কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৫৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘বিচারের ডেডলাইন ছাড়া, নির্বাচনের ডেডলাইন জুলাই যোদ্ধারা প্রত্যাখ্যান করবে’

বক্তব্য রাখছেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। ছবি : কালবেলা
বক্তব্য রাখছেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। ছবি : কালবেলা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, ‘গণহত্যার বিচারের ডেডলাইন ব্যতীত, নির্বাচনের ডেডলাইন দিলে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবার সেই নির্বাচন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে।’

শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আয়োজিত জাতি পুনর্গঠন বাংলাদেশ ২.০ অনুষ্ঠানে ‘বিচার-সংস্কার ও নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বারবার বলে এসেছে, দাবি জানিয়েছে সকল গণহত্যার বিচার ও রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার শেষ করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দিতে হবে। কিন্তু কেউ কেউ শুধু একটি নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে দেশে কিংবা দেশের বাহিরে বারবার বৈঠক করে। তারা সংস্কার কিংবা বিচারের দাবিতে আজ পর্যন্ত একবারও সরকারের সঙ্গে বৈঠক করেনি। যাদের শুধু ক্ষমতা দরকার, তাদের রাষ্ট্র সংস্কার কিংবা গণহত্যার বিচারের বিষয়ে মাথাব্যথা নেই।’

তিনি বলেন, ‘দুই সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা এবং ৫০ হাজারের অধিক ছাত্র-জনতাকে আহত পঙ্গুত্ব করার বিচারের জন্য মাত্র দুটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। অনতিবিলম্বে গণহত্যার বিচারে ট্রাইব্যুনাল ও প্রসিকিউটর বাড়াতে হবে।’ অন্তর্বর্তী সরকারকে কোনো একক দলের চাপে রাষ্ট্র সংস্কার ও গণহত্যার বিচার অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়ে যেনতেন একটি নির্বাচন করার আগে শহীদ পরিবারের ও আহতদের প্রত্যাশা বুঝতে আহ্বান জানান শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি জাতীয় স্বার্থে যে কোনো যৌক্তিক দাবির স্বপক্ষে জামায়াতে ইসলামীর পূর্ণ সমর্থন থাকবে বলেও ঘোষণা দেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, শহীদ আনাছের নানাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্বর্ণ ও রুপার আজকের বাজারদর

কেনেডি সেন্টার থেকে সরানো হলো ট্রাম্পের নাম

৩৬ বছরের আক্ষেপ মোচন / বিশ্বমঞ্চে জয়ের হাসি ফিরল স্কটল্যান্ডের মুখে

জাবির বাসে নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্থা, ছাত্র বহিষ্কার

প্রথম স্ত্রীর ‘বাড়িতে যাতায়াত’ নিয়ে বিরোধে প্রাণ দিলেন দ্বিতীয় স্ত্রী

হরমুজের কাছে ১৪১টি জাহাজ ঘুরিয়ে দিয়েছে সেন্টকম

মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর

হোঁচট খেয়ে ব্রাজিল কোচ / ‘প্রথম ম্যাচেই বিশ্বকাপ জেতা যায় না’

আইসিইউ নিয়ে সুখবর পাচ্ছে ১০ জেলার মানুষ, আজ থেকে চালু

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

১০

দক্ষিণ লেবাননে ৭০টির বেশি স্থাপনায় হামলার দাবি ইসরায়েলের

১১

গুম-নির্যাতন মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

১২

আ.লীগের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

১৩

রোববার চুক্তি সইয়ের দাবি ট্রাম্পের, ভিন্ন কথা বলছে ইরান

১৪

১৪ জুন / কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

১৫

যে কীর্তিতে পেলে-রোমারিওকেও ছাড়িয়ে গেলেন ভিনিসিয়াস

১৬

খেলাপ্রেমীদের জন্য চরম উত্তেজনায় কাটবে দিনটি

১৭

নিজেকে দক্ষ করে তুললে অর্থের অভাব হবে না : ভূমিমন্ত্রী

১৮

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেই প্রথম গোলের দেখা পেল স্কটল্যান্ড

১৯

রোববার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

২০
X