দিনাজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৪, ০৯:৫৭ এএম
আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৪, ১০:০৫ এএম
অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরে বইছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ, রোটা ভাইরাসের শঙ্কা

দিনাজপুরে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ আর ঘন কুয়াশায় দিনের বেলায় এভাবেই হেড লাইট জ্বালিয়ে সড়কে চলাচল করছে যানবাহন। ছবি : কালবেলা
দিনাজপুরে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ আর ঘন কুয়াশায় দিনের বেলায় এভাবেই হেড লাইট জ্বালিয়ে সড়কে চলাচল করছে যানবাহন। ছবি : কালবেলা

‘হামাক কেহ কম্বল দেয় না বাঁ, তোমরা কি দিবা আইছেন’। দিনাজপুর রেলস্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ছিন্নমূল মানুষ গরম কাপড়ের অভাবে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে দৌড়ে এসে এমনটিই জানান মরিয়ম বেওয়া।

টানা শৈতপ্রবাহ চলছে দিনাজপুরে। মৃদু থেকে মাঝারি, এরপর তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে উত্তরের জেলা দিনাজপুর। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর পরে তা আরও কমে নিচে নেমে আসে ৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল এ জেলার দিনের তাপমাত্রা ছিল ৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে জীবন-জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়ে কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করেই কাজে বের হচ্ছেন শ্রমজীবী মানুষ। কথা হয় নিম্ন নগর বালুবাড়ি এলাকার কৃষক কলিম উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, এমন ঘন কুয়াশায় জীবনে প্রথম দেখলাম। ঠান্ডায় কাজ করা খুবই কষ্ট। ঠান্ডার কারণে আয় অনেক কমে গেছে। এতে সংসার চালাতে অনেকটা হিমশিম খেতে হচ্ছে।

দিনাজপুরের সিভিল সার্জন এএইচএম বোরহানুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, দিনাজপুর জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ চলছে। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। শীতের সময় রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়ার সংক্রমণ হয়। শিশুদের ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে। এর পাশাপাশি তিনি কাঁচা খেজুরের রস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এ ছাড়াও বয়স্ক ও শিশুদের শীতজনিত শ্বাসকষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সাবধানে থাকতে বলেন তিনি।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান কালবেলাকে জানান, জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বইছে। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সকাল ৯টায় তাপমাত্রা ৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ৯৭ %।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্বকাপ ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন সাকলায়েন মুশতাক

‎ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার : সালাহউদ্দিন আহমদ

পিছু হটলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, সরিয়ে নিচ্ছেন গ্রেগরি বোভিনোকে

অতিরিক্ত সচিব হলেন ১১৮ কর্মকর্তা

এটা যেনতেন নির্বাচন নয়, দেশের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনার নির্বাচন : ইসি সানাউল্লাহ

ঢাকা-৭ আসনকে আধুনিক হিসেবে গড়ে তোলা হবে : হামিদ

পরিবারে কোলেস্টেরলের ইতিহাস আছে? তাহলে কী খাবেন, কী খাবেন না

হত্যা মামলায় ১০ জনের যাবজ্জীবন

গালফ ফুড ফেয়ারে তৃতীয়বারের মতো অংশগ্রহণ করছে আকিজ এসেনসিয়ালস লিমিটেড

চাকরির আশায় রাশিয়া গিয়ে যেভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশিরা 

১০

কেবল নেতার পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রত্যাশিত পরিবর্তন সম্ভব না : চরমোনাই পীর

১১

জামায়াতের ছলচাতুরি জনগণ বুঝে ফেলেছে : আমিনুল হক

১২

ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঐতিহাসিক চুক্তি সই

১৩

জাল সনদে বিসিএসে চাকরি, মামলা করবে দুদক

১৪

দেশে ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সঙ্গে চুক্তি

১৫

বিএনপিতে যোগ দিলেন চাকমা সম্প্রদায়ের সহস্রাধিক মানুষ

১৬

বার্সার ‘ভবিষ্যৎ’ কেড়ে নিল পিএসজি!

১৭

বাড়ির মালিক যখন ভাড়াটে হয়ে যায়

১৮

আ.লীগের শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

১৯

নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে : আইজিপি

২০
X