রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৪, ০৯:২৬ এএম
অনলাইন সংস্করণ

মানুষের ঘর গুছিয়ে দিচ্ছে ইঁদুর

ভিডিও থেকে নেওয়া স্ক্রিনশট
ভিডিও থেকে নেওয়া স্ক্রিনশট

অবসরপ্রাপ্ত পোস্টম্যান রডনি হলব্রুক নিজে সৌখিন ওয়াল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার হলেও, এমন কিছু কখনো তাকে ভিডিও করতে হবে তা চিন্তাও করেননি তিনি। নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া একটি অবিশ্বাস্য ঘটনার ভিডিও প্রকাশ করেছেন হলব্রুক। আর এই ভিডিও দেখে তাজ্জব বনে গেছে গোটা নেট দুনিয়া।

হলব্রুকের বাসায় রাতে অনেক জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় থেকে যায়। সকালেই এসব জিনিস বেশ গোছানো থাকতে দেখেন তিনি। এতে চিন্তায় পড়ে যান যুক্তরাজ্যের হলব্রুক। বিষয়টি নিয়ে তিনি বেশ কৌতূহলী হয়ে পড়েন।

ঘরের জিনিসপত্র কে গুছিয়ে দেয়? বিষয়টি ধরতে নিজের ঘরে ক্যামেরা বসালেন হলব্রুক। সাদাকালো ভিডিও চিত্রে যা ধরা পড়ল, তা দেখে তিনি রীতিমতো হতভম্ব। তাকে সাহায্যকারী বন্ধু আর কেউ নয়, একটি ছোট্ট ইঁদুর।

রডনি হলব্রুক দেখেন, তিনি যেখানে কাজ করেন, সেই টেবিলে থাকা জিনিসপত্র একটি ছোট বাক্সে গুছিয়ে রাখছে ইঁদুরটি। টানা দুই মাস ধরে এ কাজ করে চলেছে সে। রডনি এখন বন্য প্রাণী আলোকচিত্রী হিসেবে কাজ করেন। তিনি বলেন, যেসব জিনিসপত্র অগোছালো করে রাখেন, পরদিন তা আবার ইঁদুরটিকে একটি বাক্সে তুলে রাখতে দেখেন তিনি। টানা দুই মাস ধরে এভাবেই চলেছে।

রডনির ভাষ্য, প্রথমে খেয়াল করলাম, পাখির জন্য রাখা কিছু খাবার পুরোনো জুতার মধ্যে গোছানো। এটা দেখে কৌতূহল হলো। বিষয়টি জানার জন্য নাইট ভিশন ক্যামেরা বসালাম। এরপর ক্যামেরায় ধরা পড়ল বাড়িতে থাকা ইঁদুরটি।

ভিডিওতে দেখা গেল, স্ক্রুড্রাইভার, ছেঁড়া কাপড়চোপড়, তারের টুকরাসহ নানা জিনিস মুখে করে নিয়ে একটি বাক্সে রাখছে ইঁদুরটি। মজার বিষয় হলো, যে বাক্সটিতে সে জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখছিল, সেটির উচ্চতা ইঁদুরটির চেয়েও বেশি। ইঁদুরটি এমন কিছু জিনিস পরিষ্কার করেছে, যা সত্যিই অস্বাভাবিক মনে হয়েছে।

অবশ্য এ ধরনের অভিজ্ঞতা এটাই প্রথম নয় রডনি হলব্রুকের। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ২০১৯ সালে তার এক বন্ধুর জন্যও তিনি রাতে দেখার ক্যামেরা (নাইট ভিশন) বসিয়েছিলেন। সেখানেও একটি ইঁদুরকে এভাবে তার বন্ধুর বাসার জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখতে দেখেছিলেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

একুশ শতাব্দীতে যে কীর্তিতে দ্বিতীয় দ্রুততম এমবাপ্পে

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর

১০

খালেদা জিয়ার কফিন বহনের সুযোগ পেয়ে যাদের কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১১

ডার্বিতে সিটিকে গুঁড়িয়ে দিল ইউনাইটেড! 

১২

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ জনের

১৩

দুর্দান্ত শুরুর পরও জিততে পারল না বাংলাদেশ

১৪

থানায় আগুন, পুড়ল সাংবাদিকের মোটরসাইকেল

১৫

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নীতিগত সমন্বয় ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান 

১৬

গুম হওয়া বাবার স্মৃতিচারণ করে শিশুর আর্তনাদ, কাঁদলেন তারেক রহমান

১৭

বিক্ষোভে ‘হাজারো হত্যার’ পেছনে যুক্তরাষ্ট্র জড়িত : খামেনি

১৮

ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আঁতাত ফাঁস

১৯

সন্দ্বীপেরই অংশ ভাসানচর

২০
X