কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৪, ০২:৩৫ পিএম
আপডেট : ১৩ মে ২০২৪, ০৪:২৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

খেলাপি আদায়ে ব্যর্থ বিডিবিএল ‘বিলীন’ হচ্ছে

খেলাপি আদায়ে ব্যর্থ বিডিবিএল ‘বিলীন’ হচ্ছে

খেলাপি ঋণ আদায় করতে না পেরে সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল)।রোববার (১২ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকে সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিডিবিএলের চেয়ারম্যান শামীমা নার্গিস।

বিডিবিএল চেয়ারম্যান বলেন, বিডিবিএলের চারটি ইনডিকেটরের মধ্যে তিনটিই ভালো আছে শুধু একটিতে একটু দুর্বল অবস্থায় আছে, খেলাপি ঋণ। আগে যেটা ৪১ শতাংশ ছিল, আমরা সেটা কমিয়ে ৩৪ শতাংশে নিয়ে এসেছি। মার্জারের যে নীতিমালা আছে চারটি ইন্ডিকেটরের মধ্যে খেলাপি ঋণের বিষয়টা আলাদা গুরুত্বপূর্ণ।

আপনারা জানেন, এক বছরে আমি ৪১ থেকে ৩৪ শতাংশে নিয়ে এসেছি। ছয় মাসে ৩৪ থেকে ৫-১০ বা ১৫তে আনা সম্ভব না। খেলাপি ঋণ শুধুই আমার একটিভনেস না, যার যে খেলাপি তাকেও এগিয়ে আসতে হবে। সে যদি এগিয়ে না আসে তার জামানত বিক্রি করতে হলেও আমাকে অনেক ধাপ— অর্থঋণ আদালত, অর্থ আদালত, মামলা এসব ধাপ অতিক্রম করে আসতে হবে। যেটা কোনোভাবেই ছয় মাসে সম্ভব না।

বিডিবিএল সময় নিতে পারত তারপরও কেন মার্জারে যাচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রাইভেট ব্যাংকগুলো যেমন গ্যারান্টি দিচ্ছে, আগামী এক বছরে এত হাজার কোটি টাকা আনবে, আমি সেই গ্যারান্টি দিতে পারছি না। কারণ আমাদের ব্রাঞ্চের সংখ্যা কম। মাত্র ৫০টি। কাজেই আমি যে সময় নেব বাংলাদেশ ব্যাংক তো আর আমাকে ৫-১০ বছর সময় দেবে না৷

বিডিবিএলর কর্মীরা মার্জারে না যেতে খোলা চিঠির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বিডিবিএল চেয়ারম্যান বলেন, এখানে দুই ব্যাংকের পর্ষদ মিলে একীভূতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কাজেই তারা অনেক কিছু প্লাস মাইনাস করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেটা বেটার হয় সেটা করা হয়েছে।

এ সময় সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী বলেন, আমরা অনেক চিন্তাভাবনা করেই মার্জারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা কোনো চাপের মুখে নয়, নিজেরাই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের দুই ব্যাংকের দুই ধরনের অভিজ্ঞতা আছে। সেগুলো কাজে লাগিয়ে আমরা এগিয়ে যাব। আজকে বিডিবিএলের চেয়ারম্যানও ছিলেন এখানে। তার কিছু প্রশ্ন ছিল। গভর্নর সেগুলোর সন্তোষজনক জবাব দিয়েছেন।

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফজাল করিম বলেন, সোনালী ব্যাংকের এই মুহূর্তে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার কোটি টাকা। অপরদিকে বিডিবিএলের ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা, যা প্রায় ৫০ ভাগের এক ভাগ৷ সেম অবস্থা লোনের ক্ষেত্রেও। কাজেই এটা সোনালী ব্যাংকে খুব বেশি ইফেক্ট পড়বে না। আর বিডিবিএল এর এমপ্লয়িদের শঙ্কা বা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নাই। আমাদের প্রায় ৮ হাজার কর্মী আছে তারপরও অনেক লোকবল শর্ট আছে, আর বিডিবিএলের ছয়শর মতো কর্মী আছে। সুতরাং তাদের শঙ্কার কিছু নাই।

কালবেলা
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর বাহুবলের ওসি সাইফুল ক্লোজড

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই তেল রপ্তানি করছে ইরান

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কেন নেভি ব্লু জার্সি পরে খেলবে আর্জেন্টিনা?

চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রির দায়ে ৩ দোকানে জরিমানা

বিশ্বকাপের ফাইনালে ফুটবলের নিয়ম ভাঙার পথে হাঁটছে ফিফা

এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবি ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পুলিশের হামলার প্রতিবাদ 

বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানে হামলা, গ্রেপ্তার ৮

মিডল্যান্ড ব্যাংকের ‘টেকসই অর্থায়ন, জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ কখন কোথায়, মোবাইলে ‘লাইভ’ দেখবেন যেভাবে

১০

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছেলে অংশ নেওয়ায় বিএনপি নেতাকে বহিষ্কার

১১

খামেনির জানাজায় ৪ কোটির বেশি মানুষ অংশ নিয়েছে: ইরান

১২

যুবদল নেতার ওপর ককটেল হামলার অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার 

১৩

প্রতারণা মামলায় আদালতে অভিনেত্রী ববি, পেলেন জামিন

১৪

আইআরজিসির হুঁশিয়ারি / হরমুজের পাশাপাশি অন্যান্য বাণ্যিজপথও বন্ধ করে দেব

১৫

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মধ্যেই কাতার সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৬

বাংলাদেশকে ‘বড়’ লক্ষ্য দিল জিম্বাবুয়ে

১৭

কাতারের সাবেক আমিরের স্মরণে হবে ঢাকায় এক সড়কের নাম

১৮

বৃষ্টিতে বেহাল গোপালপুর-ধনবাড়ী সংযোগ সড়ক, ভোগান্তিতে গ্রামবাসী

১৯

ইঞ্জিন বিকল হয়ে গভীর সমুদ্রে ভাসতে থাকা ১৯ জেলে উদ্ধার

২০
X