ডিটক্সিফিকেশন স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের একটি অপরিহার্য অংশ। বিষাক্ত পদার্থকে শরীর থেকে বের করার জন্য ডিটক্সিফিকেশন ভীষণ জরুরি। শরীরে এই ডিটক্সিফিকেশন হয় আমাদের ত্বকের, অন্ত্রের, ফুসফুসের, কিডনির এবং লিভারের। দেখে নিন শরীরকে ডিটক্স করার কিছু প্রাকৃতিক সহজ উপায়।
ডিটক্সিংয়ের উপসর্গ
ত্বকের সমস্যা, ব্রণ, ফুসকুড়ি, অন্ত্রের অনিয়মিত চলাচল, ফুলে যাওয়া অনুভূতি, স্ফীত চোখ, অনিয়মিত মাসিক, ক্লান্তি, স্ট্রেস, বিষণ্ণ মেজাজ, ঘুমাতে অসুবিধা, বারবার মাথাব্যথা, ওজন বৃদ্ধি ইত্যাদি।
ডিটক্সের উপকারিতার মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী অনাক্রম্যতা, স্বাস্থ্যকর এবং উজ্জ্বল ত্বক, মানসিক স্থিতিশীলতা, ভারসাম্যপূর্ণ আবেগ, আত্মবিশ্বাস এবং ইতিবাচকতার উন্নতি, দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ, ওজন কমানো
শরীরকে ডিটক্স করার কিছু সহজ উপায়
* চিনির পরিমাণ কমিয়ে দিন।
* বেশি পানি পান করুন।
* অ্যালকোহলো সেবন সীমিত করুন।
* স্বাস্থ্যকর খাবার খান।
* গ্রিন-টি এবং ডিটক্স জাতীয় পানীয় পান করুন।
* প্রতিদিনের ব্যায়াম, যোগ এবং ধ্যান করুন।
* আপনার ত্বক এক্সফোলিয়েট করুন।
* পর্যাপ্ত ঘুমান।
আপনার শরীরকে ডিটক্সিফাই করার জন্য খাবার এবং পানীয়
* আমাদের হজম ব্যবস্থায় ব্রোকলির ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রোপার্টি দ্বারা পরিপূর্ণ যা এনজাইমগুলোকে ডিটক্স করতে সাহায্য করে।
* শসা এবং পুদিনা ফুলে যাওয়া অনুভূতি কমাতে সাহায্য করে।
* প্রতিদিন লেবুর রস খাওয়া পিএইচয়ের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। তাদের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি জমা আছে এবং এটি ডিটক্সিফিকেশনের জন্য খুবই সহায়ক।
* আপেলে রয়েছে উচ্চ ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা অন্ত্রনালি পরিষ্কার করে, সমস্ত অবাঞ্ছিত টক্সিন এবং অপরিপকিত খাবার বের করে দেয়।
* গাজর হলো সবচেয়ে কার্যকর ডিটক্স উপাদান যার একটি উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্তর রয়েছে। এটি খনিজ এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধ যা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সাধারণ হজমের সমস্যাগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে।
* বিটরুট- বিটরুট ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। এটি লিভার এবং রক্ত ডিটক্স করতে সাহায্য করে।
মন্তব্য করুন