস করবে। সেইসঙ্গে সম্ভাব্য ট্যাক্স বৃদ্ধি এবং অপ্রতিরক্ষা ব্যয়ে কাটছাঁট করতে হবে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

নিরাপত্তার অভাব ও দুর্বল অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে এ ধরনের পদক্ষেপ উচ্চশিক্ষিত ইসরায়েলিদের দেশত্যাগকে উৎসাহিত করতে পারে, বিশেষ করে প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তাদের। যদি তাই হয়, তবে কিছুসংখ্যক উচ্চ করদাতার দেশত্যাগ যুদ্ধ-পরবর্তী ইসরায়েলি অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কঠিন বেগ পেতে হবে।

বিনিয়োগকারীদের আস্থা বজায় রাখার জন্য ইসরায়েলি সরকার ব্যবসা থেকে কর রাজস্বের ওপর নির্ভর করতে পারছে না, কারণ অনেক ব্যবসায় ধস নেমেছে এবং অনেকে যুদ্ধের অনিশ্চয়তায় বিনিয়োগ করতে অনিচ্ছুক। ইসরায়েলি একটি বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান অনুমান করেছে, এ বছর প্রায় ৬০ হাজার ইসরায়েলি কোম্পানি, যেগুলোর বেশিরভাগই ছোট আকারের, বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এই হার স্বাভাবিক বার্ষিক গড়ের তুলনায় অনেক বেশি। অন্যদিকে দুর্বল বাজার পরিস্থিতি ও সংঘর্ষের ফলে বাজেট ঘাটতি বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে সরকারি ঋণের বোঝা বেড়েছে। অনেকেই ধারণা করছে, ইসরায়েলের ‘কান্ট্রি ক্রেডিট রেটিং’য়ের অবনমন আসন্ন। যদি তাই হয়, বিনিয়োগকারীরা ইসরায়েলি বন্ড এবং অন্যান্য সম্পদ কেনার জন্য উচ্চ মুনাফা দাবি করবে, যা সরকারি ব্যয় আরও বাড়াবে।

যুদ্ধে বিবদমান পক্ষগুলো ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য উল্লেখযোগ্য ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি বহন করছে, যার মধ্যে কিছু উদ্বেগ তাৎক্ষণিক। যেমন ইসরায়েলে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে ৫ শতাংশেরও বেশি। তেলের দামের বৃদ্ধির এ ধারা চলতে থাকলে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে। এমনিতেই করোনা-পরবর্তী মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে দেশগুলো হিমশিম খাচ্ছে। উচ্চ ধনীদের ক্লাব, ওইসিডির মূল্যস্ফীতির হার প্রায় ৮ শতাংশে উঠেছিল। একই অবস্থা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। সুদের হার কমানোর মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরতে উন্নত দেশগুলো অনেকটাই সমর্থ হয়েছে বলা চলে, তবে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি এখনো বিশ্বজুড়ে বিদ্যমান।

ক্রমবর্ধমান তেলের দাম মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলায় অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করবে নিঃসন্দেহে। এমনকি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে সুদের হার কমানোর যে ধারা তাতে বিরতি দেওয়া বা আবারও সুদের হার বাড়ানোর মতো নীতি গ্রহণ করতে বাধ্য করতে পারে। তার আন্দাজ কিছুটা করা যায় সম্প্রতি মার্কিন ডলারের দামের উল্লম্ফনে। ইরান-ইসরায়েলের সংঘাতের পর সব মুদ্রার বিপরীতে মার্কিন ডলারের দাম বেড়েছে, যা নির্দেশ করে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর যে পরিকল্পনা রয়েছে, তাতে ছেদ পড়তে পারে নিকট ভবিষ্যতে। ইউরোপও তেলের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে প্রভাবিত হবে, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ইউরোপের কোনো অভ্যন্তরীণ তেল উত্তোলনের বড় উৎস নেই।

