রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৪:৩২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

রাঙ্গামাটিতে পানিবন্দি ১০ হাজার পরিবার

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানি বাড়ায় পানিবন্দি হাজারো পরিবার। ছবি : কালবেলা
রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানি বাড়ায় পানিবন্দি হাজারো পরিবার। ছবি : কালবেলা

রাঙ্গামাটিতে কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বেড়েছে কাপ্তাই হ্রদের পানি। এতে জেলার লংগদু, বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি, নানিয়চার ও সদর উপজেলার নিন্মাঞ্চল হ্রদের পানিতে ডুবে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার পরিবার।

এদিকে পানি বাড়ায় দুর্গত এলাকার মানুষ গবাদি পশু নিয়ে পড়েছে বিপাকে।

জানা গেছে, পানিবন্দি এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট। সংকট নিরসনে প্রশাসন পক্ষ থেকে খোলা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র। উপজেলা প্রশাসন থেকে দেওয়া হচ্ছে ত্রাণ সহায়তা।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন সূত্র থেকে জানা যায়, জেলায় ৪টি উপজেলায় ১০টি ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। তাদের জন্য ১৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত খাবার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এদিকে ৪ উপজেলার ১৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পানি ওঠায়, শ্রেণিকক্ষে পানি প্রবেশ করলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাজ্জাত হোসেন।

তবে উপজেলাগুলোতে স্থানীয় ভাবে খবর নিয়ে জানা যায়, বিদ্যালয়গুলোতে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা স্থগিত করা না হলেও সেখানে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার পরিবেশ না থাকা ও শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসার পথ পানিবন্দি হয়ে পড়ায় সেখানে কোনো শিক্ষাকার্যক্রম চলছে না। এ ছাড়া বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।

অন্যদিকে বন্যা নিয়ন্ত্রণে কাপ্তাই বাধের ১৬টি জলকপাট আড়াই ফুট খুলে দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে অপসারণ করা হচ্ছে ৪০ হাজার কিউসেক পানি। এ ছাড়াও বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে আরও প্রায় ২৫ হাজার কিউসেক পানি অপসরণ হচ্ছে। এতে প্রতি সেকেন্ডে মোট ৬৫ হাজার কিউসেক পানি অপসারণ হচ্ছে। বর্তমানে হ্রদে পানি রয়েছে ১০৮ দশমিক ৪৮ এমএসএল।

রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান জানান, জেলার সবচেয়ে বেশি পানবন্দি অবস্থায় রয়েছে বাঘাইছড়িতে। সব নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ত্রাণ সহায়তা এবং আশ্রয়কেন্দ্র খোলার জন্য। প্রতি সেকেন্ডে মোট ৪৩ হাজার কিউসেক পানি ছাড়া হলেও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার পানি বেশি ছাড়া হলে ভাটির অঞ্চলে বন্যা সৃষ্টি হতে পারে। সব কিছু বিবেচনা করে পানি ছাড়া অব্যাহত রয়েছে।

কালবেলা
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সিরিয়া সীমান্তের কাছে ড্রোন ভূপাতিত করল ইসরায়েল

রাস্তার বেহাল দশা, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

মোস্ট সাসটেইনেবল এফএমসিজিসহ ১১ পুরস্কার জিতল প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ 

বিদ্যুৎ ও পানি স্থাপনায় হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করল কুয়েত

ঘৃণিত খেলোয়াড়দের তালিকায় উঠল নাম  / ফাইনাল শেষে প্রতিপক্ষকে মেরে ‘লাল কার্ড’ দেখলেন মেসির সতীর্থ

২০ জুলাই / আন্তর্জাতিক চন্দ্র দিবস আজ 

সোমবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

সাড়ে পাঁচ মাত্রার ভূমিকম্পে পেরুতে নিহত ৬

হত্যা মামলার আসামি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক বহিষ্কার

এই কান্নাই কি আকাশি-নীল জার্সিতে মেসির শেষ দৃশ্য?

১০

সন্ধ্যায় শরিক ও জোটের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়

১১

ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

১২

মার্কিন হামলার পর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পর্যালোচনা করছে আইএইএ

১৩

জুলাইয়ের ‘অভিশাপ’ পিছু ছাড়ল না মেসিদের! চতুর্থবার ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ আর্জেন্টিনার

১৪

২০ জুলাই / ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল

১৫

ইরানি ড্রোনের বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে মার্কিন সেনা নিহত

১৬

বিরতিতে মঞ্চ মাতালেন জাস্টিন বিবার, শাকিরা ও বিটিএস সদস্যরা

১৭

ঢাকাসহ ১৩ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

১৮

আর্জেন্টিনাই ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন

১৯

২০ জুলাই / আজকের নামাজের সময়সূচি

২০
X