কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৪, ০৪:৫৭ পিএম
আপডেট : ২৫ জুন ২০২৪, ০৮:৫৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইসরায়েলি হামলায় পরিবারের ১০ সদস্য হারালেন ইসমাইল হানিয়া

হামাসের শীর্ষ নেতা ইসমাইল হানিয়া। ছবি : সংগৃহীত
হামাসের শীর্ষ নেতা ইসমাইল হানিয়া। ছবি : সংগৃহীত

গাজার উত্তরাঞ্চলে আল শাতি ক্যাম্পে হানিয়া পরিবারের একটি বাড়িতে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। হামলায় হামাসের শীর্ষ নেতা ইসমাইল হানিয়ার এক বোনসহ পরিবারের ১০ সদস্য নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ জুন) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

গাজার স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় নিহত সবাই হানিয়াহ পরিবারের সদস্য। তবে এ বিষয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত এপ্রিলে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইসমাইল হানিয়ার তিন ছেলে ও তিন নাতি-নাতনি নিহত হয়েছিলেন। গত ১০ এপ্রিল ঈদুল ফিতরের দিন গাজার আল শাতি শরণার্থী ক্যাম্পে হানিয়ার ছেলেদের বহনকারী গাড়িতে চালানো হামলায় তারা প্রাণ হারান।

মূলত ঈদ উপলক্ষ্যে হানিয়ার ছেলেরা আল শাতি ক্যাম্পে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বলে সে সময় জানিয়েছিল ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যমগুলো।

এদিকে ছেলে ও নাতি-নাতনিদের মৃত্যুর খবরে (শহীদ হওয়ায়) আল্লাহর কাছে সে সময় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছিলেন হামাসপ্রধান। তিনি বলেছিলেন, তাদের শহীদ হওয়ার মর্যাদা প্রদান করায় আল্লাহকে ধন্যবাদ।

গেল বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় জল, স্থল ও আকাশপথে টানা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি সেনারা। তাদের নৃশংস অভিযানে পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে উপত্যকা। গাজা পরিণত হয়েছে মৃত্যুপুরিতে। প্রাণ হারিয়েছেন ৩৭ হাজারের বেশি নিরীহ ফিলিস্তিনি।

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের জেরে চরম মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে থাকা উপত্যকাটির বাসিন্দাদের জন্য ত্রাণ কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এমনকি ত্রাণ নিতে যাওয়া নিরীহ ফিলিস্তিনিকেও হতে হয়েছে ইসরায়েলি সেনাদের হামলার শিকার।

রোববার ফের ত্রাণ সরবরাহে ব্যবহৃত ভবন লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে নেতানিয়াহু বাহিনী। এতে ত্রাণবাহী ট্রাকের নিরাপত্তায় থাকা এক ব্যক্তিসহ কয়েকজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরেও গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে নেতানিয়াহু।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যে কারণে দাভোস সম্মেলনে সানগ্লাস পরে বক্তব্য দিলেন মাখোঁ

শাবিপ্রবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন শিক্ষার্থীদের

শিবির নেতার বক্তব্যের প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল 

গণভোট নিয়ে অবস্থান জানাল বিএনপি

নতুন পে স্কেল অনুযায়ী সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন কত নির্ধারণ করল কমিশন?

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন ও ছুটি নির্ধারণ করে দিল সরকার

রোগীদের সুস্থতায় নার্সদের দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ : মেয়র শাহাদাত

বছরে ১০-২০টি করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে উত্তর কোরিয়া

র‍্যাঙ্কিংয়ে নতুন রাজার নাম ঘোষণা করল আইসিসি

খালেদা জিয়া বিএনপিকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে গেছেন : ড. মোশাররফ

১০

এ সপ্তাহের হলি-ওটিটি

১১

শরীয়তপুরের ৩টি আসনে নুরুদ্দিন অপুসহ ২১ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ

১২

অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কাকেও উড়িয়ে দিল আজ 

১৩

রক্তস্পন্দন প্ল্যাটফর্মে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের উদ্বোধন

১৪

আইসিসি না বাংলাদেশ—কে পিছু হটবে আগে?

১৫

এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া যেসব আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা সরেননি

১৬

কুমিল্লা-৩ আসন / বিএনপির প্রার্থী কায়কোবাদকে ঠেকাতে ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে আ.লীগের সাবেক এমপি ও উপদেষ্টা

১৭

‘না’ ভোটে অবস্থান নেওয়া দল রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করবে : নৌপরিবহন উপদেষ্টা

১৮

যেভাবে নজর কাড়লেন ওসাকা

১৯

বিছানা ও পুরুষ নিয়ে টাবুর ‘বিতর্কিত’ মন্তব্য! নেপথ্যে আসল সত্য কী?

২০
X