খুলনা ব্যুরো
প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৭:১৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

খুলনায় চোখে-মুখে আঠা দিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

গ্রেপ্তারের প্রতীকী ছবি। গ্রাফিক্স কালবেলা
গ্রেপ্তারের প্রতীকী ছবি। গ্রাফিক্স কালবেলা

খুলনার পাইকগাছায় গৃহবধূকে (৪৫) ধর্ষণ ও লুটের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আব্দুস সামাদ (৫০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পাইকগাছা থানার ওসি ওবাইদুর রহমান বলেন, ওই গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে ধর্ষণ ও এ ঘটনায় অজ্ঞাতমানা ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ওই গৃহবধূর প্রতিবেশীরা হাত-পা বাঁধা ও চোখে-মুখে আঠা লাগানো অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে চিকিৎসকরা তার চোখ ও মুখের আঠা অপসারণ করেন। ধর্ষণের আলামত সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন।

মামলার এজাহার বাদী উল্লেখ করেছেন, আমি কাঁচামালের ব্যবসা করি। গত ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে কাঁচামাল নিয়ে পাইকগাছা থানাধীন গড়ইখালী হাটে যাই। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টার দিকে আমার এক প্রতিবেশী মোবাইলে ফোন করে জানান, আমার স্ত্রী অচেতন, রক্তাক্ত, চোখে ও মুখে আঠা জাতীয় পদার্থ লাগানো, ওড়না দিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শোবার ঘরের বিছানার ওপর থেকে প্রতিবেশী লোকজন উদ্ধার করেছে। বাড়ি এসে উপস্থিত লোকজনের কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে পারি। পরে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে আমার স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি।

এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাঝে মাঝে তার জ্ঞান ফিরলে তার কাছ থেকে জানতে পারি, গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টার দিকে অজ্ঞাতনামা ২ থেকে ৩ জন লোক যে কোনো উপায়ে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করলে আমার স্ত্রী কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই তারা আমার স্ত্রীকে একটি ওড়না দ্বারা হাত-পা বেঁধে হত্যার ভয় দেখিয়ে তার কানে থাকা এক জোড়া স্বর্ণের রিং, ১০ হাজার টাকা জোরপূর্বক টান দিয়ে কান ছিড়ে রক্তাক্ত জখম করে নিয়ে নেয়। আমার স্ত্রীর ভ্যানিটি ব্যাগের মধ্যে থাকা ১১ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। তারা আমার স্ত্রীর একটি হলুদ রঙের আইটেল বাটন মোবাইল ফোন নিয়ে নেয়। দস্যুরা আমার স্ত্রীর দুই চোখে ও মুখে সুপার গ্লু জাতীয় আঠা দেয় এবং অন্য একটি উড়না দিয়ে চোখ-মুখ বেঁধে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করাসহ শারীরিক নির্যাতন করে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ইউনিট-২ এর সহকারী রেজিস্ট্রার চিকিৎসক মো. কনক হোসেন বলেন, ওই রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তিনি স্বাভাবিক কথাবার্তা বলছেন এবং খাবারও খাচ্ছেন। আপাতত বড় ধরনের ঝুঁকি আমরা দেখছি না।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হাসপাতালের পার্কিং না থাকলে কঠোর ব্যবস্থা: সিডিএ চেয়ারম্যান

দাবির প্রেক্ষিতে নয়, দায়িত্ববোধ থেকেই উন্নয়ন করছি: সিসিক প্রশাসক

বাড়ছে করতোয়ার পানি, আতঙ্কে আশ্রয়ণের শতাধিক পরিবার

একাধিকবার প্রবেশের সুযোগ দিয়ে ১ বছরের ওমরাহ ভিসা চালু করল সৌদি আরব

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ঢাবি শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ

আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি এবং একসঙ্গেই থাকব: প্রধানমন্ত্রী

ডিবির হাতে গ্রেপ্তার ভাইরাল সেই রুনা 

ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল, কারণ খুঁজতে মাঠে বিশেষজ্ঞ দল

বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে দেশে ফিরল স্পেন, মাদ্রিদে লাখো মানুষের ঢল

ইউক্রেনে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, ৪ ভারতীয় নাবিক নিহত

১০

রক্ত, আতঙ্ক আর দীর্ঘশ্বাসে লেখা ২১ জুলাই: যে দিন সাভারের আকাশ ভারী হয়েছিল কান্নায়

১১

সংশোধন নয়, সংস্কারের মধ্যে দিয়ে নতুন সংবিধানের কথা বলেছিলাম আমরা : আখতার হোসেন 

১২

নিবন্ধন পেল বাংলা পোস্ট

১৩

স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণ জানাল তিতাস

১৫

ডেঙ্গুর আর্থিক ক্ষতি বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা: ডা. মোসলেহ উদ্দীন

১৬

বাজার থেকে আরও ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

১৭

ইসলামোফোবিয়া প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়া সরকারের উদ্যোগ

১৮

ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের ৫ কারণ 

১৯

কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও ২ শ্রমিকের মৃত্যু

২০
X