জেলা প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:৪৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

চাঁদপুরে বাড়ছে শিশু রোগী : নাজুক চিকিৎসা ব্যবস্থা

চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল। ছবি : কালবেলা
চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল। ছবি : কালবেলা

আবহাওয়া ও ঋতু পরিবর্তনের কারণে চাঁদপুরে অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে ঠান্ডা, নিউমোনিয়া, জ্বরসহ নানা রোগে আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিন গড়ে শতাধিক আক্রান্ত শিশু ভালো চিকিৎসা সেবা পেতে ভর্তি হচ্ছে চাঁদপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে হাসপাতালে গেলে শিশুরোগীদের বেড পেতে মেঝেতেও চিকিৎসা নিতে দেখা যায়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, চলতি মাসের ১ থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৩৪ জন শিশুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ১৬১ জন শিশু রোগী চিকিৎসাসেবা নিয়ে বাড়িতে ফিরেছে। অন্যত্র রেফার্ড করতে হয়েছে ১৪ শিশুকে এবং আজকে এখন পর্যন্ত ভর্তি রয়েছে ১১৭ শিশু। এদের বেশিরভাগ রোগীই ছেলে শিশু।

শহরের আনন্দ বাজারের শিশু রোগী ফাহিম, শাহরাস্তির আইমান, হাজীগঞ্জের ওমর, ওসমান, গুয়াখোলার তৈয়বসহ বেশির ভাগ শিশুর বয়সই হচ্ছে শূন্য থেকে ২ বছর। তাদের অভিভাবকরা বলছেন, আমাদের শিশুদের ঠান্ডা, নিউমোনিয়া ও জ্বর বুজতে পেরে ভালো চিকিৎসা পেতে এখানে ভর্তি করিয়েছি। কিন্তু চরম সত্য হলো, এখানে পর্যাপ্ত সিট না থাকায় আমরা শিশু রোগীদের নিয়ে মারাত্মক ঝুঁকিময় সময় কাটাচ্ছি। কেননা মেঝের চারপাশে দুর্গন্ধ, ময়লা, বিড়ালের উৎপাত, মশাসহ নাজুক অবস্থা। শুনেছি অপুষ্টিতে আক্রান্ত ৩ শিশু রোগী গেল কয়েকদিনে এখানে মারা গেছে।

এ বিষয়ে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ.কে.এম মাহবুবুর রহমান বলেন, আমাদের এই হাসপাতালে শিশু রোগীর জন্য অনুমোদিত আসন রয়েছে মাত্র ৪২টি। তবুও রোগীর স্বজনরা এখানে আসলে আমরা আমাদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকি। আমরা তাদের শিশুদের যত্ম নিতে ওষুধের পাশাপাশি নানা ধরনের সচেতনতামূলক পরামর্শও দিচ্ছি। এ ছাড়াও হাসপাতালে ৪ থেকে ৭ দিন রাখার পাশাপাশি শিশুদের সার্বক্ষণিক তদারকিও করছি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইংল্যান্ডের দারুণ শুরু

ভারতে পাচার ৬ বাংলাদেশি নারীকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

আর্জেন্টিনা বিজয়ী হওয়ায় মাথা ন্যাড়া করলেন ব্রাজিলের সমর্থক

সীমান্তের শূন্যরেখায় অনিশ্চয়তায় ৯টি প্রাণ

স্বামীর হাত-পা-মুখ বেঁধে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণ’

ধর্ষণের পর মৃত্যু নিশ্চিত করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে আসামিরা

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে নেওয়া হচ্ছে দুই মেগা প্রকল্প

ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো পর্তুগালকে

একই দিনে চট্টগ্রামে দুই চাঞ্চল্যকর মামলার রায়

১০

‘বাজেট বা জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না’

১১

বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলে ভাইরাল সেই এমপির বাবা এখনো জীবিত

১২

সচেতনতা বাড়াতে সাতক্ষীরা কমিউনিটি গ্রুপের পোস্টারিং

১৩

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু 

১৪

ঝিনাইদহে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীর নাড়ি কেটে ফেলার অভিযোগ

১৫

টানা তিন মাস সেরা ডিএমপির মিরপুর বিভাগ

১৬

সিলেটে সীমান্তে উত্তেজনার মাঝেই মানবিকতা, ভারতীয় কৃষককে ফেরত দিল বিজিবি

১৭

স্কুল দখল ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এমপির বিরুদ্ধে 

১৮

মেসির বিতর্কিত ফাউল ও লাল কার্ড বিতর্ক, যা বলছে ফিফার নিয়ম

১৯

পুশইন ইস্যুতে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে : আইনমন্ত্রী

২০
X