জাতীয় সংসদের হুইপ সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, শিক্ষার্থীদের কোটা বিরোধী আন্দোলনকে পুঁজি করে সরকার পতনের দ্বিবাস্বপ্ন দেখেছিলে বিএনপি-জামায়াত। তারা শিক্ষার্থীদের কাঁধে বন্দুক রেখে সারা দেশে রীতিমতো ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। আমাদের আশা, যারা দেশে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বুধবার (২৪ জুলাই) বিকেলে কক্সবাজার পৌরসভা হলরুমে ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ে নাশকতা প্রতিরোধ কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হুইপ কমল এসব কথা বলেন তিনি।
হুইপ বলেন, আমরা বিশ্বাস করি জ্বালাও পোড়াও এর সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই জড়িত নয়। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আমাদের কোনো অভিযোগও নেই। কিন্তু তাদের আন্দোলনে যারা গান পাউডার ব্যবহার করেছে তারা কারা, তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে। ভিডিও ফুটেজ এবং স্থিরচিত্র দেখে দেখে তাদের শনাক্ত করা হবে।
পরে কক্সবাজার সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছারকে আহ্বায়ক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মাহবুবুর রহমানকে সদস্য সচিব করে ২০১ জনের নাশকতা প্রতিরোধ কমিটি ঘোষণা করেন হুইপ কমল।
কমল বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা যেন ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম দ্বারা বাঁধাগ্রস্ত না হয় সেই লক্ষ্যে নাশকতা প্রতিরোধ কমিটি জেলা-উপজেলা-ওয়ার্ড-মহল্লায় সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারবদ্ধ।
কমিটিতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদক, ১৪ দলীয় শরীক দলগুলোর জেলার প্রধান, বর্তমান ও সাবেক সংসদ সদস্যসহ ৩০ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে কক্সবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহিনুল হক মার্শাল, কক্সবাজার সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহমুদুল করিম মাদু, কক্সবাজার শহর জাসদের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন মাসু, আ'লীগ নেতা আনিসুর রহমান, পৌর যুবলীগ সভাপতি ডালিম বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক শাহেদ মো. এমরান, শহর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক মনির, রামু উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইবরাহিম খলিল, ইউপি চেয়ারম্যান টিপু সুলতান, মুজিবুর রহমান, শাহজাহান ছিদ্দিকী, কামাল হোসেন, পৌরসভার কাউন্সিলরসহ ১৪ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন