কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৩২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইমরান খানের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ সেনাবাহিনীর জাল

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ছবি : সংগৃহীত

নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, আর দমন-পীড়নের মধ্যেই পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই গঠিত হবে পরবর্তী সরকার, যদিও নির্বাচন এবং এতে কারা বিজয়ী হবেন- এই পুরো বিষয়ে সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে বলেই মনে করা হয়।

পাকিস্তানে সামরিক অভ্যুত্থান তো বটেই, এমনকি সরকারের গঠন কিংবা পতনের মতো বিষয়গুলোতেও অতীতে দেশটির সামরিক বাহিনীর ভূমিকা দেখা গেছে। এই নির্বাচনে অন্যান্য বড় দলগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ইমরান খান নিজে দণ্ডিত হয়ে নির্বাচনের বাইরে আছেন। আদালতে দলীয় প্রতীক বাতিল হওয়ায় তার দলের প্রার্থীরাও লড়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে।

এতকিছুর মধ্যেই এখন এটা স্পষ্ট যে, পাকিস্তানের নির্বাচনে এখন যে দলই জিতুক তাকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমঝোতা করেই ক্ষমতায় আসতে এবং থাকতে হবে।

আর নির্বাচনের বাইরে থাকা ইমরান খানের ভবিষ্যৎই বা এখন কোন দিকে যাচ্ছে? এমন প্রশ্ন এখন পাকিস্তানের রাজনীতিতে ঘুরপাক খাচ্ছে। তাহলে সেনা নিয়ন্ত্রণের এই রাজনীতিতে ইমরান খানের ভবিষ্যৎ কী? তার দল এবং রাজনীতি কি টিকে থাকতে পারবে?

দেশটির সামরিক বিশ্লেষক ইকরাম সেহগাল বলছেন, ইমরানের সামনে সে সুযোগ আছে এখনো। এর বড় কারণ হচ্ছে, তার বড় রাজনৈতিক সমর্থক গোষ্ঠী আছে। তার দল নির্বাচনে জিতে যাবে এমনটা কেউ আশা করছে না। কিন্তু পরাজিত হলেও তার প্রার্থীরা যদি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসনে জিতে আসতে পারে, তাহলে সেটা তাকে সরকার এবং সেনাবাহিনীর সঙ্গে দর কষাকষির শক্তি এনে দেবে। এছাড়া তিনি পিপিপি, জামায়াতে ইসলামীর মতো দলগুলোর সঙ্গেও সমঝোতায় গিয়ে নিজের একটা অবস্থান তৈরি করতে পারেন। সুতরাং ইমরান খানের রাজনীতির ভবিষ্যৎ শেষ হয়ে যায়নি।

পাকিস্তানে এর আগেও সামরিক বাহিনীর সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ক্ষমতা ছাড়ার, এমনকি দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ারও ইতিহাস আছে। পরে আবারও সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমঝোতায় রাজনীতিতে ফিরে আসার নজিরও আছে। নওয়াজ শরিফ নিজেই একাধিকবার সে উদাহারণ তৈরি করেছেন। ফলে যে কোনো নতুন রাজনৈতিক দৃশ্যপটে ইমরান খানেরও সে সুযোগ আছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

কিন্তু রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর যে নিয়ন্ত্রণ, পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলো খুব সহসাই সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে এমন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না বলে মনে করেন এই বিশ্লেষক।

এদিকে, নির্বাচনের ফলে এগিয়ে থাকা পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রধান ব্যারিস্টার গওহর প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে মুখ খুলেছেন। দ্য সিয়াসাতের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পিটিআইয়ের এ নেতা বলেন, ইমরান খানই পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা ঠিক করবেন। তিনি সবসময় নেতা, তাতে তিনি জেলে থাকেন অথবা বাইরেই থাকেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন গণঅধিকার পরিষদের আবুল কালাম 

ভারত যেন ‘অসহায়’, বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশের কাছে

জানা গেল পবিত্র রোজা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ

জাতীয় সংগীত আমাদের স্বাধীনতার স্পন্দন : নুরুদ্দিন অপু

ইসলামী আন্দোলন নিয়ে যে বার্তা দিলেন রাশেদ প্রধান

ক্ষমতায় এলে পরমাণু কর্মসূচির ভবিষ্যৎ জানালেন রেজা পাহলভি

ইসলামী আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়েই আসন ঘোষণার আশা মামুনুল হকের

নাজমুলকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিচ্ছে বিসিবি

ভিসা স্থগিতের কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

এনসিপির জুয়েলের মনোনয়ন জমা নেওয়ার নির্দেশ

১০

প্রক্রিয়াজাত খাদ্য শিল্পে ফর্টিফাইড আটা-ময়দার ব্যবহার বিষয়ে কর্মশালা

১১

১১ দলের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা আজ, জানা গেল সময়

১২

পটুয়াখালীতে বিএনপির একাধিক কমিটি স্থগিত

১৩

মুক্তি প্রতিক্ষায় দৃশ্যম-৩

১৪

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইসরায়েল

১৫

পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিতর্কে বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত : সালাহউদ্দিন

১৬

জুবিনের মৃত্যুর কারণ জানাল সিঙ্গাপুর পুলিশ

১৭

জোটের জরুরি বৈঠক, যে কারণে নেই ইসলামী আন্দোলন

১৮

মিরসরাইয়ে কাভার্ডভ্যানে আগুন

১৯

ইরানের পক্ষে কঠোর অবস্থান সৌদি আরবের

২০
X