কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৪, ১০:০৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ২০

হামলায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি নাগরিক। ছবি : সংগৃহীত
হামলায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি নাগরিক। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের রাফাহ এবং গাজা উপত্যকার কেন্দ্রীয় অংশে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে দাবি গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) ভোরে গাজার রাফা শহরের মিশরীয় সীমান্তের দক্ষিণে প্রায় এক লাখের অধিক ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানকার বেশ কয়েকটি বাড়ি এবং অ্যাপার্টমেন্টে হামলা চালানো হলে ১৪ জন নিহত ছাড়াও অনেকে আহত হয়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা আরও জানান, গাজার মধ্য উপত্যকার আল-নুসিরাত শরণার্থী শিবিরের একটি বাড়িতেও বিমান হামলা চালানো হয়। সেখানে অন্তত আরও ছয়জন নিহত হয়েছে বলে বলে জানা গেছে।

গাজা শহর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে মধ্য গাজার একটি শহর দেইর আল-বালাহতে বজ্রপাতের সঙ্গে রয়েছে বিস্ফোরণের শব্দ। বৃষ্টি বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর দুর্দশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শাবান আবদেল-রউফ একটি চ্যাট অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বলেছেন, অবস্থা এমন যে বজ্রপাত এবং বোমা হামলার শব্দের মধ্যে পার্থক্য করতে পারছি না।

তিনি আরও বলেন, আমরা এক সময় বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করতাম এবং দেরি হলে স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করতাম। অথচ আজ আমরা প্রার্থনা করি যাতে বৃষ্টি না হয়। কারণ বৃষ্টি হলে বাস্তুচ্যুত মানুষের অনেক কষ্ট হবে।

এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরও বলেন, সোমবার (১৮ মার্চ) কাতারে ইসরায়েলি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনা আবার শুরু হওয়ার কথা ছিল। আমরা কাতার থেকে সুসংবাদের অপেক্ষায় আছি। কি হবে এবার? শুধু কি একটি চুক্তি সীল? নাকি অন্য কিছু! গাজায় দুই লাখের বেশি মানুষ তার জন্য অপেক্ষা করে আছে।

উল্লেখ্য, গাজা যুদ্ধের ৭ মাস অতিবাহিত হতে চলছে। গত ৭ অক্টোবর হামাস যোদ্ধারা প্রথমে ইসরায়েলে হামলা চালায়। এতে ইসরায়েলের অন্তত ১২শ লোক নিহত হয় এবং ২৫৩ জন ইসরায়েলকে জিম্মি করে হামাস। তারপর থেকে ইসরায়েলের আক্রমণে অন্তত ৩১ হাজরেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানান ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রমজানের আগেই এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিকের আশ্বাস

বিইউবিটিতে স্প্রিং সেশনের নবীনবরণ অনুষ্ঠান

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক ও আরএসএ অ্যাডভাইজরির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

প্রবাসীর বাসায় পোস্টাল ব্যালট গণনার বিষয়টি সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে : নুরুদ্দিন অপু ‎ ‎

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি

ক্যারিবীয়ান সাগরে আবারও ট্যাংকার জব্দ

ভবিষ্যৎ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছি আমরা : ভারতীয় সেনাপ্রধান

১৬ মাসের শিশুকে নদীতে ছুড়ে ফেলে থানায় গেলেন মা

আসন বণ্টন শেষে ইসলামী আন্দোলন নিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১০

১১ দলীয় জোটের আসন বণ্টন, ইসলামী আন্দোলন নিয়ে যে সিদ্ধান্ত

১১

তারেক রহমানের নির্দেশে সরে যাচ্ছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী 

১২

ঢাকা ওয়াইএমসিএ-এর নতুন প্রেসিডেন্ট ‘ড্যানিয়েল নির্মল ডি কস্তা’

১৩

শাকসু নির্বাচনের অনুমতি দিল ইসি

১৪

হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আঁচড় লাগলে প্রতিরোধ করা হবে : ড. ফরিদুজ্জামান 

১৫

কেন কেঁদেছিলেন শাহরুখ কন্যা?

১৬

প্রকাশ্যে ধূমপান করায় জরিমানা

১৭

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা, গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপীয়দের সৈন্য সমাবেশ শুরু

১৮

খেলাধুলা নেতৃত্ব বিকাশের অন্যতম হাতিয়ার : সালাউদ্দিন বাবু

১৯

বিপিএল বন্ধ, কে দেবে ৪০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ?

২০
X