মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৪:৩২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

রাঙ্গামাটিতে পানিবন্দি ১০ হাজার পরিবার

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানি বাড়ায় পানিবন্দি হাজারো পরিবার। ছবি : কালবেলা
রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানি বাড়ায় পানিবন্দি হাজারো পরিবার। ছবি : কালবেলা

রাঙ্গামাটিতে কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বেড়েছে কাপ্তাই হ্রদের পানি। এতে জেলার লংগদু, বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি, নানিয়চার ও সদর উপজেলার নিন্মাঞ্চল হ্রদের পানিতে ডুবে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার পরিবার।

এদিকে পানি বাড়ায় দুর্গত এলাকার মানুষ গবাদি পশু নিয়ে পড়েছে বিপাকে।

জানা গেছে, পানিবন্দি এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট। সংকট নিরসনে প্রশাসন পক্ষ থেকে খোলা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র। উপজেলা প্রশাসন থেকে দেওয়া হচ্ছে ত্রাণ সহায়তা।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন সূত্র থেকে জানা যায়, জেলায় ৪টি উপজেলায় ১০টি ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। তাদের জন্য ১৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত খাবার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এদিকে ৪ উপজেলার ১৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পানি ওঠায়, শ্রেণিকক্ষে পানি প্রবেশ করলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাজ্জাত হোসেন।

তবে উপজেলাগুলোতে স্থানীয় ভাবে খবর নিয়ে জানা যায়, বিদ্যালয়গুলোতে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা স্থগিত করা না হলেও সেখানে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার পরিবেশ না থাকা ও শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসার পথ পানিবন্দি হয়ে পড়ায় সেখানে কোনো শিক্ষাকার্যক্রম চলছে না। এ ছাড়া বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।

অন্যদিকে বন্যা নিয়ন্ত্রণে কাপ্তাই বাধের ১৬টি জলকপাট আড়াই ফুট খুলে দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে অপসারণ করা হচ্ছে ৪০ হাজার কিউসেক পানি। এ ছাড়াও বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে আরও প্রায় ২৫ হাজার কিউসেক পানি অপসরণ হচ্ছে। এতে প্রতি সেকেন্ডে মোট ৬৫ হাজার কিউসেক পানি অপসারণ হচ্ছে। বর্তমানে হ্রদে পানি রয়েছে ১০৮ দশমিক ৪৮ এমএসএল।

রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান জানান, জেলার সবচেয়ে বেশি পানবন্দি অবস্থায় রয়েছে বাঘাইছড়িতে। সব নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ত্রাণ সহায়তা এবং আশ্রয়কেন্দ্র খোলার জন্য। প্রতি সেকেন্ডে মোট ৪৩ হাজার কিউসেক পানি ছাড়া হলেও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার পানি বেশি ছাড়া হলে ভাটির অঞ্চলে বন্যা সৃষ্টি হতে পারে। সব কিছু বিবেচনা করে পানি ছাড়া অব্যাহত রয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আশুরা ও সরস্বতী পূজাসহ ধর্মীয় ছুটি বাতিল হয়নি : প্রেস উইং

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের কঠোর সতর্কতার বিষয়ে ডিআরইউ’র উদ্বেগ

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ধানের শীষে ভোট দিন : সেলিমুজ্জামান

নাশকতায় অর্থের জোগানদাতা যুবলীগ নেতা ‘ইন্টারনেট মিলন’ গ্রেপ্তার

স্বর্ণের দাম আরেক দফা বাড়ল

চোটের যন্ত্রণায় অবসরের কথাও ভেবেছিলেন নেইমার

শামা ওবায়েদের হাতে ফুল দিয়ে ৫ আ.লীগ নেতা বিএনপিতে

রাজশাহী কলেজ এইচএসসি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কোয়েল, সম্পাদক তাসু

চবি শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের অভিযোগ তুলে চবি ছাত্রদলের প্রতিবাদ

জেলায় জেলায় ‘ভোটের গাড়ি’ : সিগনেচার ব্যানারে হাদি হত্যার বিচার দাবি

১০

‘মাদুরোকে ধরতে ২৫ মিলিয়ন ডলার ঘোষণা ছিল বাইডেন প্রশাসনের’

১১

মোটরসাইকেল আরোহীকে পেছন থেকে গুলির ঘটনায় আটক ১

১২

জকসু নির্বাচন : প্রার্থীদের মানতে হবে যেসব নিয়ম

১৩

দেশ-বিদেশে ইন্টার্নশিপ অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন সিভাসুর ডিভিএম শিক্ষার্থীরা

১৪

ভাড়া বাসায় মিলল গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ

১৫

রাজশাহীর সব উন্নয়নই বেগম খালেদা জিয়ার আমলে হয়েছে : মিনু

১৬

১৪৩ আসনে ভালো ফলের সম্ভাবনা দেখছে ইসলামী আন্দোলন 

১৭

মেয়ার্সের ঝড়ো ফিফটিতে রংপুরের সহজ জয়

১৮

সেন্টমার্টিনে ১৬ পাচারকারী আটক

১৯

বাড়ির সামনে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা

২০
X