বগুড়া ব্যুরো ও শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৬:১৯ পিএম
আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৬:২৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি : রিজভী

বগুড়ার শেরপুরে নিহত বিএনপি নেতা আব্দুল মতিনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রিজভীর সাক্ষাৎ। ছবি : কালবেলা
বগুড়ার শেরপুরে নিহত বিএনপি নেতা আব্দুল মতিনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রিজভীর সাক্ষাৎ। ছবি : কালবেলা

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এই কারণে উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি। এটিই আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত।

সোমবার (৪ মার্চ) বেলা ১১টায় বগুড়ার শেরপুরে পুলিশের গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকা দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত বিএনপি নেতা আব্দুল মতিনের পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী আরও বলেন, দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে যারা নির্বাচনে অংশ নেবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতীতের মতোই ওইসব নেতাদের দল থেকে বহিস্কার করা হবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের মান্দাইল গ্রামের বাড়িতে যান রুহুল কবির রিজভী। সেইসঙ্গে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে সমবেদনা জানান এবং নিহতের স্ত্রী লাইলী বেগমের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন তিনি।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় অর্থবিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম বাদশা, জেলা বিএনপির নেতা শহিদুর রহমান শহিদ, শেরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু, বিশালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আহম্মেদ, স্থানীয় বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান, জহুরুল ইসলাম, আব্দুল মজিদসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এ ছাড়া নিহতের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছেলে মিলন রহমান, মেয়ে মৌসুমী আক্তার, জামাই নাজিমুদ্দিন নাজু উপস্থিত ছিলেন।

পরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিএনপি নেতা রুহুল কবির নিহত আব্দুল মতিনের কবরে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন।

গত বছরের ১৪ নভেম্বর শেরপুরে পুলিশ-আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। পর দিন ১৫ নভেম্বর বিশালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ও একই ইউনিয়নের মান্দাইল গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মতিনসহ স্থানীয় উপজেলা বিএনপির ৬৭ জনের নামে বিস্ফোরণ ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে গ্রেপ্তারের ভয়ে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে থাকতেন তিনি। এরই একপর্যায়ে ২২ নভেম্বর রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে পিটিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। পর দিন ২৩ নভেম্বর ভোরে বাড়ির পাশের ফসলি মাঠ থেকে গুরুতর অবস্থায় তাকে (বিএনপি নেতা আবদুল মতিন) উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঢাকার ‘নীল জোছনা’য় পাওলি দাম

অ্যানড্রয়েড ফোনে ই-সিম বদলানো যাবে সহজে

চিতাবাঘের আক্রমণ থেকে তারকা ক্রিকেটারকে বাঁচাল কুকুর

বৃষ্টি কবে থেকে, জানাল আবহাওয়া অফিস

আগুনে পুড়ছে শাল-গজারির বন

বিএনপি যেকোনো উপায়ে ক্ষমতায় আসতে মরিয়া: কাদের

সমর্থকদের সমালোচনায় হাসি পায় সাকিবের

ঢাকার কোথায় তাপমাত্রা কম ও তীব্র

হোয়াইট বোর্ডকে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার

বৃষ্টির প্রার্থনায় অঝোরে কাঁদলেন রাঙামাটির মুসল্লিরা 

১০

বৈদ্যুতিক খুঁটিতে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, কৃষকলীগ নেতা নিহত

১১

৬০ হাজার টাকা বেতনে ওয়ার্ল্ড ভিশনে চাকরি

১২

আ.লীগ লুটপাট করে দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর করেছে : রিজভী

১৩

কুড়িগ্রামে বৃষ্টির জন্য কাঁদলেন মুসল্লিরা

১৪

ইন্টারনেট ছাড়াই ছবি-ফাইল পাঠানো যাবে হোয়াটসঅ্যাপে

১৫

নেট দুনিয়ায় ভাইরাল বিমানবালাকে পাইলটের বিয়ের প্রস্তাব

১৬

‘হিট অ্যালাট’ এর মেয়াদ বাড়ল

১৭

গাজায় জিম্মি ইসরায়েলির ভিডিও প্রকাশ

১৮

আ.লীগ নেতা টিপু হত্যা / অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ ২৯ এপ্রিল

১৯

‘টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশেই থাকবে’

২০
*/ ?>
X