নগর গবেষণা কেন্দ্র, ঢাকার বার্ষিক বক্তৃতা ও ৪৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা এবং ৭ম কার্যনির্বাহী পর্ষদ (২০২৩-২০২৭) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার (২৪ জুন) বিকেল ৫টায় ধানমন্ডির উইমেন্স ভলান্টারি অ্যাসোসিয়েশন সম্মেলন কক্ষে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নগর গবেষণা কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে সিইউএস বার্ষিক বক্তৃতা- ‘২০২৩ এর নগর দরিদ্র : বস্তিবাসী নারীর অবস্থান’ শীর্ষক বিষয়ে বক্তা ছিলেন প্রখ্যাত নৃ-বিজ্ঞানী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, নগর গবেষণা কেন্দ্রের ফেলো অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম, পিএইচ.ডি।
বার্ষিক সাধারণ সভায় নগর গবেষণা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের পাঁচজন খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও নগর বিশেষজ্ঞকে ‘সিইউএস ফেলো’ হিসেবে সম্মাননা জানানো হয়। তারা হলেন অধ্যাপক বুলবন ওসমান, পরিকল্পনাবিদ শওকত আলী খান, অধ্যাপক মেসবাহ-উস-সালেহীন, স্থপতি আবদুস সালাম এবং অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম।
সাধারণ সভা শেষে তিন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত নির্বাচন কমিশনার নগর গবেষণা কেন্দ্রের নবনির্বাচিত ৭ম কার্যনির্বাহী পর্ষদের (২০২৩-২০২৭) নাম ঘোষণা করেন।
নতুন পর্ষদে সভাপতি পদে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা প্রখ্যাত ভূগোলবিদ ও নগর বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম পুনঃনির্বাচিত হন। সহসভাপতি (দুজন) পদে নির্বাচিত হন—নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনাবিদ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক প্রফেসর ড. মো. গোলাম মরতুজা এবং ভূগোলবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক কাজী গুলশান নাহার মদীনা। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হন স্থপতি ও পরিকল্পনাবিদ স্থপতি সালমা এ. শফি। নির্বাহী সচিব পদে নির্বাচিত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ভূগোলবিদ ও নগর পরিকল্পনাবিদ নুরুল ইসলাম নাজেম। যুগ্ম সচিব হিসেবে নির্বাচিত হন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দা ইসরাত নাজিয়া। এ ছাড়া ১৩ জন নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
১৯৭২ সালের ১৩ মে প্রতিষ্ঠিত নগর গবেষণা কেন্দ্র এর বস্তুনিষ্ঠ কর্মকাণ্ডের জন্য ইতিমধ্যে দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে। বহু শাস্ত্রীয় বৈশিষ্ট্যসংশ্লিষ্ট সকলের ঐকান্তিক আগ্রহ ও প্রচেষ্টায় স্বাধীন, সেচ্ছাসেবী ও অলাভজনক গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে পরিকল্পিত নগরায়ণের ক্ষেত্রে অব্যাহতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন