এম এম মুসা
প্রকাশ : ২৮ মে ২০২৪, ০৯:১৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

অসহনীয় অসাম্য, চুইয়ে পড়া তত্ত্ব ও দেশের ভবিষ্যৎ

ছবি : প্রতীকী
ছবি : প্রতীকী

অর্থশাস্ত্র একটি বিচিত্র বিষয়। একদিকে তার শিকড় রয়েছে বিজ্ঞান, গণিত ও তথ্য-পরিসংখ্যানের গভীরে; অন্যদিকে তা সাধারণ বোধবুদ্ধির বিষয়। দ্বৈত চরিত্রের কারণেই নীতিনির্ধারণে জটিলতা তৈরি হয়। যিনিই ক্ষমতায় থাকুন না কেন বা যিনিই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন না কেন, ভুলের অবকাশ থেকেই যায়।

আজকের দুনিয়ায় একটি প্রবণতা তৈরি হয়েছে—যে কোনো ধরনের সমালোচনা বা আলোচনা শাসকদের স্বার্থের প্রতিকূলে গেলেই তাকে সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা। এর ফলে নীতিনির্ধারণে গুণগত ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।

বৈষম্যের কথাই ধরা যাক। গত অর্থবছরে বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বৃদ্ধির হার ছিল ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ। কভিড-উত্তর পরিস্থিতিতে প্রবৃদ্ধির হারটি যে ভালো, তা নিয়ে সংশয় নেই। কিন্তু শুধু জাতীয় আয়ের বৃদ্ধির দিকে তাকালেই চলবে না। অর্থনৈতিক বিশ্লেষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, সেই আয় দেশের মানুষের মধ্যে কীভাবে বণ্টিত হয়েছে, তার খোঁজ নেওয়া।

যখন কেউ জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারের থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দেশের বৈষম্য বা অসাম্য পরিস্থিতির দিকে তাকাবেন, তখনই স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, বাংলাদেশের অবস্থা উদ্বেগজনক। অসাম্য এমন একটি স্তরে পৌঁছেছে, যা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়। বাংলাদেশে এখন খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির হার ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ (মার্চ, ২৪), যা রীতিমতো চড়া। অতীতেও মূল্যস্ফীতি হয়েছে, কিন্তু তার থেকে আজকের অবস্থা একটু কঠিন। দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। কারণ অতীতে মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি আয়বৃদ্ধিও ঘটত, যাতে মূল্যস্ফীতির আঁচ মানুষের ওপর কম পড়ত। এখন দেশের বেশিরভাগ মানুষের আয় বাড়ছে না। আয় বাড়ছে মূলত ধনী শ্রেণির।

বাংলাদেশে চিরকালই অসাম্য ছিল, কিন্তু এখন সেই অসাম্য যে স্তরে পৌঁছেছে, তা অভূতপূর্ব। বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি যে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না, তার বিভিন্ন পরোক্ষ প্রমাণ মিলছে। বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে প্রায় ৪১ শতাংশ নিষ্ক্রিয়। তারা পড়াশোনা করেছেন না। তাদের কোনো কর্মসংস্থান নেই এবং তারা কোনো কাজের জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন না। গত পাঁচ বছরে বেকারত্বের যে হার বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ করেছে, স্বাধীন বাংলাদেশ তা আগে কখনো দেখা যায়নি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব অনুসারে, সেখানে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ২৯ লাখ জন নিষ্ক্রিয়। বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২২ অনুসারে, দেশের প্রায় ৪১ শতাংশ তরুণ নিষ্ক্রিয়। এর অর্থ তারা পড়াশোনা করছেন না, আবার তাদের কোনো কাজও নেই। মেয়েদের মধ্যে এ নিষ্ক্রিয়তার হার ৬১.৭১ শতাংশ এবং ছেলেদের মধ্যে এ হার ১৮.৫৯ শতাংশ। এ ধরনের তরুণের সংখ্যা বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেছে বিবিএস।

সর্বশেষ বিবিএস কর্তৃক প্রচারিত হাউসহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভে (HIES)-২০২২ অনুযায়ী আয়বৈষম্য পরিমাপক গিনি সহগ বাংলাদেশে শূন্য দশমিক ৪৯৯-এ পৌঁছে গেছে এবং দেশের ১০ শতাংশ শীর্ষ ধনীর কাছে জমা বেড়ে হয়েছে মোট আয়ের ৪০ দশমিক ৯২ শতাংশ। এমনকি দেশের সবচেয়ে ধনী ৫ শতাংশ মানুষের আয় এখন দেশের মোট আয়ের প্রায় ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ, দেশের তিন ভাগের দুই ভাগ আয় যাচ্ছে দেশের ধনী ৩০ শতাংশ মানুষের হাতে এবং বাকি ৭০ শতাংশ মানুষের আয় মোট আয়ের অবশিষ্ট ১ শতাংশ। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ এখন উচ্চ আয়বৈষম্যের দেশ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। কেননা, গিনি সহগের মান শূন্য ৫০ পয়েন্ট পেরোলেই একটি দেশকে উচ্চ বৈষম্যের দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেখানে বাংলাদেশে গিনি সহগের মান শূন্য দশমিক ৪৯৯। গবেষকেরা মনে করেন, বাংলাদেশের আয়বৈষম্য ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দেশের আয় ও সম্পদ বণ্টনের বৈষম্য হ্রাসে এখনো সাফল্য অর্জিত হয়নি।

বিবিএসের জরিপ অনুসারে, ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে প্রতি বছর দারিদ্র্য হ্রাসের হার ছিল দশমিক ৯৩ শতাংশ পয়েন্ট। ২০১০ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে প্রতি বছর দারিদ্র্য কমেছে ১ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট। বিবিএস প্রতিবেদন অনুযায়ী, আটটি বিভাগের মধ্যে দারিদ্র্যের হার সর্বোচ্চ বরিশালে ২৬ দশমিক ৯ শতাংশ, যা ২০১৬ সালের প্রায় সমানই রয়েছে। ২০১৬ সালের জরিপে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি পাওয়া গিয়েছিল রংপুর বিভাগে ৪৭ দশমিক ২ শতাংশ, এরপর ময়মনসিংহ বিভাগে ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ। তবে, সর্বশেষ জরিপে উঠে এসেছে, এই দুটি বিভাগে দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে রংপুরে ২৪ দশমিক ৮ এবং ময়মনসিংহে ২৪ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০২২ সালে চট্টগ্রামে দারিদ্র্যের হার ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ, যা ২০১৬ সালে ছিল ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ। খুলনায় দারিদ্র্যের হার দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশে, যা ২০১৬ সালে ছিল ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

দুর্ভাগ্যের কথা, এমন নেতিবাচক পরিসংখ্যান সামনে এলেই তাকে ধামাচাপা দিয়ে দেওয়া হয়। বলা হয়, এমন কথা জাতীয় স্বার্থবিরোধী। সাধারণ মানুষকে বলা হয় যে, যত ক্ষণ বাংলাদেশের জাতীয় আয় বেড়ে চলেছে, ততক্ষণ সব ঠিক আছে, কোনও চিন্তা নেই।

অসাম্যকে সমূলে উচ্ছেদ করতেই হবে, এমন দাবি কেউ করবে না। কেউ কেউ অবশ্য আরও এক দাপ এগিয়ে বলেন, একটি অর্থ ব্যবস্থাকে কুশলীভাবে পরিচালনা করার জন্য খানিকটা অসাম্যের প্রয়োজন, কারণ সেই অসাম্য নাকি প্রণোদনা তৈরি করে। তার ওপরে উঠে আরও এক পক্ষ বলছে, অসাম্য কমানোর জন্য খুব বেশি চাপাচাপি করা হলে পুঁজি দেশ ছেড়ে পালাতে পারে। কিন্তু, এই কথাগুলো বিবেচনায় রাখার পরও বলতেই হচ্ছে যে, এখন পরিস্থিতি যে রকম, তাতে অনেক কিছু করা প্রয়োজন।

বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়েছে। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য এখন সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে এগোনোর। দুর্ভাগ্য, বাংলাদেশের তরুণদের সামনে থেকে যখন কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত হয়ে যাচ্ছে, যখন কৃষকরা আরও বিপন্ন হচ্ছেন, তখন বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে একটি নতুন মন্ত্র শেখানো হচ্ছে—ধৈর্য ধারণ করুন, সামনে ভালো দিন আসছে। উন্নয়নের সুফল চুইয়ে আপনার কাছে আসবে।

উন্নয়নের ‘ট্রিকল ডাউন’ বা চুইয়ে পড়া তত্ত্ব কাজে আসেনি বলেই এ অবস্থা। এ তত্ত্ব মতে, অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে পারলেই উৎপাদন বাড়বে। আর উৎপাদন বাড়লেই এর সুবিধাগুলো দরিদ্রশ্রেণির অনুকূলে প্রবাহিত হবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতি হয়েছে লক্ষণীয়। তবে এ উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ভঙ্গুর (দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে থাকা) মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে রয়েছে দেশের অর্ধেক মানুষ।

ট্রিকেল ডাউন থিওরির উদ্ভাবক এবং অনুসারীরা মনে করেন, রাষ্ট্র বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা যদি সমাজের উঁচুস্তরের বিত্তবান ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে বিভিন্ন ধরনের কর মওকুফ, কর অবকাশ সুবিধা প্রদান, বিপণন ক্ষেত্রে সহায়তা করাসহ বিভিন্ন রকম নীতি সাপোর্ট প্রদান করে, তাহলে তারা তাদের ব্যাবসায়িক ও উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে পারবে। উৎপাদনের নতুন নতুন ইউনিট চালু করতে পারবে। এতে দেশের অর্থনীতি যেমন গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে, তেমনি নিম্নস্তরে বাস করা মানুষগুলোর কর্মসংস্থানের চমৎকার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে সমাজের নিম্নস্তরে বসবাসরত মানুষ উপকৃত হবে।

খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ট্রিকেল ডাউন থিওরি সঠিকভাবে কাজ করেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হোভার ১৯৩০ সালের দিকে এই তত্ত্ব তার দেশে প্রয়োগ করেন। সেই সময় মনে করা হয়েছিল ব্যবসায় সমৃদ্ধিতে ইনসেনটিভ দিলে জনগণ উপকৃত হবে। কিন্তু কার্যত বিপরীত ফলই প্রত্যক্ষ করা গেছে। প্রতীয়মান হয়েছে যে, কর হ্রাস ও অন্যান্য নীতি সহায়তার ফলে করপোরেট মুনাফা বৃদ্ধি পেলেও সবসময় কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ, উৎপাদনশীলতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়। বিশ্বব্যাপী যে ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয়, তা প্রতিরোধে এই তত্ত্ব কোনো কাজে আসেনি।

বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে আলোচনা করলে দেখা যাবে, সরকার ট্রিকেল ডাউন ইফেক্ট তত্ত্বটি অনুসরণ করে চলেছে। সমাজের উঁচুস্তরের একটি বিশেষ শ্রেণিকে রাষ্ট্রের তরফ থেকে নানা ধরনের নীতি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কর অবকাশ ও কর হ্রাস সুবিধাসহ তুলনামূলক স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এমনকি যারা ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করেন, তা নির্ধারিত কাজে ব্যবহার না করে অন্য খাতে প্রবাহিত করেছেন অথবা বিদেশে পাচার করেছেন তাদেরও কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে না। ঋণখেলাপির অভিযোগে কারখানা বন্ধ হলে কর্মরত বিপুলসংখ্যক শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বেন—এ অজুহাতে কোনো ঋণখেলাপির কারখানা বন্ধ করা হচ্ছে না। যারা নিয়মিত ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করেন, তাদের তেমন কোনো আর্থিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু যারা ইচ্ছে করে ঋণের কিস্তি আটকে রাখছেন তাদের জন্য উদারভাবে নানা ধরনের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

অসাম্য রোধের জন্য সব শ্রেণি-পেশার মানুষ, বিশেষ করে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ পন্থা। কেননা এর মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠী দারিদ্র্য চক্র ভেঙে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হবে, তাদের জন্য নতুন ও শোভন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, আয়-বণ্টন উন্নত হবে, সর্বোপরি বৃদ্ধি পাবে প্রবৃদ্ধির হার। এ লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে যথাক্রমে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় ব্যাপকভাবে বাড়াতে হবে।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি এর সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দরিদ্র ও অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকার মানোন্নয়ন সম্ভব হবে। বাংলাদেশে বৈষম্য কমাতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ব্যাপক বাড়ানো দরকার এবং অঞ্চলভিত্তিক বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকাগুলোয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিও জোরদার করা জরুরি। শহরাঞ্চলের দরিদ্র মানুষের জন্য নতুন নতুন কর্মসূচি ও অভিনব কায়দায় জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির দ্রুত বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

দেশের শ্রমিকের দক্ষতা উন্নয়নে প্রোগ্রাম নিতে হবে এবং বৈশ্বিক চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে দক্ষ শ্রমিক গড়ে তুলতে সচেষ্ট হবে। আবার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে উৎপাদনশীল শ্রমশক্তির সঙ্গে সংযোগ ঘটবে, যার মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব হবে। অর্থ পাচার, ঋণখেলাপি ও সরকারি সম্পদ ব্যবহারে দুর্নীতি ও সরকারি ভূমি দখলদারিত্ব মোকাবিলায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কেননা, সুশাসন ও দক্ষ প্রতিষ্ঠান আয়-বণ্টন সুষম করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এম এম মুসা: সাংবাদিক

[ নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার, প্রতিক্রিয়া প্রভৃতিতে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। দৈনিক কালবেলার সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে নিবন্ধ ও সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত মত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে। প্রকাশিত লেখাটির ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত, রাজনৈতিক, আইনগতসহ যাবতীয় বিষয়ের দায়ভার লেখকের, দৈনিক কালবেলা কর্তৃপক্ষের নয়। ]
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পেট্রোডলার ছেড়ে চীনের ইউয়ানের দিকে ঝুঁকছে সৌদি আরব

মিয়ানমারে যুদ্ধবিরতির পেছনে কলকাঠি নাড়ছে চীন

নচিকেতা ও আলতাফেরে ‘লক্ষ্য একই’

ঈদের আগেই কাঁচা মরিচের দাম ৪০০ টাকা

‘রাজপুত্র’ নেইমার কি পারবেন রাজা হতে?

জমে উঠেছে শেষ মুহূর্তের কোরবানির পশুর হাট

খাইটা বিক্রি হচ্ছে ওজনে!

ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নেই ঈদ আনন্দ

চামড়া কেনাবেচায় সিন্ডিকেট করলে কঠোর ব্যবস্থা : ডিএমপি কমিশনার

হাট ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের খোঁজ নিলেন মেয়র

১০

রাতে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, সতর্ক সংকেত

১১

আগামী বিশ্বকাপের টিকিট কি পাবে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড?

১২

আমের কেজি ৩ লাখ টাকা, চাষ হচ্ছে বাংলাদেশে

১৩

সেন্টমার্টিন ইস্যু নিয়ে যা বললেন ফখরুল

১৪

পাখা ছাড়া ঘুমাতে পারে না জমিদার

১৫

ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত শোলাকিয়া

১৬

বাজারের প্রধান আকর্ষণ কালো পাহাড়

১৭

ভাই হারালেন ডিপজল 

১৮

সংবর্ধিত হলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল

১৯

সিলেটে পশুর হাটে কমছে না দাম, ক্রেতাদের অপেক্ষা

২০
X