

দৈনিক কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর চট্টগ্রাম বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী মোহাম্মদ সেলিমসহ চার কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) রেলওয়ের পার্সোনাল-১ শাখার উপপরিচালক জান্নাতুল ফেরদৌস জিসা স্বাক্ষরিত এক দপ্তর আদেশের মাধ্যমে এ বদলি করা হয়।
এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী মোহাম্মদ সেলিমকে উপপরিচালক (টেলিকম-২) পদে বদলি করা হয়েছে।
বদলি হওয়া বাকি তিনজনের মধ্যে উপপরিচালক (টেলিকম-২) শাকিলা জাহান শিল্পীকে বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী (টেলিকম) পদে, সিনিয়র সহকারী সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাককে উপপরিচালক (সংকেত) পদে এবং সিনিয়র সহকারী সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী মো. আশিকুর রহমানকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী (চ.দা.) এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বিভাগীয় সংকেত টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী ‘চট্টগ্রাম-দোহাজারী মিটারগেজ রেলপথকে ডুয়েলগেজ রেলপথে রূপান্তর’ প্রকল্পের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এর আগে গত রোববার কালবেলায় ‘সংকেত ও টেলিকমের কাজেই ৫০ কোটি টাকা নয়ছয়’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে মোহাম্মদ সেলিমের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি তুলে ধরা হয়।
এসব বিষয়ে দুদকের তদন্তও চলমান রয়েছে। তা ছাড়া নিম্নমানের মালপত্র সরবরাহকারী মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্স ও প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. জাবেদসহ আরও কাজ করছেন— এমন প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছে দুদক। সংকেত ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে এ প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ সময় ধরে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। সেই প্রতিষ্ঠানসহ অনেকেই আওয়ামী লীগ আমলে মন্ত্রী থেকে শুরু করে রেল কর্তাদের ম্যানেজ করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কাজ বাগিয়ে নিতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। নতুন করে ক্ষমতার দাপটসহ ভিন্ন সুরের গন্ধ দেখছে রেল প্রশাসন। এমন দৃশ্যে মন্তব্য ‘নিষ্প্রয়োজন’ বলছেন রেলের কর্তারা।
মন্তব্য করুন