কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৪, ১১:০৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

যাত্রাবাড়ী থানায় মৃত্যুর ৭০ দিন পর আনসার সদস্যের পরিচয় শনাক্ত 

মো. নুরুন্নবী। ছবি : সংগৃহীত
মো. নুরুন্নবী। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে হামলায় নিহত আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য মো. নুরুন্নবী (৪৭) মরদেহ শনাক্ত হয়েছে। গত ৬ আগস্ট থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অজ্ঞাত পরিচয় হিসেবে তার মরদেহ পড়েছিল।

ডিএনএ টেস্টে পরিচয় শনাক্তের পর সোমবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে নুরুন্নবীর স্ত্রী ফাতেমাতুজ জোহরা ও ছেলে তাজনুর সিফাতের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

নিহত নুরুন্নবীর ছেলে তাজনুর সিফাত বলেন, সখীপুর আনসার একাডেমি থেকে আমার বাবাকে যাত্রাবাড়ী থানায় পোস্টিং দেওয়া হয়। গত ৫ আগস্ট আমার বাবা আমাকে ফোন করে বলেন, ‘আমাদের থানার দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, আমাকে মাফ করে দিও বাবা’। এরপর থেকে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি বলেন, এরপর আর বাবাকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। একসময় জানতে পারি যাত্রাবাড়ী থেকে দগ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে অজ্ঞাত অনেক লাশ এসেছে। আমরা লাশ চিনতে না পেরে ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা দেই। আজ আমাদের জানানো হয় মরদেহের সঙ্গে ডিএনএ মিলে গেছে।

তাজনুর সিফাত বলেন, আমার বাবার কী দোষ করেছিল যে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো? আমার বাবা তো সামান্য একজন ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্য ছিলেন।

নিহত নুরুন্নবীর স্ত্রী ফাতেমাতুজ জোহরা বলেন, ৫ আগস্ট থেকে আমার স্বামীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি। আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি। তিনি বেঁচে আছেন কি না জানতে পারছিলাম না। গত ১৭ সেপ্টেম্বর ডিএনএ নমুনা দেওয়া হয়। আজ থানা থেকে আমাদের খবর দেওয়া হলে স্বামীর মরদেহ শনাক্ত করি।

যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোরশেদ আলম বলেন, ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে অনেকেই মারা যান। সেখান থেকে মরদেহ ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। অনেকেরই পরিবার মরদেহ শনাক্ত করতে পারেনি। এরপর আমরা ডিএনএ স্যাম্পল সংগ্রহ করে ফরেনসিক ল্যাবে পাঠাই। নুরুন্নবীর সঙ্গে তার পরিবারের ডিএনএ মিলে গেছে। সোমবার তার পরিবারকে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

নুরুন্নবীর বাড়ি নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার অস্বদিয়া গ্রামে। তার বাবার না আব্দুর রব। তার তিন ছেলে-মেয়ে রয়েছে। গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রীমঙ্গলের পথে যাত্রা

হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার 

প্রায় ৭৫ বছর পর ইংল্যান্ডের এমন টেস্ট একাদশ

শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কাছে হার মানেননি কামাল

সিলেটে জাল দলিল চক্রের দুই সদস্যকে কারাদণ্ড

আলজেরিয়ার গোলরক্ষকের মুখে মাস্ক, নেপথ্যে কী?

বাকি থাকা রেকর্ডটা ছুঁয়ে প্রমাণ করলেন তিনি কেন মেসি

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের বোঝাপড়াকে সমর্থন জানাল কাতার

নেইমার ভক্তদের জন্য সুখবর

আবারও কাশ্মীরে টহলরত ভারতীয় সেনাদের কাছে বিস্ফোরণ

১০

চুক্তির শর্ত পূরণ করলেই সুবিধা পাবে ইরান : হোয়াইট হাউস

১১

বিশ্বকাপের প্রথম হ্যাটট্রিকে জানান দিলেন ‘এখনো তিনিই রাজা’

১২

মেসির আগে বিশ্বকাপে ১৬ গোল করেছিলেন যিনি

১৩

আলজেরিয়ার বিপক্ষে মেসির তিন গোলের ইতিহাস

১৪

মেসির পায়ে ভর করে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে দিল আর্জেন্টিনা

১৫

রোনালদোর যে রেকর্ডে ভাগ বসালেন মেসি

১৬

ইরানের সঙ্গে চুক্তি করার পরণতি সবাইকে ভোগ করতে হবে : রেজা পাহলভি

১৭

দোকানের সামনে বিএনপিকে হুমকি দিয়ে বোমাসদৃশ বস্তু ও চিরকুট

১৮

হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি

১৯

বক্সের বাইরে থেকে ৫ গোল, ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির পাশে মেসি

২০
X