কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৬:৫৩ পিএম
আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৭:০৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘নারীর প্রতি সহিংসতার ভিন্নমাত্রা যুক্ত হয়েছে পাঠকের মন্তব্য ঘরে’

এবিএম মূসা-সেতারা মূসা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ছবি : কালবেলা
এবিএম মূসা-সেতারা মূসা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ছবি : কালবেলা

স্মারক বক্তৃতায় ড. কাবেরী গায়েন বলেন, নারীর ইমেজ নির্মাণে প্রিন্ট মিডিয়া অনেক সূক্ষ্ম কৌশলী। সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদপত্রগুলো মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতার দিকে ঝুঁকেছে। সেখানে নারীর প্রতি সহিংসতার ভিন্নমাত্রা যুক্ত হয়েছে পাঠকের মন্তব্য ঘরে। যুক্ত হয়েছে অনলাইন পোর্টাল নামের বিভীষিকাময় ক্লিক-বেইট সাংবাদিকতা, যা অনেক ক্ষেত্রেই নারীকে ধরাশায়ী করার উপায় ও উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ‘গণমাধ্যমে জেন্ডার পরিসর : নারীর নির্মিতি এবং নারীর অংশগ্রহণ’ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলমিস্ট এবিএম মূসার ৯৩তম ও বাংলাদেশ নারী সাংবাদিকতার অন্যতম অগ্রদূত সেতারা মূসার ৮৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার সকালে এবিএম মূসা-সেতারা মূসা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এবিএম মূসা-সেতারা মূসা আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম দৈনিক ও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক পত্রিকা দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক। দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেককে ক্রেস্ট তুলে দেন সাংবাদিক পারভীন সুলতানা ঝুমা।

সম্মাননা প্রাপ্তিতে দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, সত্যকে প্রতিষ্ঠায় অনেক বাধা আসে। এসব বাধা অতিক্রমের সাহস এবিএম মুসার ছিল। পাকিস্তান আমলে সাংবাদিকতায় অনেক বেড়াজাল ছিল। সেসব উতরে গেছেন এবিএম মূসা। তার নামে চালু হওয়া পুরস্কার আমাকে দেওয়া হলো তাতে আমি খুবই গৌরবান্বিত। যত পুরস্কার পেয়েছি এটিই আমার কাছে সবচেয়ে সম্মানের।

সভাপতির বক্তব্যে দৈনিক আজকের পত্রিকার সম্পাদক ড. গোলাম রহমান বলেন, সাংবাদিক এবিএম মূসা গণতান্ত্রিক মানসিকতার একজন মানুষ ছিলেন। তার কলামগুলো ছিল অসাধারণ।

নিউজ টোয়েন্টিফোরের বার্তা সম্পাদক শাহনাজ মুন্নী বলেন, নারী সাংবাদিকতায় অনেকে টিকে আছেন, আবার অনেকে ঝরে পড়ছেন। নারী সাংবাদিকদের অবস্থান পরিবর্তনে দীর্ঘ সাংস্কৃতিক আন্দোলন দরকার। বিশেষ করে মিডিয়া জগতের মালিক থেকে শুরু করে নীতিনির্ধারক নারীদের পথ চলার পথটি সুগম করতে হবে। অন্যথায় আমরা যতই বলি নারী-পুরুষের বৈষম্য মিডিয়াতে দূর করা দরকার, সেটি কঠিন হয়ে যাবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের সঞ্চালনায় ট্রাস্টের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শারমিন মূসা। আলোচনায় অংশ নেন ফেনীর-১ আসনের এমপি আলাউদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী নাসিম, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক সীমা মোসলেম, সাংবাদিক কুররাতুল-আইন-তাহমিনা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক শহীদুল্লাহ রিপন, অধ্যাপক ড. শামীম রেজা প্রমুখ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সাতসকালে বোমা বিস্ফোরণ, প্রাণ গেল একজনের

কেমন থাকবে আজ ঢাকার আবহাওয়া

রাজশাহীর ৬ আসনে হলফনামা / ‘ধার ও দানের’ টাকায় নির্বাচন করবেন ৮ প্রার্থী

মানসিক সক্ষমতা ধরে রাখার ৪ কার্যকর অভ্যাস

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

আবারও বিশ্বসেরা আফগানিস্তানের জাফরান

আজ থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নিহত

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে তেঁতুলিয়া

বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

১০

আকিজ গ্রুপে বড় নিয়োগ

১১

বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

১২

৮ জানুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি

১৩

মুরাদনগরে ঝাড়ু মিছিল

১৪

নওগাঁয় বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

১৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই হলের নাম পরিবর্তন

১৬

সাবেক ছাত্রদল নেতার ওপর দফায় দফায় হামলার অভিযোগ

১৭

জবির হল সংসদে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা সমর্থিত প্যানেলের জয়

১৮

বিজয়ী হয়ে যা বললেন রিয়াজুল

১৯

সুখবর পেলেন বিএনপি নেত্রী রাহেনা

২০
X