ফরিদপুরে সহিংসতার ঘটনায় চারটি মামলায় ৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চারটি মামলার মধ্যে ভাঙ্গা ও ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি করে এবং সদরপুর থানায় দুটি মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
সদরপুর থানা সূত্রে জানা যায়, সদরপুর সরকারি কলেজ এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা নিয়ে গত ১৮ জুলাই দায়ের করা মামলার বাদী ওই থানার এসআই মো. তানভীর। এ মামলায় ১৭ জনের নামসহ অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়।
গত ২০ জুলাই উপজেলার কৃষ্ণপুর বাজার এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সদরপুর থানায় দ্বিতীয় মামলাটি হয়। ৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও অনকেকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলার বাদী এসআই মো. রিপন।
এদিকে গত ২০ জুলাই ভাঙ্গার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের শুয়াদী এলাকায় মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার অভিযোগে আরেকটি মামলা হয়েছে ভাঙ্গা থানায়। এ মামলার বাদী এসআই মোশাররফ হোসেন। এ মামলায় ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা মামলায় এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২৭ জনকে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই জেলা প্রশাসকের অফিসের সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এসআই শ্রীবাস চক্রবর্ত্তী পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এ মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।
এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশের উপপরিদর্শক মহবুবর করিম বলেন, চার মামলায় এখন পর্যন্ত ৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদেরকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, পুলিশের ওপর হামলা ও কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগে জেলার কোতোয়ালি ও ভাঙ্গা থানায় একটি এবং সদরপুর থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন