কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৫, ০৫:২৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মুনিয়া হত্যাকাণ্ডে তৌহিদ আফ্রিদির সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখবে সিআইডি : রাষ্ট্রপক্ষ

আদালত প্রাঙ্গণে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। ছবি : সংগৃহীত
আদালত প্রাঙ্গণে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। ছবি : সংগৃহীত

মোসারাত জাহান মুনিয়ার মৃত্যুর সঙ্গে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদির সম্পৃক্ততা আছে কিনা, তা সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা (যাত্রাবাড়ী থানার হত্যা মামলার) খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর কাইয়ুম হোসেন নয়ন।

শনিবার (৩০ আগস্ট) জুলাই আন্দোলনে হত্যা মামলায় জামিন শুনানির পর তিনি এ কথা বলেন।

আইনজীবী কাইয়ুম হোসেন নয়ন বলেন, আমরা শুনতে পেরেছি এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখতে পেরেছি, তৌহিদ আফ্রিদির সঙ্গে মুনিয়ার যে কাণ্ড, মুনিয়ার হত্যাকাণ্ড এবং তার সঙ্গে যে কথোপকথনের অভিযোগ এসেছে, সেই বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, অর্থাৎ আইওকে অবারিত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই মামলার তদন্তকালে আইও দেখভাল করবে, অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে বা মামলার সঙ্গে তারা জড়িত আছে কিনা।

তিনি বলেন, এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তার ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি খতিয়ে দেখেন, তৌহিদ আফ্রিদির সঙ্গে মুনিয়া হত্যাকাণ্ডের কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা, এবং তার সঙ্গে কোনো কথোপকথন ছিল কিনা। এ ছাড়া অন্য কোনো নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ যা সামনে আসছে, সেগুলোও তদন্তকারী কর্মকর্তা পরীক্ষা করে দেখবেন।

এর আগে এদিন দুপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলায় বিতর্কিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) ‍বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিন তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক খান মো. এরফান। আসামিপক্ষে আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২৪ আগস্ট রাতে তৌহিদ আফ্রিদিকে সিআইডির একটি দল বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফরাজানা হক।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানাধীন পাকা রাস্তার ওপর আন্দোলনে অংশ নেন মো. আসাদুল হক বাবু। ঘটনার দিন দুপুর আড়াইটায় আসামিদের ছোড়া গুলি আসাদুলের বুকে ও ডান পাশে লাগে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় গত বছরের ৩০ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের বাবা জয়নাল আবেদীন। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় নাসির উদ্দিন ২২ নম্বর ও তার ছেলে তৌহিদ আফ্রিদি ১১ নাম্বার এজাহারনামীয় আসামি।

এর আগে ১৭ আগস্ট রাজধানীর গুলশান থেকে আফ্রিদির বাবা নাসিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন এ মামলায় তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমালোচনার শিকার পাকিস্তানি অভিনেত্রী

ডাকসু নির্বাচনে ফরহাদের জিএস প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

১২ বলে ১১ ছক্কা হাঁকালো, শেষ ওভারে এলো ৪০ রান

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত

ব্যাংকে গরুর মাংস খাওয়া নিষেধ, প্রতিবাদে কর্মীদের ‘পার্টি’

ব্যাংকিং টিপস / ঋণ নেওয়ার আগে যেসব চিন্তাভাবনা জরুরি

বাংলা সিনেমায় মুগ্ধ অনুপম খের

ফের ছোট পর্দায় ফিরছেন মধুমিতা

প্রকৃতির আশীর্বাদপুষ্ট ঔষধি নিম

বিসিবির নির্বাচন জিতলে কী কী পদক্ষেপ নেবেন, জানালেন তামিম

১০

৫০০ সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন

১১

ধূমপানের ক্রেভিং কমাতে সাহায্য করে যে ফল

১২

‘ফ্যাসিস্টদের দৃশ্যমান বিচার ছাড়া নির্বাচন উৎসবমুখর হবে না’

১৩

স্থানীয়দের সঙ্গে চবি শিক্ষার্থীদের রাতভর সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

১৪

টানা তিন জয়ে লা লিগার শীর্ষে রিয়াল

১৫

মোদি এখন কোথায়?

১৬

আজ থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ, ভরি কত?

১৭

স্যামসাং টিভি ও মনিটরে আসছে মাইক্রোসফটের 'কোপাইলট' চ্যাটবট

১৮

সৌন্দর্যে ভরে উঠছে ত্রিশালের চেচুয়া বিল

১৯

আজ মুখোমুখি অবস্থানে যেতে পারেন বিএসসি প্রকৌশলী ও ডিপ্লোমাধারীরা

২০
X