কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৩, ০৫:২৭ পিএম
আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২৩, ০৫:৩৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় শিক্ষক ফোরামের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

জাতীয় প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন করছে জাতীয় শিক্ষক ফোরাম ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ শাখা। ছবি : কালবেলা
জাতীয় প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন করছে জাতীয় শিক্ষক ফোরাম ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ শাখা। ছবি : কালবেলা

ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে আগামীকাল শনিবার (৫ আগস্ট) সারা দেশে জেলায় জেলায় মানববন্ধন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় শিক্ষক ফোরাম।

শুক্রবার (৪ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় শিক্ষক ফোরাম ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ শাখা আয়োজিত মানববন্ধনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

জাতীয় শিক্ষক ফোরাম ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা এ বি এম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ নেছার উদ্দিন, মো. আমির হোসেন, ড. মাসুম রব্বানি, হাবিবুর রহমান, কামরুল ইসলাম শিশির, মু. ইলিয়াস হোসাইন মাদারীপুরী, মাস্টার মোহাম্মদ হোসেন ও আনিসুর রহমান প্রমুখ।

আরও পড়ুন : প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি শুরু

জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি আধ্যাপক নাসির উদ্দিন খান বলেছেন, দেশের সাড়ে পাঁচ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সঙ্গে সরকার বিমাতাসুলভ আচরণ করছে। অথচ বেসরকারি শিক্ষকরাই শিক্ষার ৯৬ ভাগ দায়িত্ব পালন করছে। মাত্র ৪ ভাগ দায়িত্ব পালনকারীদের যত সুযোগ-সুবিধা। এ পাহাড়সম বিরাজমান বৈষম্য দূর করা সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। আর একমাত্র সমাধান হচ্ছে জাতীয়করণ।

আর এই জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় শিক্ষক ফোরাম আগামীকাল ৫ আগস্ট সারা দেশে জেলায় জেলায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে, বলেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা এ বি এম জাকারিয়া বলেন, দেশের মাত্র ৭ হাজার ৪৫৩টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা রয়েছে। তার মধ্যে অনুদানভুক্ত রয়েছে মাত্র ১ হাজার ৫১৯টি। যারা নামমাত্র অনুদান পাচ্ছেন। ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী ২৬ হাজার রেজিস্ট্রার্ড প্রাইমারি জাতীয়করণ করেন। অথচ ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণ তো দূরের কথা অনুদানভুক্তও হয়নি। ফলে ইবতেদায়ি শিক্ষকরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। মাদ্রাসা শিক্ষা অস্তিত্ব সংকটে পড়ছে। তাই ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া দেওয়া হয় মাত্র ১ হাজার টাকা যা হাস্যকর ও অযৌক্তিক। সরকারি শিক্ষকদের ন্যায় ৪০ শতাংশ ভাগ করতে হবে।

নেতারা বলেন, আগামী প্রজন্মকে মাদক দুর্নীতি ও কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার বিকল্প নেই। তাই শিক্ষার সর্বস্তরে ধর্ম শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঢাবির নাটমণ্ডলে মঞ্চায়িত হচ্ছে থিয়েটার বিভাগের নাটক ‘সিদ্ধান্ত’

টিআইবির ফেলোশিপ পেলেন সাংবাদিক সজিবুর রহমান

রংপুরে এরিক ও বিদিশার ওপর হামলার অভিযোগ

বইমেলার সময় বাড়ল

রিহ্যাব নির্বাচনে ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের নিরঙ্কুশ জয়

৬ মাস বিশ্ববাজারে পেট্রোল বিক্রি করবে না রাশিয়া

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২০

গাধা বেচবে চিড়িয়াখানা

রাজধানীতে ৬ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা

হকিতে মেরিনার্স-আবাহনীর সহজ জয়

১০

ভিনদেশের মোহ কেটেছে জামালের! 

১১

পানগাঁও আইসিটিকে মুখ থুবড়ে পড়তে দেওয়া যাবে না : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

১২

বিপিএম পদকে ভূষিত হলেন মো. শাহ আলম

১৩

পুলিশের ৪০০ সদস্যকে পদক পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৪

প্রথমবারের মতো ওয়াটার রকেট উৎক্ষেপণ ঢাবি আইটি সোসাইটির

১৫

ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

১৬

খেজুর ভেজানো পানি খেয়ে বেঁচে আছে গাজার শিশুরা

১৭

টাইগারদের ব্যাটিং ও বোলিং কোচ হলেন যারা

১৮

বিপিএম পদকে ভূষিত হলেন মো. মাজহারুল ইসলাম

১৯

বিপিএম পদক পেলেন তওফিক মাহবুব চৌধুরী

২০
X