বান্দরবান প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৩, ০৮:৩৯ এএম
আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৩, ০৮:৪৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ

বান্দরবানে ভারি বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে মাইকিং

বান্দরবানে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে সড়ক। ছবি : কালবেলা
বান্দরবানে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে সড়ক। ছবি : কালবেলা

বান্দরবানে ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে জেলা সদরের ইসলামপুর, আর্মিপাড়া, গর্জনিয়াপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকা। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

এদিকে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকাদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার জন্য রোববার (৬ জুলাই) থেকে মাইকিং করছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। জেলায় এরই মধ্যে ২০৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দিয়েছে প্রশাসন।

রোববার সকাল ৯টা থেকে সোমবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৯১ মিলিলিটার বান্দরবানে বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

ভোগান্তিতে পড়া জেলা সদরের বালাঘাটার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম জানান, স্কুলের ছেলে মেয়েরা খুব কষ্ট পাচ্ছে। রিকশা, ভ্যানগাড়ি করে রাস্তা পারাপার হচ্ছে। বালাঘাটা সড়কের আধা কিলোমিটার পর্যন্ত হাঁটুপানি।

ইসলামপুরের আরেক বাসিন্দা জাহানারা বেগম জানান, পানিতে ঘরবাড়ি সব ডুবে গেছে। কোথাও ঠাঁই নেই। এখন আশ্রয়কেন্দ্রে থাকছি। ঝুম ঝুম বৃষ্টি।

বান্দরবান আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এমদাদুল হক বলেন, রোববার সকাল ৯টা থেকে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত জেলায় ১৯১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে ৯টার পরে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়।

এদিকে ঝুঁকিপূর্ণ আবহাওয়া এবং পাহাড়ের পাদদেশে থাকা বাসিন্দাদের সতর্ক করতে প্রচার ও প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ফায়ার সার্ভিস ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পাড়ায় পাড়ায় যাচ্ছেন তারা।

বান্দরবানের ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সর সিনিয়র স্টাফ অফিসার নাজমুল আলম বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে তিন নম্বর সতর্কসংকেত চলছে। বিভিন্ন জায়গায় পাহাড় ধসে পড়ছে। আমরা ওইসব জায়গায় যাচ্ছি। মাইকিং করছি। সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসার জন্য বলছি।

এদিকে বান্দরবান সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নার্গিস সুলাতানা জানান, আমরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সবাই সভা করেছি। প্রতিটি ইউনিয়নেও সভা করা হয়েছে। সবখানে মাইকিং করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর বসবাসরতদের নিরাপদ স্থানে আসার জন্য বলা হচ্ছে। এখনো বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। ছোটখাটো পাহাড় ধস হয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি আছে প্রশাসনের বলে জানান ।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মোহিদ উদ্দিন বলেন, আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি আছে। আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সবাই যদি আশ্রয়কেন্দ্র থেকে চলে আসে তাহলে আমরা বড় ধরনের ঘটনা থেকে রক্ষা পাব। উপজেলাগুলোতে শুকনো খাবার এবং অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আশা করি, খাবারের কোনো সংকট হবে না।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম

শিশুর মতোই গাছের চারাকে লালন-পালন করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

ইসরায়েলি সেনা পাহারায় আল আকসা মসজিদে শতাধিক অবৈধ বসতি স্থাপনকারীর অনুপ্রবেশ

কর্ণফুলী টানেলের মেইনটেন্যান্স কাজের জন্য ট্রাফিক ডাইভারসন

‘পুলিশ আর কারও লাঠিয়াল বাহিনী হবে না’

তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে নরসিংদীর জনজীবন বিপর্যস্ত

হরমুজ প্রণালি পরিচালনা নিয়ে ইরানকে নতুন প্রস্তাব দিল ওমান

সাপ কি মরার পরও কামড়াতে পারে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

সাকিব আল হাসানকে টপকে পরীমনির নতুন রেকর্ড

জিওব্যাগেও মিলছে না সুরক্ষা, পায়রার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে মির্জাগঞ্জ

১০

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা / রাষ্ট্রপতি পদে থাকার আগে-পরে অভিযোগ থাকলে আইনি ব্যবস্থা

১১

গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩,৩৩৩

১২

দেশে ৫ ধরনের ক্যানসার বাড়ছে, কারণ কী?

১৩

ককটেল বিস্ফোরণে উড়ে গেল প্রবাসীর বাড়ির সেপটিক ট্যাংক

১৪

জনগণের ওপরে যারা ক্ষমতা প্রদর্শন করবে তারা দলের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী

১৫

ঘুমের মধ্যে হঠাৎ উপর থেকে পড়ে যাওয়ার অনুভূতি হয় কেন?

১৬

যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দেওয়ার খবর প্রত্যাখ্যান করল ইরান

১৭

স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৩

১৮

আঁচল-অমির ‘আতা গাছে তোতা পাখি’

১৯

সেই ফিলিস্তিনি কিশোরীকে ধন্যবাদ জানালেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী

২০
X