গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:১৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জে দুই দলের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১০

গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে ভাঙচুরকৃত বাড়িঘর। ছবি : কালবেলা
গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে ভাঙচুরকৃত বাড়িঘর। ছবি : কালবেলা

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মোল্লা ও সিকদার বংশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় নারীসহ ১০ জন আহত হয়েছে। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুরসহ গবাদিপশু লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রোববার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে এ সংঘর্ষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ ফুকরা গ্রামের হারুন মোল্লা ও সাইফুল সিকদার বংশের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে। ভোরে সাইফুল সিকদারের লোক হাফিজুল মোল্লা গাভীর দুধ দোয়ানোর জন্য বের হলে পথিমধ্যে হারুন মোল্লার দলীয় লোকরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে আহত করে।

স্থানীয়রা আহত হাফিজুলকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষে নারীসহ ১০ জন আহত হয়।

গুরুতর আহত দাউদ মোল্লার স্ত্রী নার্গিস বেগম ও তপু মোল্লার স্ত্রী লাইলী বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় উভয় পক্ষের দাউদ মোল্লা, জাকির মোল্লা, ফরিদ মোল্লা, রোমান মোল্লা, সজল শেখ, তপু মোল্লা, সেলিম মোল্লা, নয়ন শেখ, নূর মোহাম্মদ, নাজির মোল্লা, নবীর মোল্লা, নিজাম মোল্লা, শের আলী মোল্লা, সিরাজুল শেখ ও জাকির মোল্লার বাড়িঘর ভাঙচুর হয়েছে।

ফরিদ মোল্লার ২টা গাভি, জাকির মোল্লার ১টা গাভি, আলিম মোল্লার ১টা গাভি, দাউদ মোল্লার ১টা, এনায়েত মোল্লার ১টা ও শরীফ শেখের ১টি গরু লুট হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

কাশিয়ানী থানার ওসি জানান, এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ বিষয়ে কোনো পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে পরিস্থিত স্বাভাবিক রাখতে উভয় পক্ষের ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

কালবেলা/এনএএস/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সময় বেঁধে সিএনজি স্টেশন মালিকদের কর্মসূচি প্রত্যাহার

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারির হঠাৎ অবসর

মন্তব্যকারীদের অফিসে এসে কথা বলার আহ্বান ওমর সানীর

দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন: মির্জা ফখরুল

চট্টগ্রামে চীনা বিনিয়োগের নতুন অধ্যায়

১২ দলীয় জোটে তীব্র অসন্তোষ: ২ দলকে বহিষ্কারের নীতিগত সিদ্ধান্ত

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে নতুন সংশোধনী বিল লোকসভায়, বিরোধীদের হট্টগোল

পেস্টের রাসায়নিক এড়াতে চান? দাঁতের সুরক্ষায় ফিরুন মিসওয়াকে

হাম উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু

১০

পিরলো কি কোচ হচ্ছেন ইতালির? স্পষ্ট করলেন নিজেই

১১

ঢাকায় ‘অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন এক্সপো’র তারিখ ঘোষণা 

১২

তথ্যের প্রবাহ থেকে অপতথ্য ফিল্টারিং করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী

১৩

হাতিয়ায় প্রথমবার অ্যান্টি স্নেক ভেনম প্রয়োগে বাঁচল শিশুর প্রাণ

১৪

যুবদল নেতা হত্যায় ২৫ লাখ টাকায় খুনি ভাড়া করেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা 

১৫

দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ভালো অবস্থানে থাকবে ইরান: মার্কিন বিশ্লেষক

১৬

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু

১৭

নকল সরবরাহের দায়ে শিক্ষকের কারাদণ্ড, ৫ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

১৮

আগামী সপ্তাহ থেকে গ্যাসের সংকট কমবে, জানালেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

১৯

ফাইনালের ৭ দিন পর নীরবতা ভেঙে আবেগমাখা চিঠিতে যা লিখলেন স্কালোনি

২০
X