লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়। এতে ৮ জন নিহত হয়েছেন।
এ ছাড়া শতাধিক আহতের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে অনেকেই মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান আটজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, নিহত ৮ জনের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে চারজন মারা যান। এদের তিনজনের মরদেহ সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। তারা হলেন- মো. কাউছার, সাব্বির হোসেন ও মিরাজ হোসেন। এ ছাড়া গুরুতর আহত আফনান নামে একজনকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান।
অন্যদিকে পিটুনিতে চারজন নিহত হয়েছেন। সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সালাহ্ উদ্দিন টিপুর বাসার সামনে তিনজনের মরদেহ ও শহরের শাখারীপাড়ার মুখে একজনের মরদেহ পড়ে আছে। এ চারজনের মরদেহ এখনো উদ্ধার করা হয়নি। নিহতরা হলেন- হারুন মেম্বার, আহমেদ শরীফ, রাসেল। অন্য একজনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ চারজন যুবলীগ-ছাত্রলীগের কর্মী বলে জানা গেছে।
রোববার (৪ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরুপ পাল বলেন, অর্ধশতাধিক আহত রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে মৃত পেয়েছি। তারা গুলিবিদ্ধ। একজনকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যায়। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন