কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৫, ০৬:১৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গুহা থেকে উদ্ধার ভিনদেশি মা, সন্তানদের নিয়ে রহস্য

নিনাকে উদ্ধারকালের দৃশ্য। ছবি : সংগৃহীত
নিনাকে উদ্ধারকালের দৃশ্য। ছবি : সংগৃহীত

ভারতের কর্নাটকের পাহাড়ি এলাকা গোকর্ণের একটি গুহায় বাস করছিলেন নিনা কুটিনা নামের এক নারী। তার বয়স ৪০ বছর। একই গুহায় ছিলেন তার দুই কন্যা সন্তানও। একজনের বয়স ছয়, অন্যজনের পাঁচ। তবে সমস্যা হলো তারা কেউই ভারতীয় নন। তাদের সাথে নেই ভারতে বসবাসের বৈধ নথিপত্র। উদ্ধারের পর নিনা যে তথ্য দিয়েছেন বাস্তবে তার অনেক ফারাক। ফলে গুহাবাসী এ নারীকে নিয়ে রহস্য দানা বাঁধছে।

গত ৯ জুলাই দুর্গম পার্বত্য এলাকায় টহল দেওয়ার সময় তাদের সন্ধান পায় পুলিশ। প্রশাসন জানিয়েছে, রামতীর্থ পাহাড়ের জঙ্গল থেকে পাওয়া নিনা কুটিনা ও তার দুই মেয়ের ভারতে থাকার বৈধ কাগজপত্র নেই। বর্তমানে তারা বেঙ্গালুরুর কাছে একটি বিদেশিদের আটক কেন্দ্রে রয়েছেন এবং শিগগিরই তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

তবে দিন যত যাচ্ছে মা ও দুই মেয়েকে ঘিরে রহস্য ততই বাড়ছে। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিনা কুটিনা অবশ্য জানিয়েছেন, গুহায় তিনি ও তার সন্তানরা সুখেই ছিলেন এবং প্রকৃতির কারণে তাদের স্বাস্থ্যও ভালো আছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা সেখানে মরতে যাইনি, আমি আমার সন্তানদের, আমার মেয়েদের জঙ্গলে মরে যাওয়ার জন্য নিয়ে যাইনি। তারা খুব সুখী ছিল, ঝরনায় সাঁতার কাটত, শোয়ার জন্য খুব ভালো জায়গা ছিল, শিল্পকলা শিখত- মাটি দিয়ে কিছু বানাতাম, ছবি আঁকতাম, ভালো খেতাম, আমি খুব সুস্বাদু খাবার রান্না করতাম।’

বনাঞ্চলে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসের ধারণাকেও অস্বীকার করেন নিনা কুটিনা। তার মতে, প্রকৃতি তাদের বন্ধু। বিপদ মানুষের থেকেই আসে।

এদিকে নিনার দুই মেয়ের বাবাকে খুঁজে পেয়েছেন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। তার নাম ড্রোর গোল্ডস্টেইন। তিনি একজন ইসরায়েলি ব্যবসায়ী।

ড্রোর এখন ভারতেই আছেন। কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেছেন। কিন্তু তার বক্তব্যেও রহস্য উম্মোচন হয়নি। ফলে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হচ্ছে। তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা নিনার পুরোনো একটি পাসপোর্ট খুঁজে পান। মেয়াদোত্তীর্ণ সেই পাসপোর্টের তথ্য বিশ্লেষণ করে নিনার ভারতে আগমন এবং পরবর্তী কাণ্ডের সুরাহা করার চেষ্টা চলছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২৪-০ গোলে জিতল ঋতুপর্ণারা

ডাকসু নেতার ‘কোটা না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’

বাংলাদেশের প্রস্তাবে সাড়া দিল না আয়ারল্যান্ড

জামালপুরের একমাত্র নারী প্রার্থী পূথির মনোনয়ন বৈধ

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

১০

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

১১

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

১২

একুশ শতাব্দীতে যে কীর্তিতে দ্বিতীয় দ্রুততম এমবাপ্পে

১৩

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর

১৪

খালেদা জিয়ার কফিন বহনের সুযোগ পেয়ে যাদের কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১৫

ডার্বিতে সিটিকে গুঁড়িয়ে দিল ইউনাইটেড! 

১৬

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ জনের

১৭

দুর্দান্ত শুরুর পরও জিততে পারল না বাংলাদেশ

১৮

থানায় আগুন, পুড়ল সাংবাদিকের মোটরসাইকেল

১৯

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নীতিগত সমন্বয় ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান 

২০
X