সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৪২ পিএম
আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৪৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বায়রার ফখরুলকে ‎ছেড়ে দেওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব

ফখরুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত
ফখরুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

মানবপাচার ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তারের পর জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠনের (বায়রা) সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলামকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার কারণ জানতে চেয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে (আইও) তলব করেছেন আদালত।

বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন।

আদেশে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির হয়ে ছেড়ে দেওয়ায় কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

ফখরুলকে গ্রেপ্তার ও ছেড়ে দেওয়াসংক্রান্ত ‎সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে বাদীর একটি আবেদনের শুনানির পর বিচারক এ আদেশ দিয়েছেন। আদালতে বাদীপক্ষে আব্দুল খালেক মিলন, সুমন ভুইয়া ও জিল্লাল হোসেন প্রমুখ আইনজীবী শুনানি করেন।

এর আগে গত সোমবার রাতে বিদেশ থেকে ফেরার সময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ফখরুলকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বনানী থানা থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মামলা সম্পর্কে জানা যায়, বায়রার সাবেক নেতা ফখরুল ইসলাম এবং তার সহযোগী জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে মানবপাচার ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ৪ নভেম্বর বনানী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। আরইউএল ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং পার্টনার মো. রুবেল হোসেন এই মামলাটি করেন। যেখানে প্রায় তিন কোটি দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।

‎‎এজাহারে বাদী রুবেল হোসেন উল্লেখ করেন, ফখরুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন তাকে মালয়েশিয়ার নিউ ভিশন গ্রিন ল্যান্ড এসএনডি, চাই চাং ফুড ইন্ডাস্ট্রি এসএনডিসহ ভালো ভালো কোম্পানিতে শ্রমিক পাঠানোর মিথ্যা আশ্বাস দেন। মৌখিক চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২৭ মে ৫৫ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় প্রেরণের জন্য কর্মী প্রতি পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে নগদ মোট তিন কোটি দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা তিনি আসামিদের হাতে তুলে দেন।

এজাহারে বলা হয়, এরপর আসামিরা মোট ২৮ জন কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠালেও চুক্তি মোতাবেক কোম্পানিতে কাজ না দিয়ে তাদের অন্য জায়গায় নিয়ে আটকে রাখে, ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্যাতন করে এবং পুনরায় টাকা দাবি করে। বাদীর চাপের মুখে শ্রমিকদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হলেও আসামিরা কাজের ব্যবস্থা করে দিতে পারেনি।

এজাহারে আরও বলা হয়, বর্তমানে আসামিদের কাছে বাদীর পাঠানো ২৮ জন কর্মীর সমস্যা সমাধান বা তাদের দেশে ফেরত আনার খরচ বাবদ এবং অন্যদের জন্য জমা দেওয়া আরও ১ কোটি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। আসামিরা সেই টাকা ফেরত না দিয়ে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আগেও প্রতারণা ও মানবপাচার আইনে মামলা হয়েছিল এবং তিনি আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে পার পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আজ রাতে তেহরান পুড়বে : বেন-গাভির

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইসরায়েলজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি

ভূমিকম্পের সময় যে দোয়া পড়বেন

বাসচালককে মারধর ও ছাত্রদল কর্মীকে কোপানোর অভিযোগ  

দেশের যেসব জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল যেখানে

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

খেলতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই শিশুর

চা শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি

আরও বাড়ল ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়

লেবাননে হামলা অব্যাহত থাকলে আবারও যুদ্ধে নামব : ইরান

১০

‘বিশ্ব এলপিজি দিবস-২০২৬’ উদযাপন করল ফ্রেশ এলপি গ্যাস

১১

আর্জেন্টিনা যেন মিনি হাসপাতাল!

১২

বিশ্বকাপ এলেই রং বদলান নেইমার

১৩

রামিসা হত্যাকাণ্ডের রায়ে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ পড়লেন জামায়াত আমির

১৪

সাতক্ষীরা পৌর নির্বাচনে নতুন সমীকরণ, আলোচনায় নাসিম ফারুক খান মিঠু

১৫

বিশ্বকাপে সেদিন আবির্ভাব হয়েছিল এক ‘ফুটবল দেবতার’, নাম তার ম্যারাডোনা

১৬

লাশ নিয়ে থানা ঘেরাও, এস আই প্রত্যাহার

১৭

বাজেট ২০২৬-২৭ / মানবসম্পদ উন্নয়নের রূপরেখা চান বিশেষজ্ঞরা

১৮

সেই তিন ভাইয়ের অ্যাকাউন্টে জমা হলো ১২ লাখ টাকা

১৯

চমেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা, ইনডোর ও আউটডোর শাটডাউনের হুঁশিয়ারি

২০
X