

প্রথম টেস্টের মতো দ্বিতীয় টেস্টেও রান পাহাড়ের দিকেই এগোচ্ছিল লঙ্কানরা। প্রথম দুই উইকেটের পর তৃতীয় উইকেট জুটিতেও যখন বড় সংগ্রহের দিকে ধাবিত হচ্ছে লঙ্কানরা তখনই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকার আঘাত।
অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে নিয়ে বড় জুটির দিকে এগোচ্ছিলেন নার্ভাস নাইন্টিতে থাকা কুশল মেন্ডিস। তবে নার্ভাস নাইন্টিকে সেঞ্চুরিতে রূপান্তরিত করতে পারলেন না তিনি। ইনিংসের ৭২তম ওভারের সাকিবের বলে প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো মেহেদী হাসান মিরাজের কাছে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি। ৯৩ রান করা মেন্ডিস ফেরায় ভাঙে ৫৩ রানের তৃতীয় উইকেট জুটি। এরপরে অবশ্য বাংলাদেশকে আবারও আনন্দের উপলক্ষ এনে দিয়েছেন অভিষিক্ত হাসান। ফিরিয়েছেন ম্যাথিউসকে।
৮০তম ওভারে নতুন বলে করা তার ওভারে স্লিপে মিরাজের কাছে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ম্যাথিউস।
৮২ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৯১ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কা। ২৬ রান নিয়ে উইকেটে আছেন দীনেশ চান্দিমাল। অপর প্রান্তে সদ্য এসে যোগ দিয়েছেন লঙ্কান দলপতি ধনঞ্জয় ডি সিলভা।
ম্যাচের শুরুতে টেস্টে অভিষিক্ত হাসান মাহমুদ একাধিক সুযোগও তৈরি করলেও বাজে ফিল্ডিংয়ে অভিষেক উইকেটটি আসেনি। ইনিংসের ৬ষ্ঠ ওভারে তার করা বলে মাহমুদ হাসান জয় সহজ ক্যাচটি ছাড়েন।
প্রথম সেশনে আরও একবার সুযোগ তৈরি করেছিলেন তবে ইনিংসের ২২তম ওভারে শেষ ডেলিভারিতে সাকিব সীমানা থেকে খানিকটা সামনে থাকায় ক্যাচটি নিতে পারেননি।
প্রথম সেশনে তাই উইকেটশূন্য থেকেই লাঞ্চ বিরতিতে যেতে হয় স্বাগতিকদের।
বিরতির পর ফিল্ডারদের কল্যাণেই প্রথম উইকেটের দেখা পায় স্বাগতিকরা।
ইনিংসের ২৯তম ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজের বল কাভারে খেলেছিলেন করুনারত্নে। এক রান পূর্ণ করার পর দ্বিতীয় রানের জন্য ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন মাদুস্কা। কিন্তু করুনারত্নে সাড়া দেননি। হাসানের দুর্দান্ত থ্রোতে লিটন দাস উইকেট ভাঙার আগে ফেরত যেতে পারেননি মাদুশঙ্কা। তাতে ৫৭ রানে আউট হন এই ওপেনার।
প্রথম সেশনে জীবন পাওয়া করুনারত্নে এগোচ্ছিলেন সেঞ্চুরির পথেই। একই সঙ্গে শ্রীলংকাও হাঁটছিল বড় সংগ্রহের পথে। ৫৬তম ওভারে এই ওপেনারকে থামালেন হাসান মাহমুদ। এই ডানহাতি পেসারের করা অফ স্টাম্পের বাইরের লেংথ বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে ইনসাইড এডজে বোল্ড হয়েছেন করুনারত্নে। ৮৬ রান করে এই ওপেনার ফেরায় ভাঙলো ১১৪ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি। এটি হাসানের প্রথম টেস্ট উইকেট। এই সেশনে দুই উইকেট তুলতে পারায় কিছুটা হলেও স্বস্তি ফেরে টাইগার শিবিরে।