কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ নভেম্বর ২০২৩, ০৬:৫৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘রোগীদের হাসপাতাল থেকে সরিয়ে দেওয়া আরেকটি যুদ্ধাপরাধ’

গাজার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা। ছবি : এএফপি
গাজার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা। ছবি : এএফপি

গাজার সবচেয়ে বড় চিকিৎসাকেন্দ্র আল-শিফা হাসপাতালে তাণ্ডব চালিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী হাসপাতাল থেকে সব রোগীকে সরিয়ে নিতে জোর প্রয়োগ করছে। ইসরায়েলের এমন কর্মকাণ্ডকে আরেকটি যুদ্ধাপরাধ বলে মন্তব্য করেছেন গাজার সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয়ের মহাপরিচালক ইসমাইল আল তাওয়াবতা। খবর আলজাজিরার।

গণমাধ্যম কার্যালয়ের মহাপরিচালক বলেন, আল-শিফা হাসপাতালের বিপুল সংখ্যক রোগীকে ইসরায়েলি সেনারা সিরয়ে নেওয়ার জন্য জোর প্রয়োগ করছে। এসব রোগীকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য অন্যকোনো হাসপাতালে সুযোগ সুবিধা নেই।

তিনি বলেন, হাসপাতালের এসব রোগী স্বাভাবিকভাবেই মারা যাচ্ছেন। কেননা তাদের এখন দ্রুত চিকিসার প্রয়োজন।

গাজার কর্মকর্তারা বলছেন, হাসপাতালের ভেতরে যেসব রোগী রয়েছেন তাদের বন্দুকের নল তাক করে সেখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য জোর করা হচ্ছে। এমনকি তাদের সেখানে অপমাণিতও করা হচ্ছে। এটির মাধ্যমে তারা আরেকটি যুদ্ধাপরাধ করেছে।

এর আগে শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) গাজার আল-শিফা হাসপাতালের প্রধান আলজাজিরার কাছে জানান, ইসরায়েলের অবরোধের কারণে গাজা উপত্যকার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল আল-শিফার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) সব রোগী মারা গেছেন। এরও আগে গত বুধবার (১৫ নভেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ জানিয়েছিল, আল-শিফার আইসিইউতে থাকা ৬৩ রোগীর ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মাত্র দুদিনের মাথায় বাকি সব রোগী মারা গেলেন।

হাসপাতালের পরিচালক মুহাম্মাদ আবু সালমিয়া বলেন, হাসপাতালে ভেতরে সাত হাজার মানুষ আটকা আছেন। চিকিৎসকরা এখনো রোগীদের চিকিৎসা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে চলেছেন। ইসরায়েলি বাহিনী কাউকে ঢুকতে বা বের হতে না দেওয়ায় হাসপাতালটি বড় কারাগার ও গণকবরে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, গত কয়েক দিন ধরে হাসপাতালটি ঘেরাও করে রেখেছে ইসরায়েলি সেনারা। এখন আমাদের কাছে কিছুই নেই। জ্বালানি, বিদ্যুৎ, খাবার, পানি কিছুই নেই। প্রতিমুহূর্তে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঢাবিতে দোয়া-স্মরণসভায় শহীদ ওসমান হাদির ন্যায়বিচারের দাবি

ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পেলেন মোবাশ্বের আলম

সুরক্ষা ছাড়াই দেয়াল বেয়ে ১০১ তলা ভবনের চূড়ায় পর্বতারোহী

বিশ্বকাপে দেশকে মিস করব : মিশা সওদাগর

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ

‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছোটবেলায় দেখেছি: অনন্ত জলিল

ঈদগাহ মাঠ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

যুক্তরাষ্ট্রে তুষারঝড় ও তীব্র ঠান্ডায় ১৪ জনের মৃত্যু

বিশ্বকাপ বয়কট ইস্যুতে পাকিস্তানের ফলপ্রসূ বৈঠক, যা জানা গেল

একই আর্টিস্ট ও কম বাজেটে সিনেমা হবে না : অনন্ত জলিল

১০

রাজনৈতিক দলগুলো অনেক বেশি সচেতন : ইসি সানাউল্লাহ

১১

দেশের সব হাসপাতালকে জরুরি নির্দেশনা

১২

একটি গোষ্ঠী নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে গভীর ষড়যন্ত্র করছে : তারেক রহমান

১৩

স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা ইশরাকের

১৪

জঞ্জাল সরিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই : মঞ্জু

১৫

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ওপর হামলা শিষ্টাচারের লঙ্ঘন : জামায়াত

১৬

অবশেষে মুখ খুললেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল

১৭

হেনস্তার শিকার হয়ে থানায় গেলেন মিমি চক্রবর্তী

১৮

দায়িত্বগ্রহণের চার মাসে ২২৫টি কাজ ও উদ্যোগ গ্রহণ ডাকসুর

১৯

নির্বাচিত হলে মাদক চাঁদাবাজ অস্ত্রবাজদের প্রতিহত করা হবে : মিন্টু

২০
X