

সকাল থেকে এখনো পর্যন্ত সূর্যের দেখা নেই। এতে উত্তরের দিক থেকে বয়ে চলা হিমশীতল বাতাসে শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে তুলেছে। ফেনীর পরশুরাম সীমান্ত এলাকায় ভোর থেকে চারদিকে ঘন কুয়াশা ঢাকা পড়েছে। শীতের দাপটে মানুষের চলাচল কমে আসছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বেড়োচ্ছেনা।
এতে দিনমজুরসহ নিম্ন আয়ের মানুষজন বেশি বেকায়দায় পড়েছে। এছাড়াও যাত্রী না পেয়ে দুর্ভোগে পড়েছে ভ্যান ও রিকশাচালকরা। শীতে দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে-খাওয়া ছিন্নমূল মানুষ। শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকায় হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলায় সূর্যের দেখা মেলেনি। যে কারণে হিম বাতাসে সারাদিনই অনেক বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে।
স্থানীয় চা দোকানদার আবদুর রহিম (৪৫) বলেন, কয়েক দিন ধরে শীত বেশি পড়ছে। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকে সারাদিনেও দেখা যাচ্ছে না সূর্যের আলো। সারাদিনই ঠান্ডা বাতাসে শীতে কাবু করে তুলেছে। তাই এখন থেকে প্রচণ্ড শীত পড়া শুরু হয়েছে।
রিকশাচালক আবুল কাশেম বলেন, বাজারে লোকজন নেই। শীতের দাপটে বাইরে কেউ বের হচ্ছে না। এতে রিকশায় যাত্রী পাচ্ছি না। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের মতো ছিন্নমূল মানুষদের দুর্ভোগ বাড়বে।
কৃষক নুরুল আলম বলেন, পাঁচ দিন ধরে সূর্যের দেখা মেলেনি আমাদের এলাকায়। ধানের চারার জন্য ধান ছিটালেও কুয়াশার কারণে চারা গজাচ্ছে না। ফলে নির্দিষ্ট সময় জমির চাষাবাদ শুরু করা সম্ভব হবে না। কয়েকদিন ধরে একেবারেই সূর্যের আলো দেখা যাচ্ছে না। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে।
ফেনী আবহাওয়া অফিস জানায়, তাপমাত্রা গত কয়েক দিন ১১ থেকে ১২ ডিগ্রির ঘরে ওঠানামা করছে। এমন অবস্থা আরও দুই-তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে। সামনের দিনে তাপমাত্রা আরও নিচের দিকে নামা শুরু হবে। এখন শৈত্যপ্রবাহ বইছে। ফলে শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে তুলবে।
মন্তব্য করুন