

সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর দুই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির পক্ষ থেকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পৃথক দুটি নোটিশ জারি করা হয়। নোটিশপ্রাপ্তরা হলেন বিএনপি প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যাপক ইজ্জত উল্লাহ।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির সদস্য ও সাতক্ষীরার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (আদালত-২) নয়ন বিশ্বাস কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পান।
অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিএনপি প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম হাবিবের নির্বাচনী ফেস্টুন ও ব্যানার কলারোয়ার ব্রজবাকসা হাফিজিয়া মাদ্রাসা, শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রি কলেজ মোড়, ট্রাক টার্মিনাল ও উপজেলা মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি ও যানবাহনের গায়ে সাঁটানো অবস্থায় পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক ইজ্জত উল্লাহর বিরুদ্ধে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলারোয়ার তুলশীডাঙ্গা, হেলাতলা, গোপীনাথপুর ও মুরারিকাটি মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় তার নির্বাচনী ফেস্টুন গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে সাঁটানো দেখা গেছে।
নোটিশে বলা হয়, এ ধরনের যত্রতত্র পোস্টার ও ফেস্টুন সাঁটানো ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা, ২০২৫’-এর ৭(গ) বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একই সঙ্গে এটি দ্য রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার (আরপিও), ১৯৭২-এর ৯১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে কেন তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না, তা আগামী ২৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে সশরীরে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে সাতক্ষীরার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে প্রার্থীদের অনুপস্থিতিতেই আইনানুগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন