কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:৫৯ এএম
আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২৫, ০১:০৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মঙ্গল অভিযানে নাসার দুই মহাকাশযান

নাসার রকেট উৎক্ষেপণ। ছবি: সংগৃহীত
নাসার রকেট উৎক্ষেপণ। ছবি: সংগৃহীত

ব্লু অরিজিন তাদের নিউ গ্লেন রকেটের দ্বিতীয় উড্ডয়ন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স স্টেশন থেকে রকেটটি নাসার দুটি মঙ্গলযান মহাকাশে উড্ডয়ন করে।

বার্তাসংস্থা এপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩২১ ফুট লম্বা নিউ গ্লেন রকেট বিকেলে আকাশে উড্ডয়নের পর নাসার ‘এস্কেপেড’ নামের যমজ কক্ষপথযান যাত্রা শুরু করে। খারাপ আবহাওয়া এবং তীব্র সৌরঝড়ের কারণে চার দিন বিলম্বের পর অবশেষে এটি উৎক্ষেপণ সম্ভব হয়।

মহাকাশযান উড্ডয়নের অন্যতম বড় সাফল্য হলো বুস্টার পুনরুদ্ধার। উপরের ধাপ ও মহাকাশযান আলাদা হওয়ার পর বুস্টারটি ৬০০ কিমি দূরে সমুদ্রে থাকা একটি বার্জে সোজাভাবে নেমে এসেছে। এটি ব্লু অরিজিনের প্রথম সফল বুস্টার ল্যান্ডিং—যা ব্যয় কমানো ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট প্রযুক্তিতে বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ল্যান্ডিং দেখে উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। নাসা কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্কও অভিনন্দন জানান।

এপি জানিয়েছে, দুটি একই ধরনের কক্ষপথযান প্রথমে পৃথিবীর কাছে প্রায় ১০ লাখ মাইল দূরে অবস্থান করবে। আগামী বছর পৃথিবী-মঙ্গল সঠিকভাবে সারিবদ্ধ হলে তারা গ্রাভিটি অ্যাসিস্ট নিয়ে ২০২৭ সালে মঙ্গলে পৌঁছাবে।

উড্ডয়ন করা এ মহাকাশযান মঙ্গলের ওপরের বায়ুমণ্ডল, বিচ্ছিন্ন চৌম্বক ক্ষেত্র এবং সৌর বায়ুর সঙ্গে মঙ্গলের মিথস্ক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবে। এতে মঙ্গল কীভাবে অতীতের উষ্ণ-আর্দ্র অবস্থা থেকে আজকের শুষ্ক-ধূলিময় গ্রহে পরিণত হলো সে সম্পর্কে নতুন তথ্য মিলবে। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নভোচারীদের বিকিরণ সুরক্ষা বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যাবে।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বিজ্ঞানী রব লিলিস জানান, দুটি স্পেসক্রাফট একই সময়ে কাজ করবে—যা আমাদের এক নজিরবিহীন ‘স্টেরিও ভিউ’ দেবে। ৮০ মিলিয়ন ডলারের নিচে ব্যয় শেষে প্রকল্পটি পরিচালনা করছে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলে।

কালবেলা/এমএইচ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রোড রোলার প্রশিক্ষণে সুইডেন সফরের খবর ভিত্তিহীন: চসিক মেয়র

ফাহিমা হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে ফের আদালত চত্বরে হামলার চেষ্টা

তদন্ত চলাকালেই বদলি চসিকের আলোচিত সেই প্রকৌশলী দম্পতি

রাতে স্টেডিয়ামে গাঁজা সেবন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবকের কারাদণ্ড

পরশুরামে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বিডার উদ্যোগে বাস্তবায়নের পথে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ

কমনওয়েলথ গেমসে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা

রেল অবরোধে ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি, দুঃখ প্রকাশ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের

১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে নতুন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালকরা

১০

জোড়াতালি দিয়ে চলছে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা

১১

চকরিয়ায় বন্যায় সড়ক বিধ্বস্ত, ক্ষতি প্রায় ৩২ কোটি টাকা

১২

চাকরি ফিরে পেলেন ‘টিপকাণ্ডে’ বহিষ্কৃত সেই পুলিশ সদস্য

১৩

ইরানের বিরুদ্ধে ‘বৃহৎ সামরিক হামলা’ বিবেচনায়: ট্রাম্প

১৪

লেবাননে প্যারামেডিকদের ওপর ইসরায়েলের ড্রোন হামলা

১৫

ওমরাহ পালনে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নিহত ৩

১৬

নিরাপত্তার জেরে ইরান থেকে দূতাবাসকর্মীদের প্রত্যাহার করে নিল যুক্তরাজ্য

১৭

দেশে চাঁদাবাজি-দুর্নীতি আগের চেয়েও বেড়েছে: গাজী আতাউর

১৮

জলাবদ্ধ সড়কে হাঁস ছেড়ে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ 

১৯

জাবি চিকিৎসা কেন্দ্র উন্নয়নে প্রশাসনের ৫ সিদ্ধান্ত

২০
X