শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০২৩, ০১:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পৌরসভার ময়লা ফেলা হচ্ছে নদীতে

শেরপুর পৌরসভার সব ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে নদীতে। ছবি : কালবেলা
শেরপুর পৌরসভার সব ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে নদীতে। ছবি : কালবেলা

শেরপুর পৌরসভার মীরগঞ্জ এলাকায় পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা মৃগী নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে দূষিত হচ্ছে নদীর পানি। ছড়িয়ে পড়ছে নানা রোগব্যাধি। দূষণে নদীর পানি ব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায় সমস্যা হচ্ছে নদীতীরবর্তী মানুষের। ময়লা আবর্জনার কারণে এলাকায় মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে গেছে।

পাখি, কুকুর-বিড়াল ও গরু-ছাগলসহ বিভিন্ন প্রাণীর মাধ্যমে এই পচা জীবাণু ছড়াচ্ছে মানুষের দেহে। ৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নিজস্ব আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেনেটারি ল্যান্ডফিল্ড থাকলেও এভাবে ময়লা ফেলে নদীসহ পরিবেশ দূষণে স্থানীয়রা পৌর কর্তৃপক্ষের খাম খেয়ালিপনাকে দায়ী করছেন অনেকে।

আজ শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শেরপুর পৌরসভার ময়লা ফেলার গাড়িগুলো ময়লা ফেলছে পৌরসভার মীরগঞ্জ এলাকায় মৃগী নদীর তীরে। সেই ময়লা গিয়ে পড়ছে নদীতে। কিন্তু গত বছর শহরের অষ্টমীতলায় ২.৭৬ একর জমির ওপর প্রতিদিন ১৫ টন বর্জ্য অপসারণ করার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া পৌরসভার বিভিন্ন অঞ্চলের ময়লা পানির ড্রেন নামিয়ে দেওয়া হয়েছে এই নদীতে। এতে দূষিত হচ্ছে নদীর পানি।

সুজন নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এই এলাকা দিয়ে দুর্গন্ধে চলাচল করা যায় না। বাড়ি ঘরে মশার উপদ্রবে বেড়ে গেছে। এ ছাড়া নদীর পানি নষ্ট হওয়াতে পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

শিক্ষার্থী রাব্বি আহমেদ বলেন, দুর্গন্ধে ঘরে বসে পড়ালেখা করতে পারি না। এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত না করে উল্টো পথে যাই স্কুলে।

এ ব্যাপারে শেরপুর পৌরসভার মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন বলেন, বিষয়টি আমি জানতাম না। শহরের পশ্চিম অংশের কিছু ময়লা সময় বাচানোর জন্য কেউ হয়তো ফেলে থাকতে পারে। তবে এখন থেকে পৌরসভার সকল ময়লা নির্ধারিত জায়গায় ফেলার ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান তিনি।

কালবেলা/এনএএস
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গাজীপুরে ৫৪টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার

আবেগঘন পোস্টে ভক্তদের যে বার্তা দিলেন মেসি

সড়কে হাঁটু পানি, কচুগাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ স্থানীয়দের

অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি, নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুট

হাসপাতালের পার্কিং না থাকলে কঠোর ব্যবস্থা: সিডিএ চেয়ারম্যান

দাবির প্রেক্ষিতে নয়, দায়িত্ববোধ থেকেই উন্নয়ন করছি: সিসিক প্রশাসক

বাড়ছে করতোয়ার পানি, আতঙ্কে আশ্রয়ণের শতাধিক পরিবার

একাধিকবার প্রবেশের সুযোগ দিয়ে ১ বছরের ওমরাহ ভিসা চালু করল সৌদি আরব

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ঢাবি শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ

আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি এবং একসঙ্গেই থাকব: প্রধানমন্ত্রী

১০

ডিবির হাতে গ্রেপ্তার ভাইরাল সেই রুনা 

১১

ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল, কারণ খুঁজতে মাঠে বিশেষজ্ঞ দল

১২

বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে দেশে ফিরল স্পেন, মাদ্রিদে লাখো মানুষের ঢল

১৩

ইউক্রেনে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, ৪ ভারতীয় নাবিক নিহত

১৪

রক্ত, আতঙ্ক আর দীর্ঘশ্বাসে লেখা ২১ জুলাই: যে দিন সাভারের আকাশ ভারী হয়েছিল কান্নায়

১৫

সংশোধন নয়, সংস্কারের মধ্যে দিয়ে নতুন সংবিধানের কথা বলেছিলাম আমরা : আখতার হোসেন 

১৬

নিবন্ধন পেল বাংলা পোস্ট

১৭

স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী

১৮

গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণ জানাল তিতাস

১৯

ডেঙ্গুর আর্থিক ক্ষতি বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা: ডা. মোসলেহ উদ্দীন

২০
X