কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৪:১৪ পিএম
আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৪:২৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মিজানুর রহমান আজহারীকে ফেসবুকে তুলাধুনা

মিজানুর রহমান আল আজহারী। ছবি : সংগৃহীত
মিজানুর রহমান আল আজহারী। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিন-ইসরায়েল ইস্যুতে দুই ভাগে বিভক্ত বিশ্বনেতারা। বিশেষ করে ইসরায়েলি হামলার কড়া সমালোচনা করছেন বিশ্বের মুসলিম নেতারা। এমন পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী সংগঠন নিয়ে বিতর্কিত টুইট করে তোপের মুখে পড়েছেন ইসলামী বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। একজন ইসলামী বক্তা হিসেবে তার এমন পোস্ট ভালোভাবে নেননি তার ভক্তরা। এ ঘটনায় তাকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

যদিও পরে নিজের ফেসবুক পেজে এ নিয়ে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন আজহারি। তবে সেখানেও নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়তে হয়েছে খ্যাতনামা এই ইসলামী বক্তাকে। এ সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন মিজানুর রহমান আল আজহারী। বলেন, প্রশ্নাতীতভাবে ফিলিস্তিন ইস্যু আমাদের হৃদয়ের ইস্যু, ইমানের ইস্যু। আমরণ আমরা হৃদয়ে আকসাকে ধারণ করে যাব ইনশাআল্লাহ।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি টুইট করেন মালয়েশিয়াপ্রবাসী জনপ্রিয় বক্তা মিজানুর রহমান আল আজহারী। সেখানে উভয় পক্ষের নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে সহিংসতার সমালোচনা করেন তিনি। আজহারীর এমন মন্তব্যে ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনেক সমর্থক। তারা ধরেই নেন, গেল ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভেতরে ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা অপারেশন আল আকসা ফ্লাড নামের যে অভিযান পরিচালনা করেছিলেন, তার সমালোচনা করেছেন আজহারি। যা মেনে নিতে পারছেন না তার ভক্তরা। কারণ সরাসরি না বললেও মোটাদাগে আজহারির টুইটের অর্থ দাঁড়ায়, নিরপরাধ মানুষের জীবনকে হুমকিতে ফেলার জন্য ফিলিস্তিনিদের ওই হামলা দায়ী।

উভয় পক্ষের যে কোনো সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান আজহারি। একই সাথে অবিলম্বে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির দাবিও জানান তিনি। মুসলমান ও ইহুদিদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের চাবিকাঠি বলেও টুইটে উল্লেখ করেন এই ইসলামী বক্তা।

আজহারির টুইটের পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেন শুরু হয় সমালোচনায় ঝড়। ওই টুইটকে ইসরায়েলের মতবাদ প্রচারের ইঙ্গিত বলে গণ্য করেন সমালোচকরা। জনপ্রিয় এক লেখক প্রশ্ন তুলেছেন, ‘আজহারি সাহেব কি মাদখালিজমের দীক্ষা নিয়েছেন? নাকি ইসরায়েলি লবির কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন?’ ফেসবুকে আরেকজন লেখেন, একজন ব্যক্তির ভেতরকার সত্যিকার চরিত্র বা ব্যক্তিত্ব কোনো না কোনো সময়ে প্রকাশিত হবেই। অপর একজন ফেসবুকে লেখেন, আজহারীর উত্থান ধর্ম-ব্যবসায়ী হিসেবে। কেউ কেউ আবার তাকে সুবিধাবাদী বলেও মন্তব্য করেন।

এদিকে, এক্সে সমালোচনার মুখে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন মিজানুর রহমান আজহারী। সেখানে তিনি জানান, ব্যক্তিগতভাবে তিনি কখনো টুইটার চালান না। তিনি শুধু তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ চালান। বিতর্কিত ওই টুইটকে মিসলিডিং দাবি করে সেটি ডিলিট করতে বলেন তিনি। এ সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন মিজানুর রহমান আল আজহারী।

তবে এই ব্যাখ্যারও সমালোচনা করতে দেখা গেছে নেটিজেনদের। এমন ভুল আর যাতে না হয, সেজন্য ইসলামী এই বক্তাকে সতর্ক থাকার পরামর্শও দিয়েছেন কেউ কেউ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মিশিগানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাংলাদেশি বাবা-মেয়ের

মডেল মৌকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

দুর্ভিক্ষ থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে গাজার ৬ লাখ মানুষ : জাতিসংঘ

অজানা রোগে ৪ দিনে ৮ গরুর মৃত্যু

এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, কারাগারে দুই শিক্ষক

ফরাসি অভিনেতার বাড়িতে মিলল ৭২টি বন্দুক

সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যদের শপথ বিকেলে

নিলাম ছাড়াই সরকারি ব্যারাকের ঘর ভেঙে নিলেন ইউপি সদস্য

ঢাকা আইনজীবী সমিতির ভোটগ্রহণ শুরু 

১০

মৌলভীবাজারে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত

১১

নিয়োগ দিচ্ছে মেঘনা গ্রুপ

১২

তামিম নাকি সাকিব, ফাইনালে খেলবে কে

১৩

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৭টি পদে নেবে ১৮১ জন 

১৪

ব্রিজ থেকে নদীতে পড়ল বাস, নিহত ৩১

১৫

লিপ ইয়ার নিয়ে যেসব তথ্য জানলে অবাক হবেন

১৬

আমের মুকুলে মিষ্টি সুবাস

১৭

ঢাকার যেসব এলাকায় আজ ১৫ ঘণ্টা গ্যাস থাকছে না 

১৮

ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন মৃৎশিল্পীদের

১৯

মধ্যপ্রাচ্যে টিকে থাকতে ইসরায়েলকে যা করতে বললেন বাইডেন

২০
X