মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৪, ১০:০১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

আত্মহত্যা করতে চাওয়ার কারণ জানালেন বাইডেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ছবি : সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ছবি : সংগৃহীত

জীবনে সাফল্য অর্জন করতে হলে দীর্ঘ পরিশ্রমের পাশাপাশি অসীম সাহস এবং দৃঢ় মনোবল থাকতে হয়। কারণ সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাতে হলে বিভিন্ন বাধা জয় করেই সামনে এগিয়ে যেতে হয়। এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে গিয়ে অনেকেই হতাশা, ব্যর্থতা কিংবা গ্লানির তিক্ততায় আত্মহত্যা করার মতো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও এমন আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি অনেকটা নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। যা অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার।

১৯৪২ সালের ২০ নভেম্বর জন্ম নেওয়া বাইডেন আইনজীবী হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। ১৯৬৬ সালে প্রথমবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। তার প্রথম স্ত্রীর নাম ছিল নেইলিয়া হান্টার। এই দম্পতির তিন সন্তান ছিল জোসেফ, রবার্ট হান্টার এবং নাওমি ক্রিস্টিনা অ্যামি।

১৯৭২ সালে ভয়াবহ এক সড়ক দুর্ঘটনায় বাইডেনের স্ত্রী এবং কন্যা নিহত হন। দুর্ঘটনার সময় গাড়িতে বিউ এবং হান্টারও ছিলেন, তবে তাদের আঘাত গুরুতর না হওয়ায় বেঁচে যান তারা। কাকতালীয়ভাবে ওই বছরই মার্কিন পার্লামেন্ট কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য নির্বাচিত হন বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে বাইডেনই সবচেয়ে কম বয়সে সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড গড়েন। মাত্র ৩০ বছর বয়সে সিনেট সদস্য হন তিনি।

তবে পৃথিবীর অন্য অনেক সাধারণ মানুষের মতো জো বাইডেনও ওই সময় আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন। সম্প্রতি বিখ্যাত মার্কিন সাংবাদিক হাওয়ার্ড স্টার্নকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই।

বাইডেন বলেন, তার প্রথম স্ত্রী নিহত হওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। সারাক্ষণ বিষণ্ন থাকতেন। এক রাতে মদ্যপ অবস্থায় তার মনে হয়েছিল এই জীবনের কোনো অর্থ নেই। এ কথা মনে হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে ডেলাওয়্যার মেমোরিয়াল ব্রিজের উদ্দেশে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে পড়েন বাইডেন। এরপর ব্রিজের ওপর থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করতে চান।

‘কিন্তু ব্রিজে পৌঁছানোর পর হঠাৎ তার মনে হলো, তার আরও দুটি ছোট সন্তান আছে। যদি তিনি আত্মহত্যা করেন, তাহলে তাদের দেখাশোনা করার কেউ থাকবে না। সন্তানদের মুখ চোখের সামনে ভেসে ওঠামাত্র বাইডেন গাড়ি ঘুরিয়ে ফেলেন। ফিরে আসেন বাড়িতে। এরপর ১৯৭৮ সালে জিল ট্রেসি জ্যাকবকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পর তার নাম হয় জিল বাইডেন।

বাইডেন বলেন, আসলে প্রত্যেক মানুষের জীবনেই এমন মুহূর্ত আসে, যখন তার আত্মহত্যা করার প্রবল ইচ্ছে জাগে। কিন্তু ওই সময়টায় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয় এবং বলতে হয়, আত্মহত্যা হলো সবচেয়ে বোকামি কাজ।

সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত দুই ছেলে বিউ এবং হান্টারকে একাই বড় করেছেন তিনি। পাশাপাশি সিনেটর হিসেবে রাজনৈতিক দায়িত্বও পালন করেছেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মেসির জোড়া গোলে আর্জেন্টিনার জয়

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের 'ফোর্স মবিলাইজেশন ড্রিল'

সারওয়ার আলম তার কর্মের খেসারত দিলেন

১৪৯ পেনাল্টির ৩৩টিতেই ব্যর্থ মেসি

হতাশা ভুলিয়ে ইতিহাস গড়া গোল, মেসির লিডে বিরতিতে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের মালিক মেসি

ইতিহাসের দুয়ারে দাঁড়িয়ে পেনাল্টি নষ্ট করে রেকর্ড গড়ার সুযোগ মিস মেসির!

দক্ষ তরুণরাই ডিজিটাল অর্থনীতির পাওয়ার হাউজ : রাহিতুল

অবিশ্বাস্য! পেনাল্টি মিস মেসির

সিলেট নগরবাসীর সহযোগিতা চাইলেন সিসিক প্রশাসক

১০

প্যারোলে মুক্তি পেলেন সাবেক মেয়র

১১

আজকের দিনেই ‘হাত দিয়ে গোল’ করে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা

১২

চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

১৩

৭ কলেজের সব নথিতে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ নাম ব্যবহারের নির্দেশনা

১৪

ইসরায়েলি সীমান্তের কাছে হিজবুল্লাহর গোপন ড্রোন কারখানার সন্ধান

১৫

বিএটি বাংলাদেশের নতুন হেড অব ট্যালেন্ট, কালচার অ্যান্ড ইনক্লুশন রাইয়ান আহমেদ

১৬

গৃহবধূর আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

১৭

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে আছেন যারা

১৮

কালবেলার সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম

১৯

ট্রাম্পের কথায় চলবে না ইসরায়েল: নেতানিয়াহু

২০
X