কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৪, ০৯:৫৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গাজা থেকে হাজার হাজার সেনা সরিয়ে নিচ্ছে ইসরায়েল

গাজায় ইসরায়েলি সেনারা। ছবি : সংগৃহীত
গাজায় ইসরায়েলি সেনারা। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা থেকে পাঁচ ব্রিগেড সেনা সরিয়ে নিতে শুরু করেছে ইসরায়েল। এই পাঁচ ব্রিগেডে হাজার হাজার সেনা রয়েছে। তবে এত সেনা সরিয়ে নিলেও ২০২৪ সালজুড়ে গাজায় যুদ্ধ চলবে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল।

রোববার সন্ধ্যায় আইডিএফের মুখপাত্র রিয়ার অ্যাড. ড্যানিয়েল হাগারি বলেছেন, আমরা গাজার প্রতিটি এলাকায় যুদ্ধের পদ্ধতি এবং প্রয়োজনীয় বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় করছি। গাজার প্রতিটি এলাকার বৈশিষ্ট্য ভিন্ন। প্রতিটি এলাকায় ভিন্ন ভিন্নভাবে অভিযান পরিচালনা করতে হয়। আজ (গতকাল) রাতে ২০২৪ সাল শুরু হবে। যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনে দীর্ঘদিন লড়াইয়ের প্রয়োজন হবে। আমরা সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়েছি।

আইডিএফের মুখপাত্র আরও বলেন, গাজায় যুদ্ধরত ইসরায়েলি বাহিনীকে স্মার্ট উপায়ে পরিচালনা করা হবে। দেশের অর্থনীতির চাকা সচলে রিজার্ভ সেনাদের প্রত্যাহার করা হবে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ পরিবারের কাছে ফিরে যাবেন এবং এই সপ্তাহে কাজে যোগ দেবেন।

গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে প্রবেশ করে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে প্রায় ১১৪০ ইসরায়েলিকে হত্যার পাশাপাশি প্রায় ২৫০ ইসরায়েলি ও বিদেশি নাগরিককে গাজায় বন্দি করে নিয়ে আসে হামাস। একই দিন হামাসকে নির্মূল এবং বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী এই সংগঠনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরায়েল। গত নভেম্বরে সাত দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিনিময়ে ১১০ ইসরায়েলি বন্দিকে হামাস মুক্তি দিলেও এখনো তাদের হাতে শতাধিক বন্দি আছেন।

অন্যদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় এরই মধ্যে ২১ হাজার ৮০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৫৬ হাজার ১৬৫ জন ফিলিস্তিনি। এ ছাড়া নিখোঁজ হয়েছেন আরও কয়েক হাজার মানুষ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২৪-০ গোলে জিতল ঋতুপর্ণারা

ডাকসু নেতার ‘কোটা না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’

বাংলাদেশের প্রস্তাবে সাড়া দিল না আয়ারল্যান্ড

জামালপুরের একমাত্র নারী প্রার্থী পূথির মনোনয়ন বৈধ

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

১০

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

১১

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

১২

একুশ শতাব্দীতে যে কীর্তিতে দ্বিতীয় দ্রুততম এমবাপ্পে

১৩

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর

১৪

খালেদা জিয়ার কফিন বহনের সুযোগ পেয়ে যাদের কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১৫

ডার্বিতে সিটিকে গুঁড়িয়ে দিল ইউনাইটেড! 

১৬

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ জনের

১৭

দুর্দান্ত শুরুর পরও জিততে পারল না বাংলাদেশ

১৮

থানায় আগুন, পুড়ল সাংবাদিকের মোটরসাইকেল

১৯

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নীতিগত সমন্বয় ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান 

২০
X