

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় পুকুরে মিলল আধাকেজি ওজনের একটি রুপালি ইলিশ। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের উপরের বাজারের আগমনী কিল্লার পুকুরে জালের সঙ্গে মাছটি উঠে আসে।
জানা যায়, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ‘আগমনী কিল্লা’ গুচ্ছ গ্রামের পুকুরটি ৪০টি পরিবার ব্যবহার করে। পুকুরটি লিজ নিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মান্নান। বিশাল পুকুরে জাল ফেললে এ সময় অন্যান্য মাছের সঙ্গে প্রায় আধাকেজি ওজনের একটি রুপালি ইলিশ ধরা পড়ে। এর আগেও এ পুকুরে ইলিশ মাছ পাওয়া গিয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা মইনুল হাসান বলেন, ২০২২ সালে প্রথম ধাপে ৩৫টি ইলিশ মাছ পাওয়া গেছে। পরে আবারও পাওয়া যায়। ২০২৪ সালে প্রথম ধাপে ১০ কেজি ইলিশ পাওয়া যায়। আজ যদিও একটি ইলিশ পাওয়া গেছে তবে সেচ দিলে এখানে অনেক ইলিশ পাওয়া যাবে।
পুকুরের মালিক আবদুল মান্নান বলেন, প্রায় ৪০ পরিবার ‘আগমনী কিল্লা’ গুচ্ছ গ্রামের পুকুরটি ব্যবহার করে। আজ পুরো পুকুরে জেলেদের দিয়ে জাল ফেলা হয়েছে। সে জালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে আধাকেজি ওজনের ইলিশ ধরা পড়েছে। প্রতিবছর জাল অথব সেচ দিলে এখানে ইলিশ পাওয়া যায়।
হাতিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন, প্রতি বছর ঘূর্ণিঝড় অথবা জলোচ্ছ্বাস আসলে নিঝুমদ্বীপের প্রায় সবগুলো পুকুর তলিয়ে যায়। এর মধ্যে আগমনী কিল্লা পুকরটিও ছিল। সেখানে আবদুল মান্নান ইলিশ পেয়ে আসছেন। মূলত জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় তখন ইলিশ পুকুরে এসেছে। পানি বের হতে না পারায় মাছগুলো নিজেদের খাপ খাইয়ে নিয়েছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, পুকুরে ইলিশ হয় বিষয়টি এমন নয়। মূলত জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় তখন ইলিশ পুকুরে এসেছে। নিঝুমদ্বীপ নিম্নাঞ্চল তাই জোয়ারে প্লাবিত হয়। পুকুরটি যখন প্লাবিত হয়েছে, তখন ইলিশ প্রবেশ করেছে। এ ছাড়া আলাদা কিছু এখানে নেই।
মন্তব্য করুন