ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৫, ১১:০৯ এএম
অনলাইন সংস্করণ

৩৫ বছর ধরে বেদখলে থাকা জমি ঢাকঢোল পিটিয়ে উদ্ধার

ব্রাহ্মণপাড়ায় আদালতের নির্দেশে ৬ শতক জায়গা প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছবি : কালবেলা
ব্রাহ্মণপাড়ায় আদালতের নির্দেশে ৬ শতক জায়গা প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছবি : কালবেলা

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ৩৫ বছর ধরে বেদখলে থাকা ৬ শতক জমি আদালতের নির্দেশে প্রকৃত মালিককে ঢাকঢোল বাজিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের সাহেবাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আদালত প্রতিনিধি (ক্ষমতাপ্রাপ্ত) নাজির মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী, আদালত কমিশনার (সিভিল কোর্ট কমিশন) মো. আবুল বাশার, ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সবুরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগিতা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের সাহেবাবাদ গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম ৩৫ বছর আগে আবদুস সালামের কাছ থেকে ৬ শতক জায়গা ক্রয় করেন। তবে তিনি বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও ক্রয় করা সেই জায়গার দখলে যেতে পারেননি। পরে তিনি ২০১৯ সালে অবৈধ দখলদার কুডু মিয়ার ছেলে আমীর হোসেন, মনির হোসেন, চান্দু মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন ও কুদ্দুস মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া গংদের বিরুদ্ধে জমির দখল বুঝে পেতে আদালতে মামলা দায়ের করেন। অবশেষে আদালতের রায় জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে আসে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিকেলে বেদখলে থাকা ওই ৬ শতক জায়গা, এতে নির্মিত বসতঘর এবং বসতঘরের আসবাবপত্র আদালতের নির্দেশে উচ্ছেদ ও দখলমুক্ত করা হয়। এ সময় এসব জায়গায় লাল নিশান বসানো হয়। পরে একজন ঢুলি ঢাকঢোল বাজিয়ে লাল নিশান বসানোর পুরো জায়গা ঘুরে বেড়ান। পরে তিনিই জায়গার দখল বুঝিয়ে দিতে প্রকৃত মালিকের (জাহাঙ্গীর আলম) নাম ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট তারেক রহমান বলেন, জাহাঙ্গীর আলম কুমিল্লা জেলা আদালতে বেদখলে থাকা জায়গা বুঝে পেতে মামলা করেছিলেন। ওই মামলার রায়ে আদালতের নির্দেশে তাকে তার জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বুবলীর খবরের মাঝেই অপুর পোস্টে কিসের ইঙ্গিত!

দীর্ঘ দুই দশক পর নারী প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার লড়াই আজ

রামিসা হত্যা মামলার রায় পর্যবেক্ষণে যা বললেন আদালত

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা / চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই

দক্ষিণ লেবাননের আরও কয়েকটি শহরে ইসরায়েলি হামলা

মৃত মাকে দেখতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল মেয়ের

খাদ্য প্যাকেটের সম্মুখভাগে সতর্কবার্তা বাড়াবে ভোক্তা সচেতনতা, কমাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি

চরিত্র হনন: এক নীরব ঘাতক

সব ডেথ রেফারেন্সই দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতি সিদ্ধান্ত নেবেন: আইনমন্ত্রী

১০

ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তির হুমকিতে সতর্ক পেন্টাগন

১১

উত্তাপহীন বিসিবি নির্বাচনে ৩৫ মিনিটে পড়েছে ১ ভোট

১২

ছাত্রদল নেতাকে মারধরের অভিযোগ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কের বিরুদ্ধে

১৩

অঝোরে কাঁদছিলেন রামিসার বাবা, চোখ বন্ধ রেখেছিলেন স্বপ্না

১৪

ভিসা ছাড়াই যে ৩৬ দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা

১৫

রামিসা হত্যা মামলা / রায়ের সময় কাঠগড়ায় দোয়া পড়ছিলেন সোহেল

১৬

সরকারে আসার ঝুঁকি এতটা ভয়াবহ হবে ভাবিনি: ফারুকী

১৭

৫ কার্যদিবসে মামলার রায় একটি ‘মাইলফলক’: রাষ্ট্রপক্ষ

১৮

দেশে ফিরেছেন ৩৭৪৩৫ হাজি

১৯

দক্ষিণ লেবাননে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত

২০
X