কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৫, ০৩:৪৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের ধ্বংসযজ্ঞ বিশ্ব মানবতার জন্য লজ্জাজনক : ইউট্যাব

ইউট্যাবের লোগো। ছবি : সংগৃহীত
ইউট্যাবের লোগো। ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েল আবারও ফিলিস্তিনের গাজায় যে ভয়াবহ বোমা হামলা ও প্রাণহানি ঘটিয়েছে তার নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং ক্ষোভ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)।

সংগঠনের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান বৃহস্পবিতবার (২০ মার্চ) এক বিবৃতিতে বলেন, ইউট্যাব মনে করে যুদ্ধ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন এবং রাতের অন্ধকারে ফিলিস্তিনের নিরীহ মুসলিম জনগণের ওপর ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণ পরিকল্পিত গণহত্যা। যা বিশ্ব মানবতার জন্য লজ্জাজনক। অবিলম্বে ফিলিস্তিনে যুদ্ধ বন্ধ করে সেখানকার মুসলমানদের অধিকার পূর্ণাঙ্গভাবে ফিরিয়ে দিয়ে তার সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে হবে।

নেতৃদ্বয় বলেন, ১৫ মাসের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে এমনিতেই বিধ্বস্ত গাজা। সেখানকার বাসিন্দাদের দিন কাটছে মানবেতরভাবে। সর্বশেষ সোমবার ভোরে ইসরায়েল যেভাবে আচমকা বোমা হামলা চালিয়েছে তা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক এবং মানবতাবিরোধী। সেদিন গাজাবাসী অনেকেই তখন গভীর ঘুমে। কেউ কেউ সাহরির প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। এমন সময় শুরু হয় একের পর এক বোমা হামলা। ইসরায়েলি বাহিনীর সেই হামলায় হতাহত হতে থাকেন নারী-শিশুসহ সব বয়সী ফিলিস্তিনি। রাতের অন্ধকারে চলতে থাকে আহত রক্তাক্ত মানুষের আর্তচিৎকার আর আতঙ্কিত মানুষের দিগ্বিদিক ছোটাছুটি। যুদ্ধবিরতির মধ্যে আবার দুঃস্বপ্নের রাত ফিরে এলো ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ এ উপত্যকায়।

ইউট্যাবের শীর্ষ দুই নেতা বলেন, গত ১৫ মাসের টানা যুদ্ধে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় ৪৮ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার পর গাজাবাসীর মধ্যে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছিল যুদ্ধবিরতি। ধ্বংসস্তূপ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করেছিলেন তারা। কিন্তু যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরামর্শ করে নতুন করে গাজায় হত্যাযজ্ঞ শুরু করেছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার। গত সোমবার মধ্যরাতের পরে ঘুমন্ত গাজাবাসীর ওপর এই হামলায় অন্তত ৪০৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ইউট্যাবের প্রেসিডেন্ট ও মহাসচিব বলেন, আমরা অবিলম্বে ইসরায়েলের এমন বেআইনি গণহত্যা ও মানবতা বিরোধী অপরাধের তীব্র নিন্দা জানাই। একইসঙ্গে বিশ্ববাসীকে ফিলিস্তিনে নিরীহ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদাত্ত আহ্বান জানাই। বিশেষ করে সেখানকার নারী ও শিশুদের কান্না বিশ্ববাসীকে ব্যথিত করে তুলেছে। অবিলম্বে এই হত্যাযজ্ঞ থামাতে হবে নইলে বিশ্ব মানবতার কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তারেক রহমানকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে হবে : রিজভী

পাকিস্তানে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ২১

র‍্যাবের অভিযানে ৭২০ পিস গুলিসহ এয়ারগান উদ্ধার

জাহিদ মালেকের দুই মেয়ের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সিলেট-৬ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যিনি

বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নানের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ

লঞ্চ থেকে জব্দ ৫০ মণ জাটকা গেল এতিমখানায়

জানা গেল শবে বরাত কবে

এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ

আন্তর্জাতিক আইনকে বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র : জাতিসংঘ মহাসচিব

১০

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে ভূ-রাজনৈতিক চাপ অনুভব করছি না : চীনা রাষ্ট্রদূত

১১

‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার গুরুত্বের কথা জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

১২

ইসির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের

১৩

‘নদী বাঁধের ওপর গলা কাটা যুবক, অঝোরে ঝরছে রক্ত’ 

১৪

সুড়ঙ্গ খুঁড়ে বের হচ্ছেন বাসিন্দারা, তুষারপাতে বিপর্যস্ত রাশিয়া

১৫

নিরাপত্তার কারণেই কাচের রুমে সৈকত!

১৬

৫০ দিনে হাফেজ হলেন ১০ বছরের আব্দুর রহমান

১৭

বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে বাংলাদেশের একজন

১৮

অজুর পর প্রস্রাবের ফোঁটা বেরিয়েছে মনে হলে যা করবেন

১৯

আসিফ মাহমুদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে : নাছির

২০
X