তদুপরি, লোহিত সাগরের মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিক রুটগুলোতে পণ্য চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে। বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে এমন চ্যানেলগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। তেল এবং খাদ্যশস্যসহ পণ্য পরিবহনে এটির ব্যবহার ব্যাপক। জাহাজগুলো লোহিত সাগর দিয়ে যাওয়ার সময় ইয়েমেনের হুতিদের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্য হতে পারে। এমতাবস্থায়, এ রুটে অস্থিরতা শিপিং কোম্পানিগুলোকে বিকল্প চ্যানেল ব্যবহারে বাধ্য করলে পণ্যের পরিবহন খরচ বেড়ে যাবে। তেলের উচ্চমূল্য ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণে মূল্যস্ফীতির উল্লম্ফন দেখা দিতে পারে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। অক্সফোর্ড ইকোনমিকস অনুমান করেছে, এ ধরনের পরিস্থিতি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৩০ ডলার পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারে। যদি এ অনুমান সঠিক হয়, আগামী বছরে বৈশ্বিক উৎপাদন বৃদ্ধি দশমিক চার শতাংশ কমে যেতে পারে।

করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক বিপর্যয় সামলাতে দেশগুলো যখন ব্যস্ত, ঠিক মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে আসে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। বিশ্বজুড়ে খাদ্যশস্যের মূল্যস্ফীতি এখনো প্রকট। উন্নতবিশ্ব এ অবস্থা থেকে উত্তরণের কিছুটা অবকাশ পেলেও অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো বের হতে পারেনি উচ্চ মূল্যস্ফীতির শৃঙ্খল থেকে। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত যদি সরাসরি যুদ্ধে রূপ নেয়, তবে বিশ্বকে তৈরি হতে হবে আরেকটা বিপর্যয় মোকাবিলায়। শুধু তাই নয়, এ যুদ্ধগুলো বিভিন্ন অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য পরিবর্তিত করবে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলবে। অঞ্চলীয় অর্থনীতি যেমন ফিলিস্তিন, লেবানন ও ইসরায়েলের অর্থনীতি দুর্বল থেকে ক্রমেই দুর্বলতর হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক কাঠামো ও সামাজিক বিপর্যয়ের মধ্যে যুদ্ধের এ চাপ দেশগুলোর পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে আরও কঠিন করে তুলছে। চলমান এ সংকট বিশ্ব অর্থনীতিকে আরও বড় অর্থনৈতিক মন্দার দিকে ঠেলে দেবে, যদি না তৃতীয় কোনো পক্ষ উত্তেজনা প্রশমনে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, ফাইন্যান্স বিভাগ

কলেজ অব ব্যাংকিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল স্টাডিজ

মাসকাট, ওমান

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের

পলিথিন-প্লাস্টিকের ব্যাগ পেলেই ব্যবস্থা, হুঁশিয়ারি পরিবেশ উপদেষ্টার

উপহার পাঠিয়ে খোঁজ নিলেন রুমিন ফারহানা, কী বললেন হাসনাত

সেলফির পেছনে মৃত্যু: শীর্ষে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র

চবিতে ফের সংঘর্ষ, উপ-উপাচার্যসহ আহত ২০

বিকেলে নয়, সন্ধ্যায় বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধান উপদেষ্টা 

নতুন আরও এক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নাম লেখালেন সাকিব

‘সাইয়ারা’র নায়কের আসল নাম কী?

স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে মাসুদ গ্রেপ্তার

আ.লীগ নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০

গাছ চুরির তথ্য সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার ২ সাংবাদিক

১১

চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে বৃদ্ধ নিহত

১২

বিক্ষোভে উত্তাল ইন্দোনেশিয়া, চীন সফর বাতিল প্রেসিডেন্টের

১৩

ইন্টারনেট চালু রেখেও হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ বন্ধ রাখুন

১৪

ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫

সিপিএলে ওয়াইড বলে তারকা ব্যাটারের অদ্ভুতুড়ে আউট (ভিডিও)

১৬

রিটকারীকে শুভেচ্ছা জানালেন শিবিরের জিএস প্রার্থী ফরহাদ

১৭

অঞ্জলিকে ‘অশ্লীল স্পর্শ’ বিতর্কে মুখ খুললেন পবন সিং

১৮

নবীন শিক্ষার্থী ও নির্যাতিত ছাত্রনেতাদের নিয়ে রাকসু নির্বাচনের দাবি

১৯

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পুরোনো ভূমিকায় ধোনিকে চায় ভারত

২০
X