বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০২৫, ১১:৫৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড কর্মকর্তা কারাগারে

চট্টগ্রাম চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রাম চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. একেএম সামছু উদ্দিন আজাদের দায়ের করা মামলায় চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড কর্মকর্তা কিবরিয়া মাসুদ খানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

তিনি চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সাবেক সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট। ২০২৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় ফল জালিয়াতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন চট্টগ্রামের শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. একেএম সামছু উদ্দিন আজাদ।

মামলায় প্রাক্তন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র নাথ ও তার ছেলে নক্ষত্র দেব নাথসহ চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুস্তফা কামরুল আখতার ও প্রাক্তন সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট কিবরিয়া মাসুদ খানকে অভিযুক্ত করে আসামি করা হয়েছে।

চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৫, ৪৬৬, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ৩৪ ধারা এবং পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ এর ৫, ৬, ১২ ও ১৩ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

গত বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টায় চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কাজী মিজানুর রহমান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

শনিবার (১৫ মার্চ ) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পাঁচলাইশ থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) উপপরিদর্শক মো. শাহাজাহান।

তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট কিবরিয়া মাসুদ খান উচ্চ আদালতের নির্দেশে সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন প্রার্থনা করে। উচ্চ আদালত তাকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। আদালত শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের প্রাক্তন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র নাথের ছেলে নক্ষত্র দেব নাথ। ওই বছরের ২৬ নভেম্বর ফল ঘোষণার পর দেখা যায়, নক্ষত্র জিপিএ-৫ পেয়েছেন, যা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন ওঠে। সে সময় নক্ষত্রের বাবা নারায়ণ চন্দ্র নাথ চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন।

অভিযোগ ওঠে, প্রভাব খাটিয়ে সন্তানকে জিপিএ-৫ পাইয়ে দিয়েছেন। এরপর ঘটনা থানা থেকে আদালত পর্যন্ত গড়ায়। পরে বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযোদ্ধা গবেষণা কেন্দ্র ট্রাস্ট চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমানের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তদন্ত স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন নারায়ণ চন্দ্র নাথ। এ বিষয়ে আট সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারি করেন আদালত। পরে মাউশি ও বোর্ডের আপিলে রিটের আদেশ বাতিল করা হয়। তদন্তে ফল জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হলে গতবছরের ১৫ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বোর্ডকে নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়। একই বছরের ২৪ অক্টোবর শিক্ষা বোর্ডের শৃঙ্খলা কমিটির সভায় নক্ষত্রের ফল বাতিল করা হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইংল্যান্ডের দারুণ শুরু

ভারতে পাচার ৬ বাংলাদেশি নারীকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

আর্জেন্টিনা বিজয়ী হওয়ায় মাথা ন্যাড়া করলেন ব্রাজিলের সমর্থক

সীমান্তের শূন্যরেখায় অনিশ্চয়তায় ৯টি প্রাণ

স্বামীর হাত-পা-মুখ বেঁধে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণ’

ধর্ষণের পর মৃত্যু নিশ্চিত করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে আসামিরা

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে নেওয়া হচ্ছে দুই মেগা প্রকল্প

ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো পর্তুগালকে

একই দিনে চট্টগ্রামে দুই চাঞ্চল্যকর মামলার রায়

১০

‘বাজেট বা জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না’

১১

বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলে ভাইরাল সেই এমপির বাবা এখনো জীবিত

১২

সচেতনতা বাড়াতে সাতক্ষীরা কমিউনিটি গ্রুপের পোস্টারিং

১৩

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু 

১৪

ঝিনাইদহে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীর নাড়ি কেটে ফেলার অভিযোগ

১৫

টানা তিন মাস সেরা ডিএমপির মিরপুর বিভাগ

১৬

সিলেটে সীমান্তে উত্তেজনার মাঝেই মানবিকতা, ভারতীয় কৃষককে ফেরত দিল বিজিবি

১৭

স্কুল দখল ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এমপির বিরুদ্ধে 

১৮

মেসির বিতর্কিত ফাউল ও লাল কার্ড বিতর্ক, যা বলছে ফিফার নিয়ম

১৯

পুশইন ইস্যুতে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে : আইনমন্ত্রী

২০
